۞ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ ۞
অনুবাদকে টিক দিন        


সমগ্র কুরআনে সার্চ করার জন্য আরবি অথবা বাংলা শব্দ দিন...


তথ্য খুজুন: যেমন মায়িদা x
সুরা লিস্ট দেখুন

সূরা নাম (Sura Name): �������� ������������ -- Ar-Rahman -- ������-������������������
Arabic Font Size:
আয়ত নাম্বার বায়ান ফাউন্ডেশন মুজিবুর রহমান তাইসীরুল কুরআন আরবি
1 পরম করুণাময়, দয়াময় আল্লাহ! পরম দয়ালু (আল্লাহ), اَلرَّحْمٰنُۙ﴿١ ﴾
2 তিনি শিক্ষা দিয়েছেন কুরআন, তিনিই শিক্ষা দিয়েছেন কুরআন। তিনিই শিক্ষা দিয়েছেন কুরআন, عَلَّمَ الْقُرْاٰنَؕ﴿٢ ﴾
3 তিনি সৃষ্টি করেছেন মানুষ, তিনিই সৃষ্টি করেছেন মানুষ। তিনিই মানুষ সৃষ্টি করেছেন, خَلَقَ الْاِنْسَانَۙ﴿٣ ﴾
4 তিনি তাকে শিখিয়েছেন ভাষা। তিনিই তাকে শিখিয়েছেন ভাব প্রকাশ করতে। তিনিই শিখিয়েছেন মনের কথা প্রকাশ করতে, عَلَّمَهُ الْبَیَانَ﴿٤ ﴾
5 সূর্য ও চাঁদ (নির্ধারিত) হিসাব অনুযায়ী চলে, সূর্য ও চাঁদ আবর্তন করে নির্ধারিত কক্ষপথে। সূর্য ও চন্দ্র আবর্তন করে সুনির্দিষ্ট হিসাব অনুযায়ী। اَلشَّمْسُ وَ الْقَمَرُ بِحُسْبَانٍ۪﴿٥ ﴾
6 আর তারকা ও গাছ-পালা সিজদা করে। ‘তারকা ও বৃক্ষ উভয়ে (আল্লাহকে) সাজদাহ করে। তৃণলতা গাছপালা (তাঁরই জন্য) সাজদায় অবনত, وَّ النَّجْمُ وَ الشَّجَرُ یَسْجُدٰنِ﴿٦ ﴾
7 আর তিনি আকাশকে সমুন্নত করেছেন এবং দাঁড়িপাল্লা স্থাপন করেছেন। তিনি আকাশকে করেছেন সমুন্নত এবং স্থাপন করেছেন মানদন্ড – তিনি আকাশকে করেছেন সমুন্নত, আর স্থাপন করেছেন (ন্যায়ের) মানদন্ড, وَ السَّمَآءَ رَفَعَهَا وَ وَضَعَ الْمِیْزَانَۙ﴿٧ ﴾
8 যাতে তোমরা দাঁড়িপাল্লায় সীমালঙ্ঘন না কর। যাতে তোমরা ভারসাম্য লংঘন না কর। যাতে তোমরা মানদন্ডে সীমালঙ্ঘন না কর, اَلَّا تَطْغَوْا فِی الْمِیْزَانِ﴿٨ ﴾
9 আর তোমরা ন্যায়সঙ্গতভাবে ওযন প্রতিষ্ঠা কর এবং ওযনকৃত বস্তু কম দিও না। ওযনের ন্যায্য মান প্রতিষ্ঠিত কর এবং মিযানে কম করনা। সুবিচারের সঙ্গে ওজন প্রতিষ্ঠা কর আর ওজনে কম দিও না, وَ اَقِیْمُوا الْوَزْنَ بِالْقِسْطِ وَ لَا تُخْسِرُوا الْمِیْزَانَ﴿٩ ﴾
10 আর যমীনকে বিছিয়ে দিয়েছেন সৃষ্টজীবের জন্য। তিনি পৃথিবীকে স্থাপন করেছেন সৃষ্ট জীবের জন্য। আর যমীন- তিনি (তাঁর) প্রাণীকুলের জন্য তাকে করেছেন বিস্তৃত, وَ الْاَرْضَ وَ ضَعَهَا لِلْاَنَامِۙ﴿١٠ ﴾
11 তাতে রয়েছে ফলমূল ও খেজুরগাছ, যার খেজুর আবরণযুক্ত। এতে রয়েছে ফল-মূল এবং খেজুর বৃক্ষ, যার ফল আবরণযুক্ত – এতে আছে নানান ফলমূল, আর খেজুর গাছ যার ফল আবরণে ঢাকা, فِیْهَا فَاكِهَةٌ ۪ۙ وَّ النَّخْلُ ذَاتُ الْاَكْمَامِۖ﴿١١ ﴾
12 আর আছে খোসাযুক্ত দানা ও সুগন্ধিযুক্ত ফুল। এবং খোসাবিশিষ্ট দানা ও সুগন্ধ গুল্ম। আর খোসা ও ডাটা বিশিষ্ট দানা আর সুগন্ধী গাছ। وَ الْحَبُّ ذُو الْعَصْفِ وَ الرَّیْحَانُۚ﴿١٢ ﴾
13 সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে* অস্বীকার করবে ? সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করবে? অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নিয়ামতকে অস্বীকার করবে? فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ﴿١٣ ﴾
14 তিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন শুষ্ক ঠনঠনে মাটি থেকে যা পোড়া মাটির ন্যায়। মানুষকে তিনি সৃষ্টি করেছেন পোড়া মাটির মত শুস্ক মৃত্তিকা হতে – তিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন পোড়া মাটির মত শুকনা পচা কাদা হতে, خَلَقَ الْاِنْسَانَ مِنْ صَلْصَالٍ كَالْفَخَّارِۙ﴿١٤ ﴾
15 আর তিনি জিনকে সৃষ্টি করেছেন ধোঁয়াবিহীন অগ্নিশিখা থেকে। আর জিনকে সৃষ্টি করেছেন নির্ধূম অগ্নিশিখা হতে। আর জ্বিনকে সৃষ্টি করেছেন ধোঁয়াবিহীন আগুন হতে। وَ خَلَقَ الْجَآنَّ مِنْ مَّارِجٍ مِّنْ نَّارٍۚ﴿١٥ ﴾
16 সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ? সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করবে? অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ﴿١٦ ﴾
17 তিনি দুই পূর্ব ও দুই পশ্চিমের* রব। তিনিই দুই উদয়াচল ও দুই অস্তাচলের নিয়ন্তা। তিনিই দু’টি উদয় স্থান ও দু’টি অস্তাচলের নিয়ন্ত্রক, رَبُّ الْمَشْرِقَیْنِ وَ رَبُّ الْمَغْرِبَیْنِۚ﴿١٧ ﴾
18 সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ? সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করবে? অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ﴿١٨ ﴾
19 তিনি দুই সমুদ্রকে প্রবাহিত করেন, যারা পরস্পর মিলিত হয়। তিনি প্রবাহিত করেন দুই দরিয়া, যারা পরস্পর মিলিত হয়, দু’টি সমুদ্রকে তিনিই প্রবাহিত করেন যারা পরস্পর মিলিত হয়, مَرَجَ الْبَحْرَیْنِ یَلْتَقِیٰنِۙ﴿١٩ ﴾
20 উভয়ের মধ্যে রয়েছে এক আড়াল যা তারা অতিক্রম করতে পারে না। কিন্তু ওদের মধ্যে রয়েছে এক অন্তরাল যা ওরা অতিক্রম করতে পারেনা। (কিন্তু তা সত্ত্বেও) উভয়ের মাঝে আছে এক আড়াল যা তারা অতিক্রম করতে পারে না। بَیْنَهُمَا بَرْزَخٌ لَّا یَبْغِیٰنِۚ﴿٢٠ ﴾
21 সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ? সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করবে? অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ﴿٢١ ﴾
22 উভয় সমুদ্র থেকে উৎপন্ন হয় মণিমুক্তা ও প্রবাল। উভয় দরিয়া হতে উৎপন্ন হয় মুক্তা ও প্রবাল। এ সব দরিয়া হতে বের হয় মুক্তা ও প্রবাল, یَخْرُجُ مِنْهُمَا اللُّؤْلُؤُ وَ الْمَرْجَانُۚ﴿٢٢ ﴾
23 সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ? সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করবে? অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ﴿٢٣ ﴾
24 আর সমুদ্রে চলমান পাহাড়সম জাহাজসমূহ তাঁরই। সমুদ্রে বিচরণশীল পর্বত সদৃশ নৌযানসমূহ তাঁরই নিয়ন্ত্রণাধীন। পর্বত সম জাহাজসমূহ তাঁরই, যা দরিয়ার বুকে শান্তভাবে চলাচল করে। وَ لَهُ الْجَوَارِ الْمُنْشَـٰٔتُ فِی الْبَحْرِ كَالْاَعْلَامِۚ﴿٢٤ ﴾
25 সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ? সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করবে? অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ﴿٢٥ ﴾
26 যমীনের উপর যা কিছু রয়েছে, সবই ধ্বংসশীল। ভূপৃষ্ঠে যা কিছু আছে সব কিছু নশ্বর, পৃথিবী পৃষ্ঠে যা আছে সবই ধ্বংসশীল, كُلُّ مَنْ عَلَیْهَا فَانٍۚۖ﴿٢٦ ﴾
27 আর থেকে যাবে শুধু মহামহিম ও মহানুভব তোমার রবের চেহারা*। অবিনশ্বর শুধু তোমার রবের মুখমন্ডল যিনি মহিমাময়, মহানুভব। কিন্তু চিরস্থায়ী তোমার প্রতিপালকের চেহারা (সত্তা)- যিনি মহীয়ান, গরীয়ান, وَّ یَبْقٰی وَجْهُ رَبِّكَ ذُو الْجَلٰلِ وَ الْاِكْرَامِۚ﴿٢٧ ﴾
28 সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন্ অনুগ্রহকে অস্বীকার করবে ? সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করবে? অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ﴿٢٨ ﴾
29 আসমানসমূহ ও যমীনে যারা রয়েছে, সবাই তাঁর কাছে চায়। প্রতিদিন তিনি কোন না কোন কাজে রত। আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে যা আছে সবাই তাঁর নিকট প্রার্থী, প্রতিনিয়ত তিনি অতি গুরুত্বপূর্ণ কাজে রত। আকাশ আর পৃথিবীতে যারা আছে তারা (নিজেদের প্রয়োজন মেটানোর জন্য যা কিছু দরকার) তাঁর কাছেই চায়, প্রতি মুহূর্ত তিনি নতুন নতুন গুরুত্বপূর্ণ কাজে নিয়োজিত (কাউকেও বাঁচাচ্ছেন, কাউকেও মারছেন, কাউকেও সম্মানিত ক’রে ঊর্ধ্বে উঠাচ্ছেন, কাউকেও অপমানিত ক’রে নামিয়ে দিচ্ছেন ইত্যাদি)। یَسْـَٔلُهٗ مَنْ فِی السَّمٰوٰتِ وَ الْاَرْضِ ؕ كُلَّ یَوْمٍ هُوَ فِیْ شَاْنٍۚ﴿٢٩ ﴾
30 সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ? সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করবে? অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ﴿٣٠ ﴾
31 হে মানুষ ও জিন, আমি অচিরেই তোমাদের (হিসাব-নিকাশ গ্রহণের) প্রতি মনোনিবেশ করব। হে মানুষ ও জিন! আমি শীঘ্রই তোমাদের প্রতি মনোনিবেশ করব। (দায়িত্বের) ভারে ভারাক্রান্ত ওহে (জ্বিন ও মানুষ) দু’ (জাতি)! অতি শীঘ্র (কর্মমুক্ত হয়ে তোমাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য) আমি তোমাদের প্রতি মনোনিবেশ করব, سَنَفْرُغُ لَكُمْ اَیُّهَ الثَّقَلٰنِۚ﴿٣١ ﴾
32 সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ? সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করবে? অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ﴿٣٢ ﴾
33 হে জিন ও মানবজাতি, যদি তোমরা আসমানসমূহ ও যমীনের সীমানা থেকে বের হতে পার, তাহলে বের হও। কিন্তু তোমরা তো (আল্লাহর দেয়া) শক্তি ছাড়া বের হতে পারবে না। হে জিন ও মানুষ সম্প্রদায়! আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সীমা তোমরা যদি অতিক্রম করতে পার, অতিক্রম কর; কিন্তু তোমরা তা পারবেনা আল্লাহর অনুমতি ব্যতীত। হে জ্বিন ও মানুষ জাতি! তোমরা যদি আকাশ ও পৃথিবীর সীমানা অতিক্রম করতে পার তাহলে অতিক্রম কর, কিন্তু (আল্লাহর) প্রমাণপত্র ছাড়া তোমরা তা অতিক্রম করতে পারবে না। یٰمَعْشَرَ الْجِنِّ وَ الْاِنْسِ اِنِ اسْتَطَعْتُمْ اَنْ تَنْفُذُوْا مِنْ اَقْطَارِ السَّمٰوٰتِ وَ الْاَرْضِ فَانْفُذُوْا ؕ لَا تَنْفُذُوْنَ اِلَّا بِسُلْطٰنٍۚ﴿٣٣ ﴾
34 সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ? সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করবে? অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ﴿٣٤ ﴾
35 তোমাদের উভয়ের প্রতি প্রেরণ করা হবে অগ্নিশিখা ও কালো ধোঁয়া, তখন তোমরা প্রতিরোধ করতে পারবে না। তোমাদের প্রতি প্রেরিত হবে অগ্নিশিখা ও ধুম্রপুঞ্জ, তখন তোমরা তা প্রতিরোধ করতে পারবেনা। (অতিক্রম করতে চাইলে) তোমাদের দিকে আগুনের শিখা ও ধোঁয়া ছেড়ে দেয়া হবে, তখন তোমরা তা প্রতিরোধ করতে পারবে না। یُرْسَلُ عَلَیْكُمَا شُوَاظٌ مِّنْ نَّارٍ ۙ۬ وَّ نُحَاسٌ فَلَا تَنْتَصِرٰنِۚ﴿٣٥ ﴾
36 সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ? সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করবে? অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ﴿٣٦ ﴾
37 যে দিন আকাশ বিদীর্ণ হয়ে যাবে, অতঃপর তা রক্তিম গোলাপের ন্যায় লাল চামড়ার মত হবে। যেদিন আকাশ বিদীর্ণ হবে সেইদিন ওটা রক্ত-রঙ্গে রঞ্জিত চর্মের রূপ ধারণ করবে; যখন আকাশ দীর্ণ বিদীর্ণ হবে আর লাল চামড়ার মত রক্তবর্ণ ধারণ করবে فَاِذَا انْشَقَّتِ السَّمَآءُ فَكَانَتْ وَرْدَةً كَالدِّهَانِۚ﴿٣٧ ﴾
38 সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ? সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করবে? অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ﴿٣٨ ﴾
39 অতঃপর সেদিন না মানুষকে তার অপরাধ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে, না জিনকে। সেদিন মানুষকে তার অপরাধ সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করা হবেনা, আর না জিনকে। সে দিন না মানুষকে, না জ্বিনকে তার গুনাহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে। فَیَوْمَىِٕذٍ لَّا یُسْـَٔلُ عَنْ ذَنْۢبِهٖۤ اِنْسٌ وَّ لَا جَآنٌّۚ﴿٣٩ ﴾
40 সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন্ অনুগ্রহকে অস্বীকার করবে ? সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করবে? অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ﴿٤٠ ﴾
41 অপরাধীদেরকে চেনা যাবে তাদের চি‎‎হ্ন‎‎র সাহায্যে। অতঃপর তাদেরকে মাথার অগ্রভাগের চুল ও পা ধরে নেয়া হবে। অপরাধীদের পরিচয় পাওয়া যাবে তাদের চেহারা হতে; তাদেরকে পাকড়াও করা হবে পা ও মাথার ঝুঁটি ধরে। অপরাধীদেরকে চিনতে পারা যাবে তাদের চেহারা থেকেই, আর মাথার ঝুঁটি ও পা ধরে তাদেরকে পাকড়াও করা হবে। یُعْرَفُ الْمُجْرِمُوْنَ بِسِیْمٰهُمْ فَیُؤْخَذُ بِالنَّوَاصِیْ وَ الْاَقْدَامِۚ﴿٤١ ﴾
42 সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ? সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করবে? অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ﴿٤٢ ﴾
43 এই সেই জাহান্নাম, যাকে অপরাধীরা অস্বীকার করত। এটাই সেই জাহান্নাম, যা অপরাধীরা অবিশ্বাস করত। এটা সেই জাহান্নাম যাকে অপরাধীরা মিথ্যে মনে করেছিল। هٰذِهٖ جَهَنَّمُ الَّتِیْ یُكَذِّبُ بِهَا الْمُجْرِمُوْنَۘ﴿٤٣ ﴾
44 তারা ঘুরতে থাকবে জাহান্নাম ও ফুটন্ত পানির মধ্যে। তারা জাহান্নামের আগুন ও ফুটন্ত পানির মধ্যে ছুটাছুটি করবে। সেই জাহান্নাম আর ফুটন্ত পানিতে তারা ঘুরপাক খেতে থাকবে। یَطُوْفُوْنَ بَیْنَهَا وَ بَیْنَ حَمِیْمٍ اٰنٍۚ﴿٤٤ ﴾
45 সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ? সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করবে? অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ﴿٤٥ ﴾
46 আর যে তার রবের সামনে দাঁড়াতে ভয় করে, তার জন্য থাকবে দু’টি জান্নাত। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সামনে উপস্থিত হওয়ার ভয় রাখে, তার জন্য রয়েছে দু’টি উদ্যান। আর যে তার প্রতিপালকের সামনে হাজির হওয়ার ভয় রাখে তার জন্য আছে দু’টো বাগান। وَ لِمَنْ خَافَ مَقَامَ رَبِّهٖ جَنَّتٰنِۚ﴿٤٦ ﴾
47 সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ? সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করবে? অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِۙ﴿٤٧ ﴾
48 উভয়ই বহু ফলদার শাখাবিশিষ্ট। উভয়ই বহু শাখা-পল্লব বিশিষ্ট বৃক্ষে পূর্ণ। দু’টোই শাখা পল্লবে ভরপুর। ذَوَاتَاۤ اَفْنَانٍۚ﴿٤٨ ﴾
49 সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ? সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করবে? অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ﴿٤٩ ﴾
50 উভয়ের মধ্যে থাকবে দু’টি ঝর্ণাধারা যা প্রবাহিত হবে। উভয় উদ্যানে রয়েছে প্রবাহমান দুই প্রস্রবণ; দু’বাগানেই আছে দু’টো করে প্রবহমান ঝর্ণা। فِیْهِمَا عَیْنٰنِ تَجْرِیٰنِۚ﴿٥٠ ﴾
51 সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ? সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করবে? অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ﴿٥١ ﴾
52 উভয়ের মধ্যে প্রত্যেক ফল থেকে থাকবে দু’ প্রকারের। উভয় উদ্যানে রয়েছে প্রত্যক ফল, জোড়ায় জোড়ায়। উভয় বাগানে আছে প্রত্যেকটি ফলের দু’টি প্রকার। فِیْهِمَا مِنْ كُلِّ فَاكِهَةٍ زَوْجٰنِۚ﴿٥٢ ﴾
53 সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ? সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করবে? অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ﴿٥٣ ﴾
54 সেখানে পুরু রেশমের আস্তরবিশিষ্ট বিছানায় তারা হেলান দেয়া অবস্থায় থাকবে এবং দুই জান্নাতের ফল-ফলাদি থাকবে নিকটবর্তী। সেখানে তারা হেলান দিয়ে বসবে পুরু রেশমের আস্তর বিশিষ্ট ফরাশে, দুই উদ্যানের ফল হবে তাদের নিকটবর্তী। তারা হেলান দিয়ে বসবে শয্যার উপর যার আস্তর হবে পুরু রেশমের। দু’বাগানের ফল হবে নিকটবর্তী (জান্নাতীদের নাগালের মধ্যে)। مُتَّكِـِٕیْنَ عَلٰی فُرُشٍۭ بَطَآىِٕنُهَا مِنْ اِسْتَبْرَقٍ ؕ وَ جَنَا الْجَنَّتَیْنِ دَانٍۚ﴿٥٤ ﴾
55 সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ? সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করবে? অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ﴿٥٥ ﴾
56 সেখানে থাকবে স্বামীর প্রতি দৃষ্টি সীমিতকারী মহিলাগণ, যাদেরকে ইতঃপূর্বে স্পর্শ করেনি কোন মানুষ আর না কোন জিন। সেই সবের মাঝে রয়েছে বহু আনতনয়না, যাদেরকে পূর্বে কোন মানুষ অথবা জিন স্পর্শ করেনি। তার মধ্যে থাকবে সতীসাধ্বী সংযত-নয়না (কুমারী)রা, পূর্বে যাদেরকে স্পর্শ করেনি কোন মানুষ আর কোন জ্বিন। فِیْهِنَّ قٰصِرٰتُ الطَّرْفِ ۙ لَمْ یَطْمِثْهُنَّ اِنْسٌ قَبْلَهُمْ وَ لَا جَآنٌّۚ﴿٥٦ ﴾
57 সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ? সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করবে? অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِۚ﴿٥٧ ﴾
58 তারা যেন হীরা ও প্রবাল। তারা যেন প্রবাল ও পদ্মরাগ; তারা যেন পদ্মরাগ ও প্রবাল। كَاَنَّهُنَّ الْیَاقُوْتُ وَ الْمَرْجَانُۚ﴿٥٨ ﴾
59 সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ? সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করবে? অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ﴿٥٩ ﴾
60 উত্তম কাজের প্রতিদান উত্তম ছাড়া আর কী হতে পারে ? উত্তম কাজের জন্য উত্তম পুরস্কার ব্যতীত আর কি হতে পারে? উত্তম কাজের প্রতিফল উত্তম পুরস্কার ছাড়া কী হতে পারে? هَلْ جَزَآءُ الْاِحْسَانِ اِلَّا الْاِحْسَانُۚ﴿٦٠ ﴾
61 সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ? সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করবে? অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ﴿٦١ ﴾
62 আর ঐ দু’টি জান্নাত ছাড়াও আরো দু’টি জান্নাত রয়েছে। এই উদ্যানদ্বয় ব্যতীত আরও দু’টি উদ্যান রয়েছে – এ দু’টো বাগান ছাড়াও আরো বাগান আছে। وَ مِنْ دُوْنِهِمَا جَنَّتٰنِۚ﴿٦٢ ﴾
63 সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ? সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করবে? অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِۙ﴿٦٣ ﴾
64 জান্নাত দু’টি গাঢ় সবুজ। ঘন সবুজ এ উদ্যানটি দু’টি। ঘন সবুজ এ বাগান দু’টো। مُدْهَآ مَّتٰنِۚ﴿٦٤ ﴾
65 সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে? সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করবে? অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِۚ﴿٦٥ ﴾
66 এ দু’টিতে থাকবে অবিরাম ধারায় উচ্ছলমান দু’টি ঝর্ণাধারা। উভয় উদ্যানে রয়েছে উচ্ছলিত দুই প্রস্রবন। দু’টো বাগানেই আছে অবিরাম ও প্রচুর পরিমাণে উৎক্ষিপ্তমান দু’টো ঝর্ণাধারা। فِیْهِمَا عَیْنٰنِ نَضَّاخَتٰنِۚ﴿٦٦ ﴾
67 সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে? সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করবে? অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ﴿٦٧ ﴾
68 এ দু’টিতে থাকবে ফলমূল, খেজুর ও আনার। সেখানে রয়েছে ফলমূল, খেজুর ও আনার। তাতে আছে ফলমূল, আর খেজুর আর ডালিম, فِیْهِمَا فَاكِهَةٌ وَّ نَخْلٌ وَّ رُمَّانٌۚ﴿٦٨ ﴾
69 সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ? সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করবে? অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِۚ﴿٦٩ ﴾
70 সেই জান্নাতসমূহে থাকবে উত্তম চরিত্রবতী অনিন্দ্য সুন্দরীগণ। সেই সকলের মাঝে রয়েছে সুশীলা, সুন্দরীগণ। তাতে আছে উত্তম স্বভাব চরিত্রের সুন্দরী (কুমারী)রা। فِیْهِنَّ خَیْرٰتٌ حِسَانٌۚ﴿٧٠ ﴾
71 সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ? সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করবে? অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِۚ﴿٧١ ﴾
72 তারা হূর, তাঁবুতে থাকবে সুরক্ষিতা। তারা তাবুতে সুরক্ষিত হুর। (সুসজ্জিত) প্যাভিলিয়নে সুরক্ষিত থাকবে সুলোচনা সুন্দরীরা। حُوْرٌ مَّقْصُوْرٰتٌ فِی الْخِیَامِۚ﴿٧٢ ﴾
73 সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ? সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করবে? অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِۚ﴿٧٣ ﴾
74 যাদেরকে ইতঃপূর্বে স্পর্শ করেনি কোন মানুষ আর না কোন জিন । তাদেরকে ইতোপূর্বে কোন মানুষ অথবা জিন স্পর্শ করেনি। পূর্বে যাদেরকে স্পর্শ কোন মানুষেও করেনি, কোন জ্বিনেও করেনি। لَمْ یَطْمِثْهُنَّ اِنْسٌ قَبْلَهُمْ وَ لَا جَآنٌّۚ﴿٧٤ ﴾
75 সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নিআমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ? সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করবে? অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِۚ﴿٧٥ ﴾
76 তারা সবুজ বালিশে ও সুন্দর কারুকার্য খচিত গালিচার উপর হেলান দেয়া অবস্থায় থাকবে। তারা হেলান দিয়ে বসবে সবুজ তাকিয়ায় ও সুন্দর গালিচার উপর। তারা হেলান দিবে সবুজ তাকীয়াহ্ আর সুন্দর সুসজ্জিত গালিচার উপরে, مُتَّكِـِٕیْنَ عَلٰی رَفْرَفٍ خُضْرٍ وَّ عَبْقَرِیٍّ حِسَانٍۚ﴿٧٦ ﴾
77 সুতরাং তোমাদের রবের কোন্ নি‘আমতকে তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে ? সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করবে? অতএব (হে জ্বিন ও মানুষ!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ কোন্ নি‘মাতকে অস্বীকার করবে? فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ﴿٧٧ ﴾
78 তোমার রবের নাম বরকতময়, যিনি মহামহিম ও মহানুভব। কত মহান তোমার রবের নাম যিনি মহিমাময় ও মহানুভব! মাহাত্ম্য ও সম্মানের অধিকারী তোমার প্রতিপালকের নাম বড়ই কল্যাণময়। تَبٰرَكَ اسْمُ رَبِّكَ ذِی الْجَلٰلِ وَ الْاِكْرَامِ﴿٧٨ ﴾