۞ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ ۞
অনুবাদকে টিক দিন        


সমগ্র কুরআনে সার্চ করার জন্য আরবি অথবা বাংলা শব্দ দিন...


তথ্য খুজুন: যেমন মায়িদা x
সুরা লিস্ট দেখুন

সূরা নাম (Sura Name): �������� ������������ -- Al-Haqqa -- ������-���������������������
Arabic Font Size:
আয়ত নাম্বার বায়ান ফাউন্ডেশন মুজিবুর রহমান তাইসীরুল কুরআন আরবি
1 অবশ্যম্ভাবী ঘটনা (কিয়ামত)। সেই অবশ্যম্ভাবী ঘটনা। নিশ্চিত সংঘটিতব্য বিষয়, اَلْحَآقَّةُۙ﴿١ ﴾
2 অবশ্যম্ভাবী ঘটনা কী? কি সেই অবশ্যম্ভাবী ঘটনা? কী সেই নিশ্চিত সংঘটিতব্য বিষয়? مَا الْحَآقَّةُۚ﴿٢ ﴾
3 আর কিসে তোমাকে জানাবে অবশ্যম্ভাবী ঘটনা কী? কিসে তোমাকে জানাবে সেই অবশ্যম্ভাবী ঘটনা কি? আর তুমি কি জান কী সেই নিশ্চিত সংঘটিতব্য বিষয়? وَ مَاۤ اَدْرٰىكَ مَا الْحَآقَّةُؕ﴿٣ ﴾
4 সামূদ ও ‘আদ সম্প্রদায় সজোরে আঘাতকারী (কিয়ামত)কে অস্বীকার করেছিল। ‘‘আদ ও সামূদ’’ সম্প্রদায় অস্বীকার করেছিল মহাপ্রলয়। ‘আদ ও সামূদ জাতি সেই আকস্মিকভাবে সংঘটিতব্য মহাবিপদকে মিথ্যে বলেছিল। كَذَّبَتْ ثَمُوْدُ وَ عَادٌۢ بِالْقَارِعَةِ﴿٤ ﴾
5 আর সামূদ সম্প্রদায়, তাদেরকে বিকট শব্দ দ্বারা ধ্বংস করা হয়েছিল। আর সামূদ সম্প্রদায় - তাদেরকে ধ্বংস করা হয়েছিল এক প্রলয়ংকর বিপর্যয় দ্বারা। অতঃপর সামূদ জাতিকে ধ্বংস করা হয়েছিল এক প্রলয়ংকর বিপর্যয় দিয়ে। فَاَمَّا ثَمُوْدُ فَاُهْلِكُوْا بِالطَّاغِیَةِ﴿٥ ﴾
6 আর ‘আদ সম্প্রদায়, তাদেরকে ধ্বংস করা হয়েছিল প্রচন্ড ঠান্ডা ঝঞ্ঝাবায়ু দ্বারা। আর ‘আদ’ সম্প্রদায় - তাদেরকে ধ্বংস করা হয়েছিল এক প্রচন্ড ঝঞ্ঝাবায়ু দ্বারা। আর ‘আদকে ধ্বংস করা হয়েছিল এক প্রচন্ড ঝড়ো হাওয়া দিয়ে। وَ اَمَّا عَادٌ فَاُهْلِكُوْا بِرِیْحٍ صَرْصَرٍ عَاتِیَةٍۙ﴿٦ ﴾
7 তিনি তাদের উপর তা সাত রাত ও আট দিন বিরামহীনভাবে চাপিয়ে দিয়েছিলেন। ফলে তুমি উক্ত সম্প্রদায়কে সেখানে লুটিয়ে পড়া অবস্থায় দেখতে পেতে যেন তারা সারশূন্য খেজুর গাছের মত। যা তিনি তাদের উপর প্রবাহিত করেছিলেন সাত রাত ও আট দিন বিরামহীনভাবে; তুমি যদি তখন উক্ত সম্প্রদায়কে দেখতে তাহলে দেখতে পেতে যে, তারা সেখানে লুটিয়ে পড়ে আছে বিক্ষিপ্ত অসার খেজুর কান্ডের ন্যায়। যা তাদের উপর প্রবাহিত হয়েছিল সাত রাত আট দিন বিরামহীনভাবে, তুমি দেখতে তারা পড়ে আছে ইতস্তত বিক্ষিপ্ত, যেন তারা পুরাতন শুকনো খেজুর গাছের কান্ড। سَخَّرَهَا عَلَیْهِمْ سَبْعَ لَیَالٍ وَّ ثَمٰنِیَةَ اَیَّامٍ ۙ حُسُوْمًا ۙ فَتَرَی الْقَوْمَ فِیْهَا صَرْعٰی ۙ كَاَنَّهُمْ اَعْجَازُ نَخْلٍ خَاوِیَةٍۚ﴿٧ ﴾
8 তারপর তুমি কি তাদের জন্য কোন অবশিষ্ট কিছু দেখতে পাও? তুমি তাদের কোনো অস্তিত্ব দেখতে পাও কি? তুমি তাদের কাউকে রক্ষা পেয়ে বেঁচে থাকতে দেখছ কি? فَهَلْ تَرٰی لَهُمْ مِّنْۢ بَاقِیَةٍ﴿٨ ﴾
9 আর ফির‘আউন, তার পূর্ববর্তীরা এবং উল্টে দেয়া জনপদবাসীরা পাপাচারে লিপ্ত হয়েছিল। ফির‘আউন, তার পূর্ববর্তীরা এবং লূত সম্প্রদায় পাপাচারে লিপ্ত ছিল। ফেরাউন আর তার পূর্ববর্তীরা আর উল্টে দেয়া জনপদবাসীরা গুরুতর পাপে লিপ্ত ছিল। وَ جَآءَ فِرْعَوْنُ وَ مَنْ قَبْلَهٗ وَ الْمُؤْتَفِكٰتُ بِالْخَاطِئَةِۚ﴿٩ ﴾
10 আর তারা তাদের রবের রাসূলকে অমান্য করেছিল। সুতরাং তিনি তাদেরকে অত্যন্ত কঠোরভাবে পাকড়াও করলেন। তারা তাদের রবের রাসূলকে অমান্য করেছিল, ফলে তিনি তাদেরকে শাস্তি দেন, কঠোর সেই শাস্তি! তারা তাদের প্রতিপালকের রসূলকে অমান্য করেছিল, তখন তিনি তাদেরকে পাকড়াও করলেন- অত্যন্ত কঠিন পাকড়াও। فَعَصَوْا رَسُوْلَ رَبِّهِمْ فَاَخَذَهُمْ اَخْذَةً رَّابِیَةً﴿١٠ ﴾
11 যখন জলোচ্ছ্বাস হল, অবশ্যই তখন আমি তোমাদেরকে নৌযানে আরোহণ করিয়েছি। যখন প্লাবন হয়েছিল তখন আমি তোমাদেরকে (মানব জাতিকে) আরোহণ করিয়েছিলাম নৌযানে। (নূহের বানের) পানি যখন কূল ছাপিয়ে সীমা ছাড়িয়ে গেল, তখন আমি তোমাদেরকে চলন্ত নৌযানে আরোহণ করালাম। اِنَّا لَمَّا طَغَا الْمَآءُ حَمَلْنٰكُمْ فِی الْجَارِیَةِۙ﴿١١ ﴾
12 একে তোমাদের নিমিত্তে উপদেশ বানানোর জন্য এবং সংরক্ষণকারী কান তা সংরক্ষণ করার জন্য। আমি উহা করেছিলাম তোমাদের শিক্ষার জন্য এবং এ জন্য যে, শ্রুতিধর কর্ণ ইহা সংরক্ষণ করে। যেন এ ঘটনাটিকে আমি তোমাদের জন্য শিক্ষাপ্রদ-স্মারক করে রাখি আর সংরক্ষণকারী কান তা সংরক্ষণ করে। لِنَجْعَلَهَا لَكُمْ تَذْكِرَةً وَّ تَعِیَهَاۤ اُذُنٌ وَّاعِیَةٌ﴿١٢ ﴾
13 অতঃপর যখন শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে- একটি মাত্র ফুঁক। যখন শিঙ্গায় ফুৎকার দেয়া হবে, একটি মাত্র ফুৎকার, অতঃপর যখন সিঙ্গায় ফুঁৎকার দেয়া হবে- মাত্র একটি ফুঁৎকার। فَاِذَا نُفِخَ فِی الصُّوْرِ نَفْخَةٌ وَّاحِدَةٌۙ﴿١٣ ﴾
14 আর যমীন ও পর্বতমালাকে সরিয়ে নেয়া হবে এবং মাত্র একটি আঘাতে এগুলো চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাবে। পর্বতমালা সমেত পৃথিবী উৎক্ষিপ্ত হবে এবং একই ধাক্কায় তারা চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে যাবে। পৃথিবী আর পর্বতমালা উৎক্ষিপ্ত হবে আর একই আঘাতে তাদেরকে চূর্ণ বিচূর্ণ করা হবে। وَّ حُمِلَتِ الْاَرْضُ وَ الْجِبَالُ فَدُكَّتَا دَكَّةً وَّاحِدَةًۙ﴿١٤ ﴾
15 ফলে সে দিন মহাঘটনা সংঘটিত হবে। সেদিন সংঘটিত হবে মহা প্রলয়। সেদিন ঘটবে সেই সংঘটিতব্য (মহা) ঘটনা। فَیَوْمَىِٕذٍ وَّقَعَتِ الْوَاقِعَةُۙ﴿١٥ ﴾
16 আর আসমান বিদীর্ণ হয়ে যাবে। ফলে সেদিন তা হয়ে যাবে দুর্বল বিক্ষিপ্ত। এবং আকাশ বিদীর্ণ হয়ে বিক্ষিপ্ত হয়ে পড়বে। আকাশ হয়ে যাবে দীর্ণ বিদীর্ণ আর সেদিন তা হবে বাঁধন-হারা-বিক্ষিপ্ত। وَ انْشَقَّتِ السَّمَآءُ فَهِیَ یَوْمَىِٕذٍ وَّاهِیَةٌۙ﴿١٦ ﴾
17 ফেরেশতাগণ আসমানের বিভিন্ন প্রান্তে থাকবে। সেদিন তোমার রবের আরশকে আটজন ফেরেশতা তাদের উর্ধ্বে বহন করবে। মালাইকা/ফেরেশতারা আকাশের প্রান্তদেশে থাকবে এবং সেদিন আটজন মালাইকা/ফেরেশতা তাদের রবের ‘আরশকে ধারণ করবে তাদের উর্ধ্বে। ফেরেশতারা থাকবে আকাশের আশে পাশে। আটজন ফেরেশতা সেদিন তোমার প্রতিপালকের ‘আরশ নিজেদের ঊর্ধ্বে বহন করবে। وَّ الْمَلَكُ عَلٰۤی اَرْجَآىِٕهَا ؕ وَ یَحْمِلُ عَرْشَ رَبِّكَ فَوْقَهُمْ یَوْمَىِٕذٍ ثَمٰنِیَةٌؕ﴿١٧ ﴾
18 সেদিন তোমাদেরকে উপস্থিত করা হবে। তোমাদের কোন গোপনীয়তাই গোপন থাকবে না। সেই দিন উপস্থিত করা হবে তোমাদেরকে এবং তোমাদের কিছুই গোপন থাকবেনা। সেদিন তোমাদেরকে (বিচারের জন্য) হাজির করা হবে আর তোমাদের কোন কাজই- যা তোমরা গোপন কর- গোপন থাকবে না। یَوْمَىِٕذٍ تُعْرَضُوْنَ لَا تَخْفٰی مِنْكُمْ خَافِیَةٌ﴿١٨ ﴾
19 তখন যার আমলনামা তার ডান হাতে দেয়া হবে সে বলবে, ‘নাও, আমার আমলনামা পড়ে দেখ’। তখন যাকে তার ‘আমলনামা ডান হাতে দেয়া হবে সে বলবেঃ নাও, আমার ‘আমলনামা পাঠ করে দেখ। তখন যাকে তার ‘আমালনামা তার ডান হাতে দেয়া হবে সে বলবে, ‘এই যে আমার ‘আমালানামা পড়ে দেখ, فَاَمَّا مَنْ اُوْتِیَ كِتٰبَهٗ بِیَمِیْنِهٖ ۙ فَیَقُوْلُ هَآؤُمُ اقْرَءُوْا كِتٰبِیَهْۚ﴿١٩ ﴾
20 ‘আমার দৃঢ় বিশ্বাস ছিল যে, আমি আমার হিসাবের সম্মুখীন হব’। আমি জানতাম যে, আমাকে হিসাবের সম্মুখীন হতে হবে। আমি জানতাম যে, আমাকে আমার হিসাবের সম্মুখীন হতে হবে।’ اِنِّیْ ظَنَنْتُ اَنِّیْ مُلٰقٍ حِسَابِیَهْۚ﴿٢٠ ﴾
21 সুতরাং সে সন্তোষজনক জীবনে থাকবে। সুতরাং সে যাপন করবে সন্তোষজনক জীবন – অতঃপর সে আনন্দময় জীবন যাপন করবে, فَهُوَ فِیْ عِیْشَةٍ رَّاضِیَةٍۙ﴿٢١ ﴾
22 সুউচ্চ জান্নাতে, সুমহান জান্নাতে – উচ্চতম মর্যাদার জান্নাতে, فِیْ جَنَّةٍ عَالِیَةٍۙ﴿٢٢ ﴾
23 তার ফলসমূহ নিকটবর্তী থাকবে। যার ফলরাশি অবনমিত থাকবে নাগালের মধ্যে। তার ফলসমূহ (ঝুলে থাকবে) নীচে-নাগালের মধ্যে। قُطُوْفُهَا دَانِیَةٌ﴿٢٣ ﴾
24 (বলা হবে,) ‘বিগত দিনসমূহে তোমরা যা অগ্রে প্রেরণ করেছ তার বিনিময়ে তোমরা তৃপ্তি সহকারে খাও ও পান কর’। তাদেরকে বলা হবেঃ পানাহার কর তৃপ্তির সাথে, তোমরা অতীত দিনে যা করেছিলে তার বিনিময়ে। (তাদেরকে বলা হবে) পরিপূর্ণ তৃপ্তির সঙ্গে খাও এবং পান কর বিগত দিনে তোমরা যা (নেক ‘আমাল) করেছিলে তার প্রতিদান স্বরূপ। كُلُوْا وَ اشْرَبُوْا هَنِیْٓـًٔۢا بِمَاۤ اَسْلَفْتُمْ فِی الْاَیَّامِ الْخَالِیَةِ﴿٢٤ ﴾
25 কিন্তু যার আমলনামা তার বাম হাতে দেয়া হবে সে বলবে, ‘হায়, আমাকে যদি আমার আমলনামা দেয়া না হত’! কিন্তু যার ‘আমলনামা তার বাম হস্তে দেয়া হবে সে বলবেঃ ‘হায়! আমাকে যদি দেয়াই না হত আমার ‘আমলনামা! কিন্তু যার ‘আমালনামা বাম হাতে দেয়া হবে সে বলবে, ‘হায়! আমাকে যদি আমার ‘আমালনামা না দেয়া হত, وَ اَمَّا مَنْ اُوْتِیَ كِتٰبَهٗ بِشِمَالِهٖ ۙ۬ فَیَقُوْلُ یٰلَیْتَنِیْ لَمْ اُوْتَ كِتٰبِیَهْۚ﴿٢٥ ﴾
26 ‘আর যদি আমি না জানতাম আমার হিসাব’! এবং আমি যদি না জানতাম আমার হিসাব! আর আমার হিসাব কী তা যদি আমি না-ই জানতাম, وَ لَمْ اَدْرِ مَا حِسَابِیَهْۚ﴿٢٦ ﴾
27 ‘হায়, মৃত্যুই যদি আমার চূড়ান্ত ফয়সালা হত’! হায়! আমার মৃত্যুই যদি আমার শেষ হত! ‘হায়! (দুনিয়ার) মৃত্যুই যদি আমার শেষ (অবস্থা) হত! یٰلَیْتَهَا كَانَتِ الْقَاضِیَةَۚ﴿٢٧ ﴾
28 ‘আমার সম্পদ আমার কোন কাজেই আসল না!’ আমার ধনসম্পদ আমার কোন কাজেই এলোনা। আমার ধন-সম্পদ আমার কোন কাজে আসল না, مَاۤ اَغْنٰی عَنِّیْ مَالِیَهْۚ﴿٢٨ ﴾
29 ‘আমার ক্ষমতাও আমার থেকে চলে গেল! আমার ক্ষমতাও অপসৃত হয়েছে। আমার (সব) ক্ষমতা আধিপত্য নিঃশেষ হয়ে গেছে, هَلَكَ عَنِّیْ سُلْطٰنِیَهْۚ﴿٢٩ ﴾
30 (বলা হবে,) ‘তাকে ধর অতঃপর তাকে বেড়ি পরিয়ে দাও।’ মালাইকা/ফেরেশতাদেরকে বলা হবেঃ ধর ওকে, গলদেশে বেড়ি পরিয়ে দাও। (তখন নির্দেশ আসবে) ধর ওকে, ওর গলায় ফাঁস লাগিয়ে দাও, خُذُوْهُ فَغُلُّوْهُۙ﴿٣٠ ﴾
31 ‘তারপর তাকে তোমরা নিক্ষেপ কর জাহান্নামে’। অতঃপর নিক্ষেপ কর জাহান্নামে। তারপর ছুড়ে ফেল ওকে জাহান্নামে, ثُمَّ الْجَحِیْمَ صَلُّوْهُۙ﴿٣١ ﴾
32 ‘তারপর তাকে বাঁধ এমন এক শেকলে যার দৈর্ঘ্য হবে সত্তর হাত।’ পুনরায় তাকে শৃংখলিত কর সত্তর হাত দীর্ঘ এক শৃংখলে। তারপর ওকে শিকল দিয়ে বাঁধ- সত্তর হাত দীর্ঘ এক শিকলে, ثُمَّ فِیْ سِلْسِلَةٍ ذَرْعُهَا سَبْعُوْنَ ذِرَاعًا فَاسْلُكُوْهُؕ﴿٣٢ ﴾
33 সে তো মহান আল্লাহর প্রতি ঈমান পোষণ করত না, সে মহান আল্লাহয় বিশ্বাসী ছিলনা। সে মহান আল্লাহর উপর ঈমান আনেনি, اِنَّهٗ كَانَ لَا یُؤْمِنُ بِاللّٰهِ الْعَظِیْمِۙ﴿٣٣ ﴾
34 আর মিসকীনকে খাদ্যদানে উৎসাহিত করত না। এবং অভাবগ্রস্তকে খাদ্যদানে উৎসাহিত করতনা। আর না সে মিসকীনকে খাবার খাওয়াতে উৎসাহ দিত, وَ لَا یَحُضُّ عَلٰی طَعَامِ الْمِسْكِیْنِؕ﴿٣٤ ﴾
35 অতএব আজ এখানে তার কোন অন্তরঙ্গ বন্ধু থাকবে না। অতএব সেদিন সেখানে তার কোন সুহৃদ থাকবেনা। কাজেই আজ এখানে তার কোন বন্ধু নেই, فَلَیْسَ لَهُ الْیَوْمَ هٰهُنَا حَمِیْمٌۙ﴿٣٥ ﴾
36 আর ক্ষত-নিংসৃত পূঁজ ছাড়া কোন খাদ্য থাকবে না, এবং কোন খাদ্য থাকবেনা, ক্ষতনিঃসৃত স্রাব ব্যতীত। ক্ষত হতে পড়া পুঁজ ছাড়া কোন খাদ্য নেই, وَّ لَا طَعَامٌ اِلَّا مِنْ غِسْلِیْنٍۙ﴿٣٦ ﴾
37 অপরাধীরাই শুধু তা খাবে। যা অপরাধী ব্যতীত কেহ খাবেনা। যা অপরাধীরা ছাড়া অন্য কেউ খায় না। لَّا یَاْكُلُهٗۤ اِلَّا الْخَاطِـُٔوْنَ﴿٣٧ ﴾
38 অতএব তোমরা যা দেখছ, আমি তার কসম করছি। আমি কসম করছি উহার যা তোমরা দেখতে পাও। আমি কসম করছি সে সব জিনিসের যা তোমরা দেখতে পাও, فَلَاۤ اُقْسِمُ بِمَا تُبْصِرُوْنَۙ﴿٣٨ ﴾
39 আর যা তোমরা দেখছ না তারও, এবং যা তোমরা দেখতে পাওনা – আর (সে সব জিনিসেরও) যা তোমরা দেখতে পাও না وَ مَا لَا تُبْصِرُوْنَۙ﴿٣٩ ﴾
40 নিশ্চয়ই এটি এক সম্মানিত রাসূলের বাণী। নিশ্চয়ই এই কুরআন এক সম্মানিত রাসূলের বাহিত বার্তা। যে, অবশ্যই এ কুরআন এক মহা সম্মানিত রসূল [জিবরীল (আঃ)]-এর (বহন করে আনা) বাণী। اِنَّهٗ لَقَوْلُ رَسُوْلٍ كَرِیْمٍۚۙ﴿٤٠ ﴾
41 আর এটি কোন কবির কথা নয়। তোমরা কমই বিশ্বাস কর। ইহা কোন কবির রচনা নয়; তোমরা অল্পই বিশ্বাস কর। তা কোন কবির কথা নয়, (কবির কথা তো) তোমরা বিশ্বাস করো না, وَّ مَا هُوَ بِقَوْلِ شَاعِرٍ ؕ قَلِیْلًا مَّا تُؤْمِنُوْنَۙ﴿٤١ ﴾
42 আর কোন গণকের কথাও নয়। তোমরা কমই উপদেশ গ্রহণ কর। ইহা কোন গণকের কথাও নয়, তোমরা অল্পই অনুধাবন কর। এটা কোন গণকের কথাও নয়, (গণকের কথায় তো) তোমরা নসীহত লাভ করো না। وَ لَا بِقَوْلِ كَاهِنٍ ؕ قَلِیْلًا مَّا تَذَكَّرُوْنَؕ﴿٤٢ ﴾
43 এটি সৃষ্টিকুলের রবের পক্ষ থেকে নাযিলকৃত। ইহা জগতসমূহের রবের নিকট হতে অবতীর্ণ। এটা বিশ্ব জগতের প্রতিপালকের নিকট থেকে অবতীর্ণ, تَنْزِیْلٌ مِّنْ رَّبِّ الْعٰلَمِیْنَ﴿٤٣ ﴾
44 যদি সে আমার নামে কোন মিথ্যা রচনা করত, সে যদি আমার নামে কিছু রচনা করে চালাতে চেষ্টা করত – নবী যদি কোন কথা নিজে রচনা করে আমার নামে চালিয়ে দিত, وَ لَوْ تَقَوَّلَ عَلَیْنَا بَعْضَ الْاَقَاوِیْلِۙ﴿٤٤ ﴾
45 তবে আমি তার ডান হাত পাকড়াও করতাম। আমি অবশ্যই তার ডান হাত ধরে ফেলতাম। আমি অবশ্যই তার ডান হাত ধরে তাকে পাকড়াও করতাম, لَاَخَذْنَا مِنْهُ بِالْیَمِیْنِۙ﴿٤٥ ﴾
46 তারপর অবশ্যই আমি তার হৃদপিন্ডের শিরা কেটে ফেলতাম। এবং কেটে দিতাম তার জীবন-ধমনী। তারপর অবশ্যই কেটে দিতাম তার হৃৎপিন্ডের শিরা, ثُمَّ لَقَطَعْنَا مِنْهُ الْوَتِیْنَؗۖ﴿٤٦ ﴾
47 অতঃপর তোমাদের মধ্যে কেউই তাকে রক্ষা করার থাকত না। অতঃপর তোমাদের মধ্যে এমন কেহ নেই যে, তাকে রক্ষা করতে পারবে। অতঃপর তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যে, (আমার গোস্বা থেকে তাকে রক্ষা করার জন্য) বাধা সৃষ্টি করতে পারে। فَمَا مِنْكُمْ مِّنْ اَحَدٍ عَنْهُ حٰجِزِیْنَ﴿٤٧ ﴾
48 আর এটিতো মুত্তাকীদের জন্য এক নিশ্চিত উপদেশ। এই কুরআন মুত্তাকীদের জন্য অবশ্যই এক উপদেশ। মুত্তাক্বীদের জন্য এ কুরআন অবশ্যই এক উপদেশ, وَ اِنَّهٗ لَتَذْكِرَةٌ لِّلْمُتَّقِیْنَ﴿٤٨ ﴾
49 আর আমি অবশ্যই জানি যে, তোমাদের মধ্যে কতক রয়েছে মিথ্যারোপকারী। আমি অবশ্যই জানি যে, তোমাদের মধ্যে মিথ্যা আরোপকারী রয়েছে। আমি অবশ্যই জানি যে, তোমাদের মধ্যে কতক লোক (কুরআনকে) অস্বীকার করবে। وَ اِنَّا لَنَعْلَمُ اَنَّ مِنْكُمْ مُّكَذِّبِیْنَ﴿٤٩ ﴾
50 আর এটি নিশ্চয় কাফিরদের জন্য এক নিশ্চিত অনুশোচনার কারণ। এবং এই কুরআন নিশ্চয়ই কাফিরদের অনুশোচনার কারণ হবে। আর এ কুরআন কাফিরদের জন্য অবশ্যই দুঃখ ও হতাশার কারণ হবে (যখন কুরআনে বর্ণিত শাস্তি তাদেরকে ঘিরে ধরবে)। وَ اِنَّهٗ لَحَسْرَةٌ عَلَی الْكٰفِرِیْنَ﴿٥٠ ﴾
51 আর নিশ্চয় এটি সুনিশ্চিত সত্য। অবশ্যই এটা নিশ্চিত সত্য। এটা একেবারে নিশ্চিত সত্য। وَ اِنَّهٗ لَحَقُّ الْیَقِیْنِ﴿٥١ ﴾
52 অতএব তুমি তোমার মহান রবের নামে তাসবীহ পাঠ কর। অতএব তুমি মহান রবের নামের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর। অতএব তুমি তোমার মহান প্রতিপালকের নামের পবিত্রতা ও মহিমা বর্ণনা কর। فَسَبِّحْ بِاسْمِ رَبِّكَ الْعَظِیْمِ﴿٥٢ ﴾