۞ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ ۞
অনুবাদকে টিক দিন        


সমগ্র কুরআনে সার্চ করার জন্য আরবি অথবা বাংলা শব্দ দিন...


তথ্য খুজুন: যেমন মায়িদা x
সুরা লিস্ট দেখুন

সূরা নাম (Sura Name): �������� �������������� -- Al-Waqi'a -- ������-���������������������
Arabic Font Size:
আয়ত নাম্বার বায়ান ফাউন্ডেশন মুজিবুর রহমান তাইসীরুল কুরআন আরবি
1 যখন কিয়ামত সংঘটিত হবে। যখন কিয়ামাত সংঘটিত হবে – যখন সেই অবশ্যম্ভাবী ঘটনাটি ঘটবে, اِذَا وَقَعَتِ الْوَاقِعَةُۙ﴿١ ﴾
2 তার সংঘটনের কোনই অস্বীকারকারী থাকবে না। তখন সংঘটন অস্বীকার করার কেহ থাকবেনা। তখন তার সংঘটন অস্বীকার করার কেউ থাকবে না, لَیْسَ لِوَقْعَتِهَا كَاذِبَةٌۘ﴿٢ ﴾
3 তা কাউকে ভূলুণ্ঠিত করবে এবং কাউকে করবে সমুন্নত। এটা কেহকে করবে নীচ, কেহকে করবে সমুন্নত; (অনেককে করা হবে) নীচু, (অনেককে করা হবে) উঁচু, خَافِضَةٌ رَّافِعَةٌۙ﴿٣ ﴾
4 যখন যমীন প্রকম্পিত হবে প্রবল প্রকম্পনে। যখন প্রবল কম্পনে প্রকম্পিত হবে পৃথিবী – যখন পৃথিবী প্রবল কম্পনে হবে প্রকম্পিত, اِذَا رُجَّتِ الْاَرْضُ رَجًّاۙ﴿٤ ﴾
5 আর পর্বতমালা চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে পড়বে। এবং পবর্তমালা চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে পড়বে। আর পাহাড়গুলো হবে চূর্ণ বিচূর্ণ, وَّ بُسَّتِ الْجِبَالُ بَسًّاۙ﴿٥ ﴾
6 অতঃপর তা বিক্ষিপ্ত ধূলিকণায় পরিণত হবে। ফলে ওটা পর্যবসিত হবে উৎক্ষিপ্ত ধূলিকণায় – তখন তা বিক্ষিপ্ত ধূলিকণায় পরিণত হবে। فَكَانَتْ هَبَآءً مُّنْۢبَثًّاۙ﴿٦ ﴾
7 আর তোমরা বিভক্ত হয়ে পড়বে তিন দলে। এবং তোমরা বিভক্ত হয়ে পড়বে তিন শ্রেণীতে। আর তোমরা হবে তিন অংশে বিভক্ত, وَّ كُنْتُمْ اَزْوَاجًا ثَلٰثَةًؕ﴿٧ ﴾
8 সুতরাং ডান পার্শ্বের দল, ডান পার্শ্বের দলটি কত সৌভাগ্যবান! ডান দিকের দল! কত ভাগ্যবান ডান দিকের দল। তখন (হবে) ডান দিকের একটি দল; কত ভাগ্যবান ডান দিকের দল। فَاَصْحٰبُ الْمَیْمَنَةِ ۙ۬ مَاۤ اَصْحٰبُ الْمَیْمَنَةِؕ﴿٨ ﴾
9 আর বাম পার্শ্বের দল, বাম পার্শ্বের দলটি কত হতভাগ্য! এবং বাম দিকের দল! কত হতভাগা বাম দিকের দল! আর বাম দিকের একটি দল; কত দুর্ভাগা বাম দিকের দলটি। وَ اَصْحٰبُ الْمَشْـَٔمَةِ ۙ۬ مَاۤ اَصْحٰبُ الْمَشْـَٔمَةِؕ﴿٩ ﴾
10 আর অগ্রগামীরাই অগ্রগামী। আর অগ্রবর্তীগণইতো অগ্রবর্তী। আর (ঈমানে) অগ্রবর্তীরা তো (পরকালেও) অগ্রবর্তী, وَ السّٰبِقُوْنَ السّٰبِقُوْنَۚۙ﴿١٠ ﴾
11 তারাই সান্নিধ্যপ্রাপ্ত। তারাই নৈকট্য প্রাপ্ত – তারাই (আল্লাহর) নৈকট্যপ্রাপ্ত اُولٰٓىِٕكَ الْمُقَرَّبُوْنَۚ﴿١١ ﴾
12 তারা থাকবে নিআমতপূর্ণ জান্নাতসমূহে । সুখ উদ্যানের। (তারা থাকবে) নি‘মাতে পরিপূর্ণ জান্নাতে। فِیْ جَنّٰتِ النَّعِیْمِ﴿١٢ ﴾
13 বহুসংখ্যক হবে পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে, বহু সংখ্যক হবে পূর্ববর্তীদের মধ্য হতে; পূর্ববর্তীদের মধ্য হতে বহু সংখ্যক। ثُلَّةٌ مِّنَ الْاَوَّلِیْنَۙ﴿١٣ ﴾
14 আর অল্পসংখ্যক হবে পরবর্তীদের মধ্য থেকে। এবং অল্প সংখ্যক হবে পরবর্তীদের মধ্য হতে, আর পরবর্তীদের মধ্য হতে কম সংখ্যক। وَ قَلِیْلٌ مِّنَ الْاٰخِرِیْنَؕ﴿١٤ ﴾
15 স্বর্ণ ও দামী পাথরখচিত আসনে! স্বর্ণ খচিত আসনে – (তারা থাকবে) মণিমুক্তা খচিত আসনে, عَلٰی سُرُرٍ مَّوْضُوْنَةٍۙ﴿١٥ ﴾
16 তারা সেখানে হেলান দিয়ে আসীন থাকবে মুখোমুখি অবস্থায়। তারা হেলান দিয়ে বসবে, পরস্পর মুখোমুখী হয়ে। তাতে তারা হেলান দিয়ে বসবে পরস্পর মুখোমুখী হয়ে। مُّتَّكِـِٕیْنَ عَلَیْهَا مُتَقٰبِلِیْنَ﴿١٦ ﴾
17 তাদের আশ-পাশে ঘোরাফেরা করবে চির কিশোররা, তাদের সেবায় ঘোরাফিরা করবে চির কিশোরেরা – তাদের চারপাশে ঘুর ঘুর করবে (সেবায় নিয়োজিত) চির কিশোররা। یَطُوْفُ عَلَیْهِمْ وِلْدَانٌ مُّخَلَّدُوْنَۙ﴿١٧ ﴾
18 পানপাত্র, জগ ও প্রবাহিত ঝর্ণার শরাবপূর্ণ পেয়ালা নিয়ে, পান-পাত্র, কুজা ও প্রস্রবন নিঃসৃত সুরাপূর্ণ পেয়ালা নিয়ে। পানপাত্র, কেটলি আর ঝর্ণার প্রবাহিত স্বচ্ছ সুরায় ভরা পেয়ালা নিয়ে, بِاَكْوَابٍ وَّ اَبَارِیْقَ ۙ۬ وَ كَاْسٍ مِّنْ مَّعِیْنٍۙ﴿١٨ ﴾
19 তা পানে না তাদের মাথা ব্যথা করবে, আর না তারা মাতাল হবে। সেই সুরা পানে তাদের শিরঃপীড়া হবেনা, তারা জ্ঞানহারাও হবেনা। তা পান করলে মাথা ঘুরবে না, জ্ঞানও লোপ পাবে না لَّا یُصَدَّعُوْنَ عَنْهَا وَ لَا یُنْزِفُوْنَۙ﴿١٩ ﴾
20 আর (ঘোরাফেরা করবে) তাদের পছন্দমত ফল নিয়ে। এবং তাদের পছন্দ মত ফলমূল – আর নানান ফলমূল, ইচ্ছেমত যেটা তারা বেছে নেবে, وَ فَاكِهَةٍ مِّمَّا یَتَخَیَّرُوْنَۙ﴿٢٠ ﴾
21 আর পাখির গোশ্‌ত নিয়ে, যা তারা কামনা করবে। আর তাদের ঈস্পিত পাখীর গোশত দিয়ে; আর পাখীর গোশত যেটা তাদের মনে চাইবে, وَ لَحْمِ طَیْرٍ مِّمَّا یَشْتَهُوْنَؕ﴿٢١ ﴾
22 আর থাকবে ডাগরচোখা হূর, আর তাদের জন্য থাকবে আয়তলোচনা হুর – আর (সেখানে থাকবে) ডাগর ডাগর উজ্জ্বল সুন্দর চোখওয়ালা সুন্দরীরা, وَ حُوْرٌ عِیْنٌۙ﴿٢٢ ﴾
23 যেন তারা সুরক্ষিত মুক্তা, সুরক্ষিত মুক্তা সদৃশ – সযত্নে লুকিয়ে রাখা মুক্তোর মত, كَاَمْثَالِ اللُّؤْلُؤِ الْمَكْنُوْنِۚ﴿٢٣ ﴾
24 তারা যে আমল করত তার প্রতিদানস্বরূপ। তাদের কর্মের পুরস্কার স্বরূপ। তাদের কর্মের প্রতিদান হিসেবে! جَزَآءًۢ بِمَا كَانُوْا یَعْمَلُوْنَ﴿٢٤ ﴾
25 তারা সেখানে শুনতে পাবে না কোন বেহুদা কথা, এবং না পাপের কথা; সেখানে তারা শুনবেনা কোন অসার অথবা পাপ বাক্য, সেখানে তারা শুনবে না কোন অনর্থক কথাবার্তা, আর পাপের বুলি, لَا یَسْمَعُوْنَ فِیْهَا لَغْوًا وَّ لَا تَاْثِیْمًاۙ﴿٢٥ ﴾
26 শুধু এই বাণী ছাড়া, ‘সালাম, সালাম’ ‘সালাম’ আর ‘সালাম’ বাণী ব্যতীত। এমন কথা ছাড়া যা হবে শান্তিময়, নিরাপদ, اِلَّا قِیْلًا سَلٰمًا سَلٰمًا﴿٢٦ ﴾
27 আর ডান দিকের দল; কত ভাগ্যবান ডান দিকের দল! আর ডান দিকের দল! কত ভাগ্যবান ডান দিকের দল! আর ডানদিকের দল, কত ভাগ্যবান ডান দিকের দল! وَ اَصْحٰبُ الْیَمِیْنِ ۙ۬ مَاۤ اَصْحٰبُ الْیَمِیْنِؕ﴿٢٧ ﴾
28 তারা থাকবে কাঁটাবিহীন কুলগাছের নিচে, তারা থাকবে এক উদ্যানে, সেখানে আছে কন্টকহীন কুল বৃক্ষ, তারা থাকবে কাঁটা বিহীন বরই গাছগুলোর মাঝে, فِیْ سِدْرٍ مَّخْضُوْدٍۙ﴿٢٨ ﴾
29 আর কাঁদিপূর্ণ কলাগাছের নিচে, কাঁদি ভরা কদলী বৃক্ষ, কলা গাছের মাঝে যাতে আছে থরে থরে সাজানো কলা, وَّ طَلْحٍ مَّنْضُوْدٍۙ﴿٢٩ ﴾
30 আর বিস্তৃত ছায়ায়, সম্প্রসারিত ছায়া, বিস্তীর্ণ অঞ্চল-জুড়া ছায়ায়, وَّ ظِلٍّ مَّمْدُوْدٍۙ﴿٣٠ ﴾
31 আর সদা প্রবাহিত পানির পাশে, সদ্য প্রবাহমান পানি, অবিরাম প্রবহমান পানির ধারে, وَّ مَآءٍ مَّسْكُوْبٍۙ﴿٣١ ﴾
32 আর প্রচুর ফলমূলে, ও প্রচুর ফলমূল – আর পর্যাপ্ত ফলমূল পরিবেষ্টিত হয়ে, وَّ فَاكِهَةٍ كَثِیْرَةٍۙ﴿٣٢ ﴾
33 যা শেষ হবে না এবং নিষিদ্ধও হবে না। যা শেষ হবেনা এবং যা নিষিদ্ধও হবেনা, যা কখনও শেষ হবে না, কক্ষনো নিষিদ্ধও হবে না। لَّا مَقْطُوْعَةٍ وَّ لَا مَمْنُوْعَةٍۙ﴿٣٣ ﴾
34 (তারা থাকবে) সুউচ্চ শয্যাসমূহে; আর সমুচ্চ শয্যাসমূহ। আর উঁচু উঁচু বিছানায়। وَّ فُرُشٍ مَّرْفُوْعَةٍؕ﴿٣٤ ﴾
35 নিশ্চয় আমি হূরদেরকে বিশেষভাবে সৃষ্টি করব। তাদের জন্য আমি করেছি বিশেষ সৃষ্টি। তাদেরকে (অর্থাৎ ঐ হুরদেরকে) আমি সৃষ্টি করেছি এক অভিনব সৃষ্টিতে, اِنَّاۤ اَنْشَاْنٰهُنَّ اِنْشَآءًۙ﴿٣٥ ﴾
36 অতঃপর তাদেরকে বানাব কুমারী, তাদেরকে করেছি কুমারী, আর তাদেরকে করেছি কুমারী, فَجَعَلْنٰهُنَّ اَبْكَارًاۙ﴿٣٦ ﴾
37 সোহাগিনী ও সমবয়সী। সোহাগিনী ও সমবয়স্কা – স্বামী ভক্তা, অনুরক্তা আর সমবয়স্কা, عُرُبًا اَتْرَابًاۙ﴿٣٧ ﴾
38 ডানদিকের লোকদের জন্য। (এ সবই) ডান দিকের লোকদের জন্য। (এ সব হল) ডান দিকের লোকদের জন্য, لِّاَصْحٰبِ الْیَمِیْنِ ؕ۠﴿٣٨ ﴾
39 তাদের অনেকে হবে পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে। তাদের অনেকে হবে পূর্ববর্তীদের মধ্য হতে। (যারা হবে) পূর্ববর্তীদের মধ্য হতে বহু সংখ্যক ثُلَّةٌ مِّنَ الْاَوَّلِیْنَۙ﴿٣٩ ﴾
40 আর অনেকে হবে পরবর্তীদের মধ্য থেকে। এবং অনেকে হবে পরবর্তীদের মধ্য হতে। আর পরবর্তীদের মধ্য থেকে বহুসংখ্যক وَ ثُلَّةٌ مِّنَ الْاٰخِرِیْنَؕ﴿٤٠ ﴾
41 আর বাম দিকের দল, কত হতভাগ্য বাম দিকের দল! আর বাম দিকের দল, কত হতভাগা বাম দিকের দল! আর বাম দিকের দল, কত হতভাগ্য বামদিকের দল! وَ اَصْحٰبُ الشِّمَالِ ۙ۬ مَاۤ اَصْحٰبُ الشِّمَالِؕ﴿٤١ ﴾
42 তারা থাকবে তীব্র গরম হাওয়া এবং প্রচন্ড উত্তপ্ত পানিতে, তারা থাকবে অত্যুষ্ণ বায়ু ও উত্তপ্ত পানিতে, (তারা থাকবে) অত্যধিক গরম হাওয়া, ফুটন্ত পানি فِیْ سَمُوْمٍ وَّ حَمِیْمٍۙ﴿٤٢ ﴾
43 আর প্রচন্ড কালো ধোঁয়ার ছায়ায়, কৃষ্ণ বর্ণ ধুম্রের ছায়ায়, আর কালো ধোঁয়ার ছায়ায়, وَّ ظِلٍّ مِّنْ یَّحْمُوْمٍۙ﴿٤٣ ﴾
44 যা শীতলও নয়, সুখকরও নয়। যা শীতলও নয়, আরামদায়কও নয়। যা শীতলও নয়, তৃপ্তিদায়কও নয়। لَّا بَارِدٍ وَّ لَا كَرِیْمٍ﴿٤٤ ﴾
45 নিশ্চয় তারা ইতঃপূর্বে বিলাসিতায় মগ্ন ছিল, ইতোপূর্বে তারাতো মগ্ন ছিল ভোগ বিলাসে। ইতোপূর্বে তারা ভোগ বিলাসে মত্ত ছিল, اِنَّهُمْ كَانُوْا قَبْلَ ذٰلِكَ مُتْرَفِیْنَۚۖ﴿٤٥ ﴾
46 আর তারা জঘন্য পাপে লেগে থাকত। এবং তারা অবিরাম লিপ্ত ছিল ঘোরতর পাপ কর্মে। আর অবিরাম ক’রে যেত বড় বড় পাপের কাজ, وَ كَانُوْا یُصِرُّوْنَ عَلَی الْحِنْثِ الْعَظِیْمِۚ﴿٤٦ ﴾
47 আর তারা বলত, ‘আমরা যখন মরে যাব এবং মাটি ও হাড়ে পরিণত হব তখনও কি আমরা পুনরুত্থিত হব?’ তারা বলতঃ মরে অস্থি ও মৃত্তিকায় পরিণত হলেও কি পুনরুত্থিত হব আমরা? আর তারা বলত- ‘আমরা যখন মরে যাব আর মাটি ও হাড়ে পরিণত হব, তখন কি আমাদেরকে (নতুন জীবন দিয়ে) আবার উঠানো হবে? وَ كَانُوْا یَقُوْلُوْنَ ۙ۬ اَىِٕذَا مِتْنَا وَ كُنَّا تُرَابًا وَّ عِظَامًا ءَاِنَّا لَمَبْعُوْثُوْنَۙ﴿٤٧ ﴾
48 ‘আমাদের পূর্ববর্তী পিতৃপুরুষরাও?’ এবং আমাদের পূর্বপুরুষরাও? আর আমাদের বাপদাদাদেরকেও? اَوَ اٰبَآؤُنَا الْاَوَّلُوْنَ﴿٤٨ ﴾
49 বল, ‘নিশ্চয় পূর্ববর্তীরা ও পরবর্তীরা, বলঃ অবশ্যই পূর্ববতী ও পরবর্তীদের – বল- ‘পূর্ববর্তী আর পরবর্তী قُلْ اِنَّ الْاَوَّلِیْنَ وَ الْاٰخِرِیْنَۙ﴿٤٩ ﴾
50 এক নির্ধারিত দিনের নির্দিষ্ট সময়ে অবশ্যই একত্র হবে’। সকলকে একত্রিত করা হবে এক নির্ধারিত দিনের নির্ধারিত সময়ে। অবশ্যই সকলকে একত্রিত করা হবে একটা নির্ধারিত দিনে যা (আল্লাহর) জানা আছে। لَمَجْمُوْعُوْنَ ۙ۬ اِلٰی مِیْقَاتِ یَوْمٍ مَّعْلُوْمٍ﴿٥٠ ﴾
51 তারপর হে পথভ্রষ্ট ও অস্বীকারকারীরা, অতঃপর হে বিভ্রান্ত মিথ্যা আরোপকারীরা! তখন হে গুমরাহ (সত্য) প্রত্যাখ্যানকারীরা! ثُمَّ اِنَّكُمْ اَیُّهَا الضَّآلُّوْنَ الْمُكَذِّبُوْنَۙ﴿٥١ ﴾
52 তোমরা অবশ্যই যাক্কূম গাছ থেকে খাবে, তোমরা অবশ্যই আহার করবে যাক্কুম বৃক্ষ হতে, তোমরা অবশ্যই জাক্কুম গাছ থেকে আহার করবে, لَاٰكِلُوْنَ مِنْ شَجَرٍ مِّنْ زَقُّوْمٍۙ﴿٥٢ ﴾
53 অতঃপর তা দিয়ে পেট ভর্তি করবে। এবং ওটা দ্বারা তোমরা উদর পূর্ণ করবে, তা দিয়ে তোমরা তোমাদের পেট ভর্তি করবে, فَمَالِـُٔوْنَ مِنْهَا الْبُطُوْنَۚ﴿٥٣ ﴾
54 তদুপরি পান করবে প্রচন্ড উত্তপ্ত পানি। তারপর তোমরা পান করবে অত্যুষ্ণ পানি – আর তার উপর পান করবে ফুটন্ত পানি, فَشٰرِبُوْنَ عَلَیْهِ مِنَ الْحَمِیْمِۚ﴿٥٤ ﴾
55 অতঃপর তোমরা তা পান করবে তৃষ্ণাতুর উটের ন্যায়। পান করবে তৃষ্ণার্ত উষ্ট্রের ন্যায়। আর তা পান করবে পিপাসা-কাতর উটের মত فَشٰرِبُوْنَ شُرْبَ الْهِیْمِؕ﴿٥٥ ﴾
56 প্রতিফল দিবসে এই হবে তাদের মেহমানদারী, কিয়ামাত দিবসে ওটাই হবে তাদের আপ্যায়ন। প্রতিফল দেয়ার দিনে এই হবে তাদের আপ্যায়ন هٰذَا نُزُلُهُمْ یَوْمَ الدِّیْنِؕ﴿٥٦ ﴾
57 আমিই তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি: তাহলে কেন তোমরা তা বিশ্বাস করছ না? আমিই তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি, তাহলে কেন তোমরা বিশ্বাস করছনা? আমিই তো তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি, তাহলে তোমরা সত্যকে বিশ্বাস করবে না কেন? نَحْنُ خَلَقْنٰكُمْ فَلَوْ لَا تُصَدِّقُوْنَ﴿٥٧ ﴾
58 তোমরা কি ভেবে দেখেছ, তোমরা যে বীর্যপাত করছ সে সম্পর্কে? তোমরা কি ভেবে দেখেছ তোমাদের বীর্যপাত সম্বন্ধে? তোমরা কি ভেবে দেখেছ- তোমরা যে বীর্য নিক্ষেপ কর, اَفَرَءَیْتُمْ مَّا تُمْنُوْنَؕ﴿٥٨ ﴾
59 তা কি তোমরা সৃষ্টি কর, না আমিই তার স্রষ্টা? ওটা কি তোমরা সৃষ্টি কর, না আমি সৃষ্টি করি? তা কি তোমরা সৃষ্টি কর, না তার সৃষ্টিকর্তা আমিই। ءَاَنْتُمْ تَخْلُقُوْنَهٗۤ اَمْ نَحْنُ الْخٰلِقُوْنَ﴿٥٩ ﴾
60 আমি তোমাদের মধ্যে মৃত্যু নির্ধারণ করেছি এবং আমাকে অক্ষম করা যাবে না, আমি তোমাদের জন্য মৃত্যু নির্ধারিত করেছি এবং আমি অক্ষম নই – তোমাদের মধ্যে মৃত্যু আমিই নির্ধারণ করি, আর আমি কিছুমাত্র অক্ষম নই نَحْنُ قَدَّرْنَا بَیْنَكُمُ الْمَوْتَ وَ مَا نَحْنُ بِمَسْبُوْقِیْنَۙ﴿٦٠ ﴾
61 তোমাদের স্থানে তোমাদের বিকল্প আনয়ন করতে এবং তোমাদেরকে এমনভাবে সৃষ্টি করতে যা তোমরা জান না। তোমাদের স্থলে তোমাদের সদৃশ আনয়ন করতে এবং তোমাদেরকে এমন এক আকৃতি দান করতে যা তোমরা জাননা। তোমাদের আকার আকৃতি পরিবর্তন করতে আর তোমাদেরকে (নতুনভাবে) এমন এক আকৃতিতে সৃষ্টি করতে যা তোমরা জান না। عَلٰۤی اَنْ نُّبَدِّلَ اَمْثَالَكُمْ وَ نُنْشِئَكُمْ فِیْ مَا لَا تَعْلَمُوْنَ﴿٦١ ﴾
62 আর তোমরা তো প্রথম সৃষ্টি সম্পর্কে জেনেছ, তবে কেন তোমরা উপদেশ গ্রহণ করছ না? তোমরাতো অবগত হয়েছ প্রথম সৃষ্টি সম্বন্ধে, তাহলে তোমরা অনুধাবন করনা কেন? তোমরা তোমাদের প্রথম সৃষ্টি সম্বন্ধে অবশ্যই জান তাহলে (আল্লাহ যে তোমাদেরকে পুনরায় সৃষ্টি করতে সক্ষম এ কথা) তোমরা অনুধাবন কর না কেন? وَ لَقَدْ عَلِمْتُمُ النَّشْاَةَ الْاُوْلٰی فَلَوْ لَا تَذَكَّرُوْنَ﴿٦٢ ﴾
63 তোমরা আমাকে বল, তোমরা যমীনে যা বপন কর সে ব্যাপারে, তোমরা যে বীজ বপন কর সে সম্পর্কে চিন্তা করেছ কি? তোমরা কি ভেবে দেখেছ তোমরা যে বীজ বপন কর সে সম্পর্কে? اَفَرَءَیْتُمْ مَّا تَحْرُثُوْنَؕ﴿٦٣ ﴾
64 তোমরা তা অঙ্কুরিত কর, না আমি অঙ্কুরিত করি? তোমরা কি ওকে অংকুরিত কর, না আমি অংকুরিত করি? তোমরাই কি তা উৎপন্ন কর, না আমিই উৎপন্নকারী? ءَاَنْتُمْ تَزْرَعُوْنَهٗۤ اَمْ نَحْنُ الزّٰرِعُوْنَ﴿٦٤ ﴾
65 আমি চাইলে তা খড়-কুটায় পরিণত করতে পারি, তখন তোমরা পরিতাপ করতে থাকবে- আমি ইচ্ছা করলে একে খড়-কুটায় পরিণত করতে পারি, তখন হতবুদ্ধি হয়ে পড়বে তোমরা। আমি ইচ্ছে করলে তাকে অবশ্যই খড়কুটা করে দিতে পারি, তখন তোমরা হয়ে যাবে বিস্ময়ে হতবাক। لَوْ نَشَآءُ لَجَعَلْنٰهُ حُطَامًا فَظَلْتُمْ تَفَكَّهُوْنَ﴿٦٥ ﴾
66 (এই বলে,) ‘নিশ্চয় আমরা দায়গ্রস্ত হয়ে গেলাম’। বলবেঃ আমাদেরতো সর্বনাশ হয়েছে! (আর বলবে যে) ‘আমরা তো দায়গ্রস্ত হয়ে পড়লাম, اِنَّا لَمُغْرَمُوْنَۙ﴿٦٦ ﴾
67 ‘বরং আমরা মাহরূম হয়েছি’। আমরা হৃত সর্বস্ব হয়ে পড়েছি। বরং আমরা বঞ্চিত হয়ে গেলাম। بَلْ نَحْنُ مَحْرُوْمُوْنَ﴿٦٧ ﴾
68 তোমরা যে পানি পান কর সে ব্যাপারে আমাকে বল। তোমরা যে পানি পান কর সেই সম্পর্কে তোমরা ভেবে দেখেছ কি? তোমরা কি পানি সম্পর্কে চিন্তা করে দেখেছ যা তোমরা পান কর? اَفَرَءَیْتُمُ الْمَآءَ الَّذِیْ تَشْرَبُوْنَؕ﴿٦٨ ﴾
69 বৃষ্টিভরা মেঘ থেকে তোমরা কি তা বর্ষণ কর, না আমি বৃষ্টি বর্ষণকারী? তোমরাই কি ওটা মেঘ হতে নামিয়ে আন, না কি আমি ওটা বর্ষণ করি? তা কি তোমরাই মেঘ থেকে বর্ষণ কর, নাকি তার বষর্ণকারী আমিই? ءَاَنْتُمْ اَنْزَلْتُمُوْهُ مِنَ الْمُزْنِ اَمْ نَحْنُ الْمُنْزِلُوْنَ﴿٦٩ ﴾
70 ইচ্ছা করলে আমি তা লবণাক্ত করে দিতে পারি: তবুও কেন তোমরা কৃতজ্ঞ হও না? আমি ইচ্ছা করলে ওটা লবণাক্ত করে দিতে পারি। তবুও কি তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবেনা? আমি ইচ্ছে করলে তাকে লবণাক্ত করে দিতে পারি, তাহলে কেন তোমরা শোকর আদায় কর না? لَوْ نَشَآءُ جَعَلْنٰهُ اُجَاجًا فَلَوْ لَا تَشْكُرُوْنَ﴿٧٠ ﴾
71 তোমরা যে আগুন জ্বালাও সে ব্যাপারে আমাকে বল, তোমরা যে অগ্নি প্রজ্জ্বলিত কর তা লক্ষ্য করে দেখেছ কি? তোমরা যে আগুন জ্বালাও সে সম্পর্কে কি তোমরা চিন্তা করে দেখেছ? اَفَرَءَیْتُمُ النَّارَ الَّتِیْ تُوْرُوْنَؕ﴿٧١ ﴾
72 তোমরাই কি এর (লাকড়ির গাছ) উৎপাদন কর, না আমি করি? তোমরাই কি ওর বৃক্ষ সৃষ্টি কর, না আমি সৃষ্টি করি? তার (জ্বালানোর) গাছ (অর্থাৎ কাঠ) কি তোমরাই বানিয়েছ, নাকি আমিই বানিয়েছি? ءَاَنْتُمْ اَنْشَاْتُمْ شَجَرَتَهَاۤ اَمْ نَحْنُ الْمُنْشِـُٔوْنَ﴿٧٢ ﴾
73 একে আমি করেছি এক স্মারক ও মরুবাসীর প্রয়োজনীয় বস্তু। আমি একে করেছি নিদর্শন এবং মরুচারীদের প্রয়োজনীয় বস্তু। আমি তাকে (অর্থাৎ আগুনকে) করেছি স্মারক (যা জাহান্নামের আগুনের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়) আর মরুর অধিবাসীদের জন্য দরকারী ও আরামের বস্তু। نَحْنُ جَعَلْنٰهَا تَذْكِرَةً وَّ مَتَاعًا لِّلْمُقْوِیْنَۚ﴿٧٣ ﴾
74 অতএব তোমার মহান রবের নামে তাসবীহ পাঠ কর। সুতরাং তুমি তোমার মহান রবের নামের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর। কাজেই (হে নবী!) তুমি তোমার মহান প্রতিপালকের মহিমা ও গৌরব ঘোষণা কর। فَسَبِّحْ بِاسْمِ رَبِّكَ الْعَظِیْمِ۠﴿٧٤ ﴾
75 সুতরাং আমি কসম করছি নক্ষত্ররাজির অস্তাচলের, আমি শপথ করছি নক্ষত্র রাজির অস্তাচলের! উপরন্তু আমি শপথ করছি তারকারাজির অস্তাচলের। فَلَاۤ اُقْسِمُ بِمَوٰقِعِ النُّجُوْمِۙ﴿٧٥ ﴾
76 আর নিশ্চয় এটি এক মহাকসম, যদি তোমরা জানতে, অবশ্যই এটা এক মহা শপথ, যদি তোমরা জানতে। তা অবশ্যই অতি বড় শপথ যদি তোমরা জানতে! وَ اِنَّهٗ لَقَسَمٌ لَّوْ تَعْلَمُوْنَ عَظِیْمٌۙ﴿٧٦ ﴾
77 নিশ্চয় এটি মহিমান্বিত কুরআন, নিশ্চয়ই এটা সম্মানিত কুরআন – অবশ্যই তা সম্মানিত কুরআন, اِنَّهٗ لَقُرْاٰنٌ كَرِیْمٌۙ﴿٧٧ ﴾
78 যা আছে সুরক্ষিত কিতাবে, যা আছে সুরক্ষিত কিতাবে, (যা লিখিত আছে) সুরক্ষিত কিতাবে, فِیْ كِتٰبٍ مَّكْنُوْنٍۙ﴿٧٨ ﴾
79 কেউ তা স্পর্শ করবে না পবিত্রগণ ছাড়া। যারা পুতঃ পবিত্র তারা ব্যতীত অন্য কেহ তা স্পর্শ করেনা। পূত-পবিত্র (ফেরেশতা) ছাড়া (শয়ত্বানেরা) তা স্পর্শ করতে পারে না, لَّا یَمَسُّهٗۤ اِلَّا الْمُطَهَّرُوْنَؕ﴿٧٩ ﴾
80 তা সৃষ্টিকুলের রবের কাছ থেকে নাযিলকৃত। ইহা জগতসমূহের রবের নিকট হতে অবতীর্ণ। জগৎ সমূহের প্রতিপালকের নিকট থেকে অবতীর্ণ, تَنْزِیْلٌ مِّنْ رَّبِّ الْعٰلَمِیْنَ﴿٨٠ ﴾
81 তবে কি তোমরা এই বাণী তুচ্ছ গণ্য করছ? তবুও কি তোমরা এই বাণীকে তুচ্ছ গণ্য করবে? তবুও কি তোমরা এ বাণীকে তুচ্ছ মনে করছ? اَفَبِهٰذَا الْحَدِیْثِ اَنْتُمْ مُّدْهِنُوْنَۙ﴿٨١ ﴾
82 আর তোমরা তোমাদের রিয্ক বানিয়ে নিয়েছ যে, তোমরা মিথ্যা আরোপ করবে। এবং তোমরা মিথ্যারোপকেই তোমাদের উপজীব্য করে নিয়েছ! আর তাকে মিথ্যে বলাকেই তোমরা তোমাদের জীবিকা বানিয়ে নিয়েছ। وَ تَجْعَلُوْنَ رِزْقَكُمْ اَنَّكُمْ تُكَذِّبُوْنَ﴿٨٢ ﴾
83 সুতরাং কেন নয়- যখন রূহ কণ্ঠদেশে পৌঁছে যায়? পরন্তু কেন নয় - প্রাণ যখন কন্ঠাগত হয়, তাহলে কেন (তোমরা বাধা দাও না) যখন প্রাণ এসে যায় কণ্ঠনালীতে? فَلَوْ لَاۤ اِذَا بَلَغَتِ الْحُلْقُوْمَۙ﴿٨٣ ﴾
84 আর তখন তোমরা কেবল চেয়ে থাক। এবং তখন তোমরা তাকিয়ে থাক, আর তোমরা তাকিয়ে তাকিয়ে দেখ, وَ اَنْتُمْ حِیْنَىِٕذٍ تَنْظُرُوْنَۙ﴿٨٤ ﴾
85 আর তোমাদের চাইতে আমি তার খুব কাছে; কিন্তু তোমরা দেখতে পাও না। আর আমি তোমাদের অপেক্ষা তার নিকটতর, কিন্তু তোমরা দেখতে পাওনা। আর আমি তোমাদের চেয়ে তার (অর্থাৎ প্রাণের) নিকটবর্তী, কিন্তু তোমরা দেখতে পাওনা। وَ نَحْنُ اَقْرَبُ اِلَیْهِ مِنْكُمْ وَ لٰكِنْ لَّا تُبْصِرُوْنَ﴿٨٥ ﴾
86 তোমাদের যদি প্রতিফল দেয়া না হয়, তাহলে তোমরা কেন তোমরা যদি কর্তৃত্বাধীন না হও – তোমরা যদি (আমার) কর্তৃত্বের অধীন না হও فَلَوْ لَاۤ اِنْ كُنْتُمْ غَیْرَ مَدِیْنِیْنَۙ﴿٨٦ ﴾
87 ফিরিয়ে আনছ না রূহকে, যদি তোমরা সত্যবাদী হও? তাহলে তোমরা ওটা ফিরাওনা কেন? যদি তোমরা সত্যবাদী হও! তাহলে তোমরা তাকে (অর্থাৎ তোমাদের প্রাণকে মৃত্যুর সময়) ফিরিয়ে নাও না কেন যদি তোমরা (তোমাদের দাবীতে) সত্যবাদী হয়েই থাক? تَرْجِعُوْنَهَاۤ اِنْ كُنْتُمْ صٰدِقِیْنَ﴿٨٧ ﴾
88 অতঃপর সে যদি নৈকট্যপ্রাপ্তদের অন্যতম হয়, যদি সে নৈকট্য প্রাপ্তদের একজন হয় – অতএব সে যদি (আল্লাহর) নৈকট্য প্রাপ্তদের একজন হয় فَاَمَّاۤ اِنْ كَانَ مِنَ الْمُقَرَّبِیْنَۙ﴿٨٨ ﴾
89 তবে তার জন্য থাকবে বিশ্রাম, উত্তম জীবনোপকরণ ও সুখময় জান্নাত। তার জন্য রয়েছে আরাম, উত্তম জীবনোপকরণ ও সুখময় উদ্যান; তাহলে (তার জন্য আছে) আরাম-শান্তি, উত্তম রিযক আর নি‘মাতে-ভরা জান্নাত। فَرَوْحٌ وَّ رَیْحَانٌ ۙ۬ وَّ جَنَّتُ نَعِیْمٍ﴿٨٩ ﴾
90 আর সে যদি হয় ডানদিকের একজন, আর যদি সে ডান দিকের একজন হয় – আর যদি সে ডান দিকের একজন হয় وَ اَمَّاۤ اِنْ كَانَ مِنْ اَصْحٰبِ الْیَمِیْنِۙ﴿٩٠ ﴾
91 তবে (তাকে বলা হবে), ‘তোমাকে সালাম, যেহেতু তুমি ডানদিকের একজন’। তাকে বলা হবেঃ হে দক্ষিণ পার্শ্ববর্তী! তোমার প্রতি শান্তি। তাহলে হে ডানের বাসিন্দা! তোমার জন্য আছে শান্তি ও নিরাপত্তা। فَسَلٰمٌ لَّكَ مِنْ اَصْحٰبِ الْیَمِیْنِؕ﴿٩١ ﴾
92 আর সে যদি হয় অস্বীকারকারী ও পথভ্রষ্ট, কিন্তু সে যদি সত্য অস্বীকারকারী ও বিভ্রান্তদের অন্যতম হয় – আর সে যদি সত্য অস্বীকারকারী গুমরাহদের অন্তর্গত হয়, وَ اَمَّاۤ اِنْ كَانَ مِنَ الْمُكَذِّبِیْنَ الضَّآلِّیْنَۙ﴿٩٢ ﴾
93 তবে তার মেহমানদারী হবে প্রচন্ড উত্তপ্ত পানি দিয়ে, তাহলে রয়েছে আপ্যায়ন, অত্যুষ্ণ পানির দ্বারা – তবে তার আপ্যায়ন হবে ফুটন্ত পানি দিয়ে। فَنُزُلٌ مِّنْ حَمِیْمٍۙ﴿٩٣ ﴾
94 আর জ্বলন্ত আগুনে প্রজ্জ্বলনে। এবং দহন, জাহান্নামের। আর (তার জন্য আছে) জাহান্নামের আগুনের দহন, وَّ تَصْلِیَةُ جَحِیْمٍ﴿٩٤ ﴾
95 নিশ্চয় এটি অবধারিত সত্য। এটাতো ধ্রুব সত্য। এটা সুনিশ্চিত সত্য। اِنَّ هٰذَا لَهُوَ حَقُّ الْیَقِیْنِۚ﴿٩٥ ﴾
96 অতএব তোমার মহান রবের নামে তাসবীহ পাঠ কর। অতএব তুমি তোমার মহান রবের নামের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর। কাজেই তুমি তোমার মহান প্রতিপালকের গৌরব ও মহিমা ঘোষণা কর। فَسَبِّحْ بِاسْمِ رَبِّكَ الْعَظِیْمِ۠﴿٩٦ ﴾