۞ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ ۞
অনুবাদকে টিক দিন        


সমগ্র কুরআনে সার্চ করার জন্য আরবি অথবা বাংলা শব্দ দিন...


তথ্য খুজুন: যেমন মায়িদা x
সুরা লিস্ট দেখুন

সূরা নাম (Sura Name): �������� �������������� -- Al-Ma'arij -- ������-������'������������
Arabic Font Size:
আয়ত নাম্বার বায়ান ফাউন্ডেশন মুজিবুর রহমান তাইসীরুল কুরআন আরবি
1 এক প্রশ্নকারী জিজ্ঞাসা করল এমন আযাব সম্পর্কে, যা আপতিত হবে-* এক ব্যক্তি চাইল সংঘটিত হোক শাস্তি যা অবধারিত – এক ব্যক্তি চাইল সে ‘আযাব যা অবশ্যই সংঘটিত হবে। سَاَلَ سَآىِٕلٌۢ بِعَذَابٍ وَّاقِعٍۙ﴿١ ﴾
2 কাফিরদের উপর, যার কোন প্রতিরোধকারী নেই। কাফিরদের জন্য, ইহা প্রতিরোধ করার কেহ নেই। কাফিরদের জন্য তা প্রতিরোধ করার কেউ নেই لِّلْكٰفِرِیْنَ لَیْسَ لَهٗ دَافِعٌۙ﴿٢ ﴾
3 ঊর্ধ্বারোহণের সোপানসমূহের অধিকারী আল্লাহর পক্ষ থেকে, ইহা আসবে আল্লাহর নিকট হতে যিনি সমুচ্চ মর্যাদার অধিকারী। (যে শাস্তি আসবে) আল্লাহর নিকট হতে যিনি আসমানে উঠার সিঁড়িগুলোর মালিক, مِّنَ اللّٰهِ ذِی الْمَعَارِجِؕ﴿٣ ﴾
4 ফেরেশতাগণ ও রূহ এমন এক দিনে আল্লাহর পানে ঊর্ধ্বগামী হয়, যার পরিমাণ পঞ্চাশ হাজার বছর। মালাইকা/ফেরেশতা এবং রূহ আল্লাহর দিকে উর্ধ্বগামী হয় এমন একদিনে, যা পার্থিব পঞ্চাশ হাজার বৎসরের সমান। ফেরেশতা এবং রূহ (অর্থাৎ জিবরীল) আল্লাহর দিকে আরোহণ করে এমন এক দিনে, যার পরিমাণ পঞ্চাশ হাজার বছর। تَعْرُجُ الْمَلٰٓىِٕكَةُ وَ الرُّوْحُ اِلَیْهِ فِیْ یَوْمٍ كَانَ مِقْدَارُهٗ خَمْسِیْنَ اَلْفَ سَنَةٍۚ﴿٤ ﴾
5 অতএব তুমি উত্তমরূপে ধৈর্যধারণ কর। সুতরাং তুমি ধৈর্য ধারণ কর, পরম ধৈর্য। সুতরাং (হে নবী!) ধৈর্য ধর- সুন্দর সৌজন্যমূলক ধৈর্য। فَاصْبِرْ صَبْرًا جَمِیْلًا﴿٥ ﴾
6 তারা তো এটিকে সুদূরপরাহত মনে করে। তারা ঐ দিনকে মনে করে সুদূর। তারা ঐ দিনটিকে সুদূর মনে করছে, اِنَّهُمْ یَرَوْنَهٗ بَعِیْدًاۙ﴿٦ ﴾
7 আর আমি দেখছি তা আসন্ন। কিন্তু আমি দেখছি ইহা আসন্ন। কিন্তু আমি তা নিকটে দেখতে পাচ্ছি। وَّ نَرٰىهُ قَرِیْبًاؕ﴿٧ ﴾
8 সেদিন আসমান হয়ে যাবে গলিত ধাতুর ন্যায়। সেদিন আকাশ হবে গলিত ধাতুর মত। সেদিন আকাশ হবে গলিত রূপার মত, یَوْمَ تَكُوْنُ السَّمَآءُ كَالْمُهْلِۙ﴿٨ ﴾
9 এবং পর্বতসমূহ হয়ে যাবে রঙিন পশমের ন্যায়। এবং পর্বতসমূহ হবে রঙ্গীন পশমের মত। আর পাহাড়গুলো হবে রঙ্গীণ পশমের মত, وَ تَكُوْنُ الْجِبَالُ كَالْعِهْنِۙ﴿٩ ﴾
10 আর অন্তরঙ্গ বন্ধু অন্তরঙ্গ বন্ধুকে জিজ্ঞাসা করবে না। এবং সুহৃদ সুহৃদের খোঁজ খবর নিবেনা। বন্ধু বন্ধুর খবর নিবে না, وَ لَا یَسْـَٔلُ حَمِیْمٌ حَمِیْمًاۚۖ﴿١٠ ﴾
11 তাদেরকে একে অপরের দৃষ্টিগোচর করা হবে। অপরাধী চাইবে যদি সে সেদিনের শাস্তি থেকে তার সন্তান-সন্ততিকে পণ হিসেবে দিয়ে মুক্তি পেতে, তাদেরকে করা হবে একে অপরের দৃষ্টিগোচর। অপরাধী সেদিনের শাস্তির বদলে দিতে চাবে তার সন্তান-সন্ততিকে, যদিও তাদেরকে রাখা হবে পরস্পরের দৃষ্টির সামনে, অপরাধী সেদিনের ‘আযাব থেকে বাঁচার জন্য বিনিময়ে দিতে চাইবে তার সন্তানাদিকে, یُّبَصَّرُوْنَهُمْ ؕ یَوَدُّ الْمُجْرِمُ لَوْ یَفْتَدِیْ مِنْ عَذَابِ یَوْمِىِٕذٍۭ بِبَنِیْهِۙ﴿١١ ﴾
12 আর তার স্ত্রী ও ভাইকে, তার স্ত্রী ও ভাইকে, তার স্ত্রী ও ভাইকে, وَ صَاحِبَتِهٖ وَ اَخِیْهِۙ﴿١٢ ﴾
13 আর তার জ্ঞাতি-গোষ্ঠীকে, যারা তাকে আশ্রয় দিত। তার জ্ঞাতি গোষ্ঠিকে যারা তাকে আশ্রয় দিত – আর তার আত্মীয় গোষ্ঠীকে যারা তাকে আশ্রয় দিত, وَ فَصِیْلَتِهِ الَّتِیْ تُـْٔوِیْهِۙ﴿١٣ ﴾
14 আর যমীনে যারা আছে তাদের সবাইকে, যাতে এটি তাকে রক্ষা করে। এবং পৃথিবীর সকলকে, যাতে এই মুক্তিপণ তাকে মুক্তি দেয়। আর দুনিয়ার সব্বাইকে, যাতে তা তাকে রক্ষা করতে পারে। وَ مَنْ فِی الْاَرْضِ جَمِیْعًا ۙ ثُمَّ یُنْجِیْهِۙ﴿١٤ ﴾
15 কখনো নয়! এটিতো লেলিহান আগুন। না, কখনই নয়, ইহাতো লেলিহান অগ্নি – না, কক্ষনো নয়, ওটা জ্বলন্ত অগ্নিশিখা, كَلَّا ؕ اِنَّهَا لَظٰیۙ﴿١٥ ﴾
16 যা মাথার চামড়া খসিয়ে নেবে। যা গাত্র হতে চামড়া খসিয়ে দিবে। যা চামড়া তুলে দিবে, نَزَّاعَةً لِّلشَّوٰیۚۖ﴿١٦ ﴾
17 জাহান্নাম তাকে ডাকবে যে পৃষ্ঠ প্রদর্শন করেছিল এবং মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল । জাহান্নাম সেই ব্যক্তিকে ডাকবে, যে সত্যের প্রতি পৃষ্ঠ প্রদর্শন করেছিল ও মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল – জাহান্নাম সেই ব্যক্তিকে ডাকবে যে পেছনে ফিরে গিয়েছিল এবং সত্য থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল। تَدْعُوْا مَنْ اَدْبَرَ وَ تَوَلّٰیۙ﴿١٧ ﴾
18 আর সম্পদ জমা করেছিল, অতঃপর তা সংরক্ষণ করে রেখেছিল। যে সম্পদ পুঞ্জীভুত এবং সংরক্ষিত করে রাখছিল। সে মালধন জমা করত, অতঃপর তা আগলে রাখত, وَ جَمَعَ فَاَوْعٰی﴿١٨ ﴾
19 নিশ্চয় মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে অস্থির করে। মানুষতো সৃষ্টি হয়েছে অতিশয় অস্থির চিত্ত রূপে। মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে খুবই অস্থির-মনা করে, اِنَّ الْاِنْسَانَ خُلِقَ هَلُوْعًاۙ﴿١٩ ﴾
20 যখন তাকে বিপদ স্পর্শ করে তখন সে হয়ে পড়ে অতিমাত্রায় উৎকন্ঠিত। যখন বিপদ তাকে স্পর্শ করে সে হয় হা হুতাশকারী। বিপদ তাকে স্পর্শ করলে সে হয় উৎকণ্ঠিত, اِذَا مَسَّهُ الشَّرُّ جَزُوْعًاۙ﴿٢٠ ﴾
21 আর যখন কল্যাণ তাকে স্পর্শ করে তখন সে হয়ে পড়ে অতিশয় কৃপণ। আর যখন কল্যাণ তাকে স্পর্শ করে তখন সে হয় অতি কৃপণ। কল্যাণ তাকে স্পর্শ করলে সে হয়ে পড়ে অতি কৃপণ, وَّ اِذَا مَسَّهُ الْخَیْرُ مَنُوْعًاۙ﴿٢١ ﴾
22 সালাত আদায়কারীগণ ছাড়া, তবে সালাত আদায়কারী ব্যতীত। তবে নামায আদায়কারীরা এ রকম নয়, اِلَّا الْمُصَلِّیْنَۙ﴿٢٢ ﴾
23 যারা তাদের সালাতের ক্ষেত্রে নিয়মিত। যারা তাদের সালাতে সদা নিষ্ঠাবান। যারা তাদের নামাযে স্থির সংকল্প الَّذِیْنَ هُمْ عَلٰی صَلَاتِهِمْ دَآىِٕمُوْنَ۪ۙ﴿٢٣ ﴾
24 আর যাদের ধন-সম্পদে রয়েছে নির্ধারিত হক, আর যাদের সম্পদের নির্ধারিত হক রয়েছে – যাদের ধন-সম্পদে একটা সুবিদিত অধিকার আছে, وَ الَّذِیْنَ فِیْۤ اَمْوَالِهِمْ حَقٌّ مَّعْلُوْمٌ۪ۙ﴿٢٤ ﴾
25 যাচঞাকারী ও বঞ্চিতের, প্রার্থী ও বঞ্চিতের। প্রার্থী এবং বঞ্চিতদের, لِّلسَّآىِٕلِ وَ الْمَحْرُوْمِ۪ۙ﴿٢٥ ﴾
26 আর যারা প্রতিফল-দিবসকে সত্য বলে বিশ্বাস করে। এবং যারা কর্মফল দিনকে সত্য বলে জানে। যারা বিচার দিবসকে সত্য মানে। وَ الَّذِیْنَ یُصَدِّقُوْنَ بِیَوْمِ الدِّیْنِ۪ۙ﴿٢٦ ﴾
27 আর যারা তাদের রবের আযাব সম্পর্কে ভীত-সন্ত্রস্ত। আর যারা তাদের রবের শাস্তি সম্পর্কে ভীত সন্ত্রস্ত, যারা তাদের প্রতিপালকের শাস্তি সম্পর্কে ভীত কম্পিত, وَ الَّذِیْنَ هُمْ مِّنْ عَذَابِ رَبِّهِمْ مُّشْفِقُوْنَۚ﴿٢٧ ﴾
28 নিশ্চয় তাদের রবের আযাব থেকে কেউ নিরাপদ নয়। নিশ্চয়ই তাদের রবের শাস্তি হতে নিঃশঙ্ক থাকা যায়না – তাদের প্রতিপালকের শাস্তি এমন যে তাত্থেকে নিজেকে নিরাপদ ভাবা যায় না, اِنَّ عَذَابَ رَبِّهِمْ غَیْرُ مَاْمُوْنٍ﴿٢٨ ﴾
29 আর যারা তাদের যৌনাংগসমূহের হিফাযতকারী। এবং যারা নিজেদের যৌনাঙ্গকে সংযত রাখে। যারা নিজেদের লজ্জাস্থান সংরক্ষণ করে وَ الَّذِیْنَ هُمْ لِفُرُوْجِهِمْ حٰفِظُوْنَۙ﴿٢٩ ﴾
30 তবে তাদের স্ত্রী ও তাদের ডান হাত যাদের মালিক হয়েছে সে দাসীগণের ক্ষেত্র ছাড়া। তাহলে তারা সে ক্ষেত্রে নিন্দনীয় হবে না। তাদের স্ত্রী অথবা অধিকারভুক্ত দাসীদের ক্ষেত্র ব্যতীত, এতে তারা নিন্দনীয় হবেনা – তাদের স্ত্রী অথবা অধিকারভুক্ত দাসী ছাড়া, কেননা তাতে তারা তিরস্কৃত হবে না, اِلَّا عَلٰۤی اَزْوَاجِهِمْ اَوْ مَا مَلَكَتْ اَیْمَانُهُمْ فَاِنَّهُمْ غَیْرُ مَلُوْمِیْنَۚ﴿٣٠ ﴾
31 তবে যে কেউ এদের বাইরে অন্যকে কামনা করে, তারাই তো সীমালংঘনকারী। তবে কেহ এদেরকে ছাড়া অন্যকে কামনা করলে তারা হবে সীমালংঘনকারী। তবে এর বাইরে যারা অন্য কাউকে কামনা করবে, তারাই সীমালঙ্ঘনকারী। فَمَنِ ابْتَغٰی وَرَآءَ ذٰلِكَ فَاُولٰٓىِٕكَ هُمُ الْعٰدُوْنَۚ﴿٣١ ﴾
32 আর যারা নিজদের আমানত ও ওয়াদা রক্ষাকারী, এবং যারা আমানাত ও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে। যারা তাদের আমানাত ও ও‘য়াদা রক্ষা করে, وَ الَّذِیْنَ هُمْ لِاَمٰنٰتِهِمْ وَ عَهْدِهِمْ رٰعُوْنَ۪ۙ﴿٣٢ ﴾
33 আর যারা তাদের সাক্ষ্যদানে অটল, আর যারা তাদের সাক্ষ্য দানে অটল, যারা তাদের সাক্ষ্যদানে (সত্যতার উপর) সুপ্রতিষ্ঠিত, وَ الَّذِیْنَ هُمْ بِشَهٰدٰتِهِمْ قَآىِٕمُوْنَ۪ۙ﴿٣٣ ﴾
34 আর যারা নিজদের সালাতের হিফাযত করে, এবং নিজেদের সালাতে যত্নবান – যারা তাদের নামাযে যত্নবান, وَ الَّذِیْنَ هُمْ عَلٰی صَلَاتِهِمْ یُحَافِظُوْنَؕ﴿٣٤ ﴾
35 তারাই জান্নাতসমূহে সম্মানিত হবে। তারাই সম্মানিত হবে জান্নাতে। তারাই হবে জান্নাতে সম্মানিত। اُولٰٓىِٕكَ فِیْ جَنّٰتٍ مُّكْرَمُوْنَ ؕ۠﴿٣٥ ﴾
36 কাফিরদের কী হল যে, তারা তোমার দিকে ছুটছে, কাফিরদের হল কি যে, ওরা তোমার দিকে ছুটে আসছে – কাফিরদের কী হল যে, তারা তোমার দিকে ছুটে আসছে (তোমার কুরআন পাঠ শুনে তোমাকে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করার জন্য), فَمَالِ الَّذِیْنَ كَفَرُوْا قِبَلَكَ مُهْطِعِیْنَۙ﴿٣٦ ﴾
37 ডানে ও বামে দলে দলে? ডান ও বাম দিক হতে দলে দলে? ডান দিক আর বাম দিক থেকে দলে দলে, عَنِ الْیَمِیْنِ وَ عَنِ الشِّمَالِ عِزِیْنَ﴿٣٧ ﴾
38 তাদের প্রত্যেক ব্যক্তি কি আশা করে যে, তাকে প্রাচুর্যময় জান্নাতে দাখিল করা হবে? তাদের প্রত্যেকে কি এই প্রত্যাশা করে যে, তাকে দাখিল করা হবে প্রাচুর্যময় জান্নাতে? তাদের প্রত্যেকেই কি এই লোভ করে যে, তাকে নি‘মাত-ভরা জান্নাতে দাখিলা করা হবে? اَیَطْمَعُ كُلُّ امْرِئٍ مِّنْهُمْ اَنْ یُّدْخَلَ جَنَّةَ نَعِیْمٍۙ﴿٣٨ ﴾
39 কখনো নয়, নিশ্চয় আমি তাদেরকে সৃষ্টি করেছি তারা যা জানে তা থেকে। না তা হবেনা, আমি তাদেরকে যা হতে সৃষ্টি করেছি তা তারা জানে। কক্ষনো না, আমি তাদেরকে কী থেকে সৃষ্টি করেছি তা তারা জানে (এমন নগণ্য বস্তু থেকে সৃষ্ট মানুষ কেবল মানুষ হয়ে জন্ম নেয়ার কারণেই জান্নাতে চলে যাবে এ রকম লোভ করা বড়ই অবিবেচনাপ্রসূত ব্যাপার)। كَلَّا ؕ اِنَّا خَلَقْنٰهُمْ مِّمَّا یَعْلَمُوْنَ﴿٣٩ ﴾
40 অতএব, আমি উদয়স্থল ও অস্তাচলসমূহের রবের কসম করছি যে, আমি অবশ্যই সক্ষম! আমি শপথ করছি উদয়াচল ও অস্তাচলের অধিপতির! নিশ্চয়ই আমি সক্ষম – আমি শপথ করছি উদয়স্থানসমূহের ও অস্তাচলসমূহের রবেবর-আমি অবশ্যই সক্ষম, فَلَاۤ اُقْسِمُ بِرَبِّ الْمَشٰرِقِ وَ الْمَغٰرِبِ اِنَّا لَقٰدِرُوْنَۙ﴿٤٠ ﴾
41 তাদের চাইতে উত্তমদেরকে তাদের স্থলে নিয়ে আসতে এবং আমি অক্ষম নই। তাদের অপেক্ষা উৎকৃষ্টতর মানবগোষ্ঠী তাদের স্থলবর্তী করতে; এবং আমি অক্ষম নই। তাদের পরিবর্তে তাদের চেয়ে উৎকৃষ্ট মানুষ বানাতে, আমাকে পরাস্ত করবে এমন কেউ নেই। عَلٰۤی اَنْ نُّبَدِّلَ خَیْرًا مِّنْهُمْ ۙ وَ مَا نَحْنُ بِمَسْبُوْقِیْنَ﴿٤١ ﴾
42 অতএব তাদেরকে ছেড়ে দাও, তারা (বেহুদা কথায়) মত্ত থাকুক আর খেল-তামাশা করুক যতক্ষণ না তারা দেখা পায় সেদিনের, যার প্রতিশ্রুতি তাদেরকে দেয়া হয়েছে। অতএব তাদেরকে বাক-বিতন্ডা ও ক্রীড়া কৌতুকে মত্ত থাকতে দাও, যে দিন সম্পর্কে তাদেরকে সতর্ক করা হয়েছিল তার সম্মুখীন হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত। কাজেই তাদেরকে অনর্থক কথাবার্তা ও খেল তামাশায় মত্ত থাকতে দাও যতক্ষণ না তারা তাদের সেদিনের সাক্ষাৎ লাভ করে যে দিনের ও‘য়াদা তাদেরকে দেয়া হয়েছিল। فَذَرْهُمْ یَخُوْضُوْا وَ یَلْعَبُوْا حَتّٰی یُلٰقُوْا یَوْمَهُمُ الَّذِیْ یُوْعَدُوْنَۙ﴿٤٢ ﴾
43 যেদিন দ্রুতবেগে তারা কবর থেকে বের হয়ে আসবে, যেন তারা কোন লক্ষ্যের দিকে ছুটছে, সেদিন তারা কাবর হতে বের হবে দ্রুত বেগে। মনে হবে তারা কোন একটি লক্ষ্যস্থলের দিকে ধাবিত হচ্ছে – যেদিন তারা কবর থেকে বের হবে দ্রুততার সাথে- যেন তারা কোন লক্ষ্যস্থলের দিকে ছুটে চলেছে। یَوْمَ یَخْرُجُوْنَ مِنَ الْاَجْدَاثِ سِرَاعًا كَاَنَّهُمْ اِلٰی نُصُبٍ یُّوْفِضُوْنَۙ﴿٤٣ ﴾
44 অবনত চোখে। লাঞ্ছনা তাদেরকে আচ্ছন্ন করবে! এটিই সেদিন যার ওয়াদা তাদেরকে দেয়া হয়েছিল। অবনত নেত্রে; হীনতা তাদেরকে আচ্ছন্ন করবে; এটাই সেদিন, যে বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছিল তাদেরকে। তাদের দৃষ্টি হবে অবনমিত, লাঞ্ছনা তাদেরকে আচ্ছন্ন করবে। এটাই হল সেই দিন যার ও‘য়াদা তাদেরকে দেয়া হচ্ছিল। خَاشِعَةً اَبْصَارُهُمْ تَرْهَقُهُمْ ذِلَّةٌ ؕ ذٰلِكَ الْیَوْمُ الَّذِیْ كَانُوْا یُوْعَدُوْنَ﴿٤٤ ﴾