۞ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ ۞
অনুবাদকে টিক দিন        


সমগ্র কুরআনে সার্চ করার জন্য আরবি অথবা বাংলা শব্দ দিন...


তথ্য খুজুন: যেমন মায়িদা x
সুরা লিস্ট দেখুন

সূরা নাম (Sura Name): �������� ������������ -- Al-Muddathir -- ������-������������������������������
Arabic Font Size:
আয়ত নাম্বার বায়ান ফাউন্ডেশন মুজিবুর রহমান তাইসীরুল কুরআন আরবি
1 হে বস্ত্রাবৃত! হে বস্ত্রাচ্ছাদিত! ওহে বস্ত্র আবৃত (ব্যক্তি)! یٰۤاَیُّهَا الْمُدَّثِّرُۙ﴿١ ﴾
2 উঠ, অতঃপর সতর্ক কর। উঠ, সতর্ক বাণী প্রচার কর। ওঠ, সতর্ক কর। قُمْ فَاَنْذِرْ۪ۙ﴿٢ ﴾
3 আর তোমার রবের শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা কর। এবং তোমার রবের শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা কর। আর তোমার প্রতিপালকের শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা কর। وَ رَبَّكَ فَكَبِّرْ۪ۙ﴿٣ ﴾
4 আর তোমার পোশাক-পরিচ্ছদ পবিত্র কর। তোমার পরিচ্ছদ পরিস্কার রাখ। তোমার পোশাক পরিচ্ছদ পবিত্র রাখ। وَ ثِیَابَكَ فَطَهِّرْ۪ۙ﴿٤ ﴾
5 আর অপবিত্রতা বর্জন কর। অপবিত্রতা হতে দূরে থাক। (যাবতীয়) অপবিত্রতা থেকে দূরে থাক। وَ الرُّجْزَ فَاهْجُرْ۪ۙ﴿٥ ﴾
6 আর অধিক পাওয়ার আশায় দান করো না। অধিক পাওয়ার প্রত্যাশায় দান করনা। (কারো প্রতি) অনুগ্রহ করো না অধিক পাওয়ার উদ্দেশে। وَ لَا تَمْنُنْ تَسْتَكْثِرُ۪ۙ﴿٦ ﴾
7 আর তোমার রবের জন্যই ধৈর্যধারণ কর। এবং তোমার রবের উদ্দেশ্যে ধৈর্য ধর। তোমার প্রতিপালকের (সন্তুষ্টির) জন্য ধৈর্য ধর। وَ لِرَبِّكَ فَاصْبِرْؕ﴿٧ ﴾
8 অতঃপর যখন শিঙ্গায় ফুঁক দেয়া হবে, যেদিন শিঙ্গায় ফুৎকার দেয়া হবে – যেদিন শিঙ্গায় ফুঁ দেয়া হবে, فَاِذَا نُقِرَ فِی النَّاقُوْرِۙ﴿٨ ﴾
9 আর সেদিন হবে কঠিন দিন। সেদিন হবে এক সংকটের দিন – সেদিনটি হবে বড়ই কঠিন দিন, فَذٰلِكَ یَوْمَىِٕذٍ یَّوْمٌ عَسِیْرٌۙ﴿٩ ﴾
10 কাফিরদের জন্য সহজ নয়। যা কাফিরদের জন্য সহজ নয়। (যা) কাফিরদের জন্য মোটেই সহজ নয়। عَلَی الْكٰفِرِیْنَ غَیْرُ یَسِیْرٍ﴿١٠ ﴾
11 আমাকে এবং যাকে আমি সৃষ্টি করেছি তাকে একাকী ছেড়ে দাও। আমাকে ছেড়ে দাও এবং তাকে, যাকে আমি সৃষ্টি করেছি অসাধারণ করে। ছেড়ে দাও আমাকে (তার সঙ্গে বুঝাপড়া করার জন্য) যাকে আমি এককভাবে সৃষ্টি করেছি। ذَرْنِیْ وَ مَنْ خَلَقْتُ وَحِیْدًاۙ﴿١١ ﴾
12 আর আমি তাকে দিয়েছি অঢেল সম্পদ, আমি তাকে দিয়েছি বিপুল ধন সম্পদ। আর তাকে (ওয়ালীদ বিন মুগীরাহকে) দিয়েছি অঢেল ধন-সম্পদ, وَّ جَعَلْتُ لَهٗ مَالًا مَّمْدُوْدًاۙ﴿١٢ ﴾
13 আর উপস্থিত অনেক পুত্র। এবং নিত্য সঙ্গী পুত্রগণ। আর অনেক ছেলে যারা সব সময় তার কাছেই থাকে। وَّ بَنِیْنَ شُهُوْدًاۙ﴿١٣ ﴾
14 আর তার জন্য (জীবনকে) সুগম স্বাচ্ছন্দ্যময় করেছি। এবং তাকে দিয়েছি স্বচ্ছন্দময় জীবনের প্রচুর উপকরণ। এবং তার জীবনকে করেছি সচ্ছল ও সুগম। وَّ مَهَّدْتُّ لَهٗ تَمْهِیْدًاۙ﴿١٤ ﴾
15 এসবের পরেও সে আকাংখা করে যে, আমি আরো বাড়িয়ে দেই। এর পরও সে কামনা করে যে, আমি তাকে আরও অধিক দিই। এর পরও সে লোভ করে যে, আমি তাকে আরো দেই। ثُمَّ یَطْمَعُ اَنْ اَزِیْدَۗۙ﴿١٥ ﴾
16 কখনো নয়, নিশ্চয় সে ছিল আমার নিদর্শনাবলীর বিরুদ্ধাচারী। না, তা হবেনা, সেতো আমার নিদর্শনসমূহের ঔদ্ধত বিরুদ্ধাচারী। কক্ষনো না, সে ছিল আমার নিদর্শনের বিরুদ্ধাচারী। كَلَّا ؕ اِنَّهٗ كَانَ لِاٰیٰتِنَا عَنِیْدًاؕ﴿١٦ ﴾
17 অচিরেই আমি তাকে জাহান্নামের পিচ্ছিল পাথরে আরোহণ করতে বাধ্য করব। আমি অচিরেই তাকে ক্রমবর্ধমান শাস্তি দ্বারা আচ্ছন্ন করব। শীঘ্রই আমি তাকে উঠাব শাস্তির পাহাড়ে (অর্থাৎ তাকে দিব বিপদের উপর বিপদ)। سَاُرْهِقُهٗ صَعُوْدًاؕ﴿١٧ ﴾
18 নিশ্চয় সে চিন্তা ভাবনা করল এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ করল। সে চিন্তা করল এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ করল। সে চিন্তা ভাবনা করল এবং সিদ্ধান্ত নিল, اِنَّهٗ فَكَّرَ وَ قَدَّرَۙ﴿١٨ ﴾
19 অতঃপর সে ধ্বংস হোক! কীভাবে সে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করল? অভিশপ্ত হোক সে! কেমন করে সে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করল! ধ্বংস হোক সে, কীভাবে সে (কুরআনের অলৌকিকতা স্বীকার করার পরও কেবল অহমিকার বশবর্তী হয়ে নবুওয়াতকে অস্বীকার করার) সিদ্ধান্ত নিল! فَقُتِلَ كَیْفَ قَدَّرَۙ﴿١٩ ﴾
20 তারপর সে ধ্বংস হোক! কীভাবে সে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করল? আরও অভিশপ্ত হোক সে! কেমন করে সে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হল! আবারো ধ্বংস হোক সে, সে সিদ্ধান্ত নিল কীভাবে! ثُمَّ قُتِلَ كَیْفَ قَدَّرَۙ﴿٢٠ ﴾
21 তারপর সে তাকাল। সে আবার চেয়ে দেখল। তারপর সে তাকালো। ثُمَّ نَظَرَۙ﴿٢١ ﴾
22 তারপর সে ভ্রূকুঞ্চিত করল এবং মুখ বিকৃত করল। অতঃপর সে ভ্রু কুঞ্চিত করল ও মুখ বিকৃত করল। তারপর ভ্রু কুঁচকালো আর মুখ বাঁকালো। ثُمَّ عَبَسَ وَ بَسَرَۙ﴿٢٢ ﴾
23 তারপর সে পিছনে ফিরল এবং অহংকার করল। অতঃপর সে পৃষ্ঠ প্রদর্শন করল এবং অহংকার করল। তারপর সে পিছনে ফিরল আর অহংকার করল। ثُمَّ اَدْبَرَ وَ اسْتَكْبَرَۙ﴿٢٣ ﴾
24 অতঃপর সে বলল, ‘এ তো লোক পরম্পরায়প্রাপ্ত যাদু ছাড়া আর কিছুই নয়’। এবং ঘোষণা করল, এতো লোক পরম্পরায় প্রাপ্ত যাদু ভিন্ন আর কিছু নয়। তারপর বলল- ‘এ তো যাদু ছাড়া আর কিছু নয়, এতো পূর্বে থেকেই চলে আসছে। فَقَالَ اِنْ هٰذَاۤ اِلَّا سِحْرٌ یُّؤْثَرُۙ﴿٢٤ ﴾
25 ‘এটা তো মানুষের কথামাত্র’। এটাতো মানুষেরই কথা। এটা তো মানুষের কথা মাত্র।’ اِنْ هٰذَاۤ اِلَّا قَوْلُ الْبَشَرِؕ﴿٢٥ ﴾
26 অচিরেই আমি তাকে জাহান্নামের আগুনে প্রবেশ করাব। আমি তাকে নিক্ষেপ করব সাকার-এ। শীঘ্রই আমি তাকে জাহান্নামের আগুনে নিক্ষেপ করব। سَاُصْلِیْهِ سَقَرَ﴿٢٦ ﴾
27 কিসে তোমাকে জানাবে জাহান্নামের আগুন কী? তুমি কি জান সাকার কি? তুমি কি জান জাহান্নামের আগুন কী? وَ مَاۤ اَدْرٰىكَ مَا سَقَرُؕ﴿٢٧ ﴾
28 এটা অবশিষ্টও রাখবে না এবং ছেড়েও দেবে না। উহা তাদের জীবিতাবস্থায় রাখবেনা এবং মৃত অবস্থায়ও ছেড়ে দিবেনা। তা কাউকে জীবিতও রাখবে না, আর মৃত অবস্থায়ও ছেড়ে দেবে না। لَا تُبْقِیْ وَ لَا تَذَرُۚ﴿٢٨ ﴾
29 চামড়াকে দগ্ধ করে কালো করে দেবে। উহাতো গাত্রচর্ম দগ্ধ করবে। চামড়া ঝলসে দেবে। لَوَّاحَةٌ لِّلْبَشَرِۚۖ﴿٢٩ ﴾
30 তার উপর রয়েছে ঊনিশজন (প্রহরী)। উহার তত্ত্বাবধানে রয়েছে উনিশ জন প্রহরী। সেখানে নিয়োজিত আছে ঊনিশ জন ফেরেশতা। عَلَیْهَا تِسْعَةَ عَشَرَؕ﴿٣٠ ﴾
31 আর আমি ফেরেশতাদেরকেই জাহান্নামের তত্ত্বাবধায়ক বানিয়েছি। আর কাফিরদের জন্য পরীক্ষাস্বরূপ আমি তাদের সংখ্যা নির্ধারণ করেছি। যাতে কিতাবপ্রাপ্তরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে; আর মুমিনদের ঈমান বেড়ে যায় এবং কিতাবপ্রাপ্তরা ও মুমিনরা সন্দেহ পোষণ না করে। আর যেন যাদের অন্তরে রোগ আছে তারা এবং অবশিষ্টরা বলে, এরূপ উপমা দ্বারা আল্লাহ কী ইচ্ছা করেছেন? এভাবেই আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন আর যাকে ইচ্ছা সঠিক পথে পরিচালিত করেন। আর তোমার রবের বাহিনী সম্পর্কে তিনি ছাড়া কেউ জানেন না। আর এ হচ্ছে মানুষের জন্য উপদেশমাত্র। আমি তাদেরকে করেছি জাহান্নামের প্রহরী। কাফিরদের পরীক্ষা স্বরূপ। আমি তাদের এই সংখ্যা উল্লেখ করেছি যাতে কিতাবীদের দৃঢ় প্রত্যয় জন্মে, বিশ্বাসীদের বিশ্বাস বর্ধিত হয় এবং বিশ্বাসীরা ও কিতাবীরা সন্দেহ পোষণ না করে। এর ফলে যাদের অন্তরে ব্যাধি আছে তারা ও কাফিরেরা বলবেঃ আল্লাহ এই অভিনব উক্তি দ্বারা কি বুঝাতে চেয়েছেন? এভাবে আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন এবং যাকে ইচ্ছা পথ নির্দেশ করেন। তোমার রবের বাহিনী সম্পর্কে একমাত্র তিনিই জানেন। এটাতো মানুষের জন্য সাবধান বাণী। আমিই কেবল ফেরেশতাদেরকে জাহান্নামের তত্ত্বাবধায়ক করেছি। আর তাদের (এই) সংখ্যাকে কাফিরদের জন্য একটা পরীক্ষা বানিয়ে দিয়েছি (কেননা তারা এ কথা বিশ্বাসই করতে পারবে না যে মাত্র ঊনিশ জন ফেরেশতা বিশাল জাহান্নামের যাবতীয় দায়িত্ব পালন করবে) আর যেন কিতাবধারীগণ তা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে আর ঈমানদারদের ঈমান আরো বৃদ্ধি পায় এবং কিতাবধারীগণ ও ঈমানদারগণ যেন কোন রকম সন্দেহের মধ্যে না থাকে। যাদের অন্তরে রোগ আছে তারা আর কাফিররা যাতে বলে উঠে, ‘‘ এ ধরণের কথা দিয়ে আল্লাহ কী বোঝাতে চেয়েছেন?’’ এভাবে আল্লাহ যাকে চান গুমরাহ করেন আর যাকে চান সঠিক পথে পরিচালিত করেন। তোমার প্রতিপালকের বাহিনী (কারা এবং এর স্যখ্যা কত সে) সম্পর্কে তিনি ছাড়া কেউ জানে না। (জাহান্নামের) এ (বর্ণনা দেয়া হল) কেবল মানুষের নসীহত লাভের জন্য। وَ مَا جَعَلْنَاۤ اَصْحٰبَ النَّارِ اِلَّا مَلٰٓىِٕكَةً ۪ وَّ مَا جَعَلْنَا عِدَّتَهُمْ اِلَّا فِتْنَةً لِّلَّذِیْنَ كَفَرُوْا ۙ لِیَسْتَیْقِنَ الَّذِیْنَ اُوْتُوا الْكِتٰبَ وَ یَزْدَادَ الَّذِیْنَ اٰمَنُوْۤا اِیْمَانًا وَّ لَا یَرْتَابَ الَّذِیْنَ اُوْتُوا الْكِتٰبَ وَ الْمُؤْمِنُوْنَ ۙ وَ لِیَقُوْلَ الَّذِیْنَ فِیْ قُلُوْبِهِمْ مَّرَضٌ وَّ الْكٰفِرُوْنَ مَا ذَاۤ اَرَادَ اللّٰهُ بِهٰذَا مَثَلًا ؕ كَذٰلِكَ یُضِلُّ اللّٰهُ مَنْ یَّشَآءُ وَ یَهْدِیْ مَنْ یَّشَآءُ ؕ وَ مَا یَعْلَمُ جُنُوْدَ رَبِّكَ اِلَّا هُوَ ؕ وَ مَا هِیَ اِلَّا ذِكْرٰی لِلْبَشَرِ﴿٣١ ﴾
32 কখনো নয়, চাঁদের কসম! কক্ষনো না, চন্দ্রের শপথ! (এটা) কক্ষনো (ভিত্তিহীন) না, চাঁদের কসম, كَلَّا وَ الْقَمَرِۙ﴿٣٢ ﴾
33 রাতের কসম, যখন তা সরে চলে যায়, শপথ রাতের, যখন তার অবসান ঘটে। রাতের কসম যখন তার অবসান হয়, وَ الَّیْلِ اِذْ اَدْبَرَۙ﴿٣٣ ﴾
34 প্রভাতের কসম, যখন তা উদ্ভাসিত হয়। শপথ প্রভাতকালের, যখন উহা হয় আলোকোজ্জ্বল। প্রভাতের কসম- যখন তা উজ্জ্বল হয়ে ওঠে, وَ الصُّبْحِ اِذَاۤ اَسْفَرَۙ﴿٣٤ ﴾
35 নিশ্চয় জাহান্নাম মহাবিপদসমূহের অন্যতম। নিশ্চয়ই জাহান্নাম ভয়াবহ বিপদসমূহের অন্যতম। এই জাহান্নাম বড় বড় বিপদগুলোর একটি, اِنَّهَا لَاِحْدَی الْكُبَرِۙ﴿٣٥ ﴾
36 মানুষের জন্য সতর্ককারীস্বরূপ। মানুষের জন্য সতর্ককারী। মানুষের জন্য সতর্ককারী, نَذِیْرًا لِّلْبَشَرِۙ﴿٣٦ ﴾
37 তোমাদের মধ্যে যে চায় অগ্রসর হতে অথবা পিছিয়ে থাকতে, তার জন্য। তোমাদের মধ্যে যে অগ্রসর হতে চায় কিংবা যে পিছিয়ে পড়ে, তার জন্য। তোমাদের মধ্যে যে (কল্যাণের পথে) এগিয়ে যেতে চায় অথবা পেছনে পড়ে থাকতে চায় তার জন্য لِمَنْ شَآءَ مِنْكُمْ اَنْ یَّتَقَدَّمَ اَوْ یَتَاَخَّرَؕ﴿٣٧ ﴾
38 প্রতিটি প্রাণ নিজ অর্জনের কারণে দায়বদ্ধ। প্রত্যেক ব্যক্তি নিজ কৃতকর্মের দায়ে আবদ্ধ। প্রত্যেক ব্যক্তি নিজ কৃতকর্মের দায়ে আবদ্ধ। كُلُّ نَفْسٍۭ بِمَا كَسَبَتْ رَهِیْنَةٌۙ﴿٣٨ ﴾
39 কিন্তু ডান দিকের লোকেরা নয়, তবে ডান পার্শ্বস্থ ব্যক্তিগণের নয়। কিন্তু ডান পাশের লোকেরা নয়। اِلَّاۤ اَصْحٰبَ الْیَمِیْنِؕۛ﴿٣٩ ﴾
40 বাগ-বাগিচার মধ্যে তারা একে অপরকে জিজ্ঞাসা করবে, তারা থাকবে উদ্যানে এবং তারা পরস্পরে জিজ্ঞাসাবাদ করবে – তারা থাকবে জান্নাতে। তারা পরস্পরকে জিজ্ঞেস করবে فِیْ جَنّٰتٍ ۛؕ۫ یَتَسَآءَلُوْنَۙ﴿٤٠ ﴾
41 অপরাধীদের সম্পর্কে, অপরাধীদের সম্পর্কে, অপরাধীদের সম্পর্কে عَنِ الْمُجْرِمِیْنَۙ﴿٤١ ﴾
42 কিসে তোমাদেরকে জাহান্নামের আগুনে প্রবেশ করাল? তোমাদেরকে কিসে জাহান্নামে নিক্ষেপ করেছে? ‘কিসে তোমাদেরকে জাহান্নামে নিয়ে গেছে? مَا سَلَكَكُمْ فِیْ سَقَرَ﴿٤٢ ﴾
43 তারা বলবে, ‘আমরা সালাত আদায়কারীদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিলাম না’। তারা বলবেঃ আমরা সালাত আদায় করতামনা – তারা বলবে, ‘আমরা নামায আদায়কারী লোকেদের মধ্যে শামিল ছিলাম না, قَالُوْا لَمْ نَكُ مِنَ الْمُصَلِّیْنَۙ﴿٤٣ ﴾
44 ‘আর আমরা অভাবগ্রস্তকে খাদ্য দান করতাম না’। আমরা অভাবগ্রস্তকে আহার্য দান করতামনা। আর মিসকীনদেরকে খাবার খাওয়াতাম না, وَ لَمْ نَكُ نُطْعِمُ الْمِسْكِیْنَۙ﴿٤٤ ﴾
45 ‘আর আমরা অনর্থক আলাপকারীদের সাথে (বেহুদা আলাপে) মগ্ন থাকতাম’। এবং আমরা আলোচনাকারীদের সাথে আলোচনায় নিমগ্ন থাকতাম – আর আমরা (সত্য পথের পথিকদের) সমালোচনা করতাম সমালোচনাকারীদের সঙ্গে (থেকে)। وَ كُنَّا نَخُوْضُ مَعَ الْخَآىِٕضِیْنَۙ﴿٤٥ ﴾
46 ‘আর আমরা প্রতিদান দিবসকে অস্বীকার করতাম’। আমরা কর্মফল দিন অস্বীকার করতাম – আমরা প্রতিফল দিবসকে অস্বীকার করতাম। وَ كُنَّا نُكَذِّبُ بِیَوْمِ الدِّیْنِۙ﴿٤٦ ﴾
47 'অবশেষে আমাদের কাছে মৃত্যু আগমন করে'। আমাদের নিকট মৃত্যুর আগমন পর্যন্ত। আমাদের নিকট নিশ্চিত বিশ্বাস (অর্থাৎ মৃত্যু) না আসা পর্যন্ত।’ حَتّٰۤی اَتٰىنَا الْیَقِیْنُؕ﴿٤٧ ﴾
48 অতএব সুপারিশকারীদের সুপারিশ তাদের কোন উপকার করবে না। ফলে সুপারিশকারীদের সুপারিশ তাদের কোন কাজে আসবেনা। তখন সুপারিশকারীদের সুপারিশ তাদের কোন কাজে আসবে না। فَمَا تَنْفَعُهُمْ شَفَاعَةُ الشّٰفِعِیْنَؕ﴿٤٨ ﴾
49 আর তাদের কী হয়েছে যে, তারা উপদেশ বাণী হতে বিমুখ? তাদের কি হয়েছে যে, তারা মুখ ফিরিয়ে নেয় উপদেশ হতে? তাদের হয়েছে কী যে তারা উপদেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে? فَمَا لَهُمْ عَنِ التَّذْكِرَةِ مُعْرِضِیْنَۙ﴿٤٩ ﴾
50 তারা যেন ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পলায়নরত বন্য গাধা। তারা যেন ভীত- সন্ত্রস্থ গর্দভ – তারা যেন ভয়ে সন্ত্রস্ত গাধা, كَاَنَّهُمْ حُمُرٌ مُّسْتَنْفِرَةٌۙ﴿٥٠ ﴾
51 যারা সিংহের ভয়ে পলায়ন করেছে। যা সিংহের সম্মুখ হতে পলায়নপর। সিংহের সামনে থেকে পালাচ্ছে। فَرَّتْ مِنْ قَسْوَرَةٍؕ﴿٥١ ﴾
52 বরং তাদের মধ্যকার প্রত্যেক ব্যক্তিই কামনা করে যে তাকে উন্মুক্ত গ্রন্থ প্রদান করা হোক। বস্তুতঃ তাদের প্রত্যেকেই কামনা করে যে, তাকে একটি উম্মুক্ত গ্রন্থ দেয়া হোক। বস্তুতঃ তাদের প্রত্যেকেই চায়, তাকে (আল্লাহর পক্ষ থেকে) খোলা চিঠি দেয়া হোক (এই মর্মে যে, তোমরা এই নবীকে মেনে নাও)। بَلْ یُرِیْدُ كُلُّ امْرِئٍ مِّنْهُمْ اَنْ یُّؤْتٰی صُحُفًا مُّنَشَّرَةًۙ﴿٥٢ ﴾
53 কখনও নয়! বরং তারা আখিরাতকে ভয় করে না। না ইহা হবার নয়, বরং তারাতো আখিরাতের ভয় পোষণ করেনা। না, তা কক্ষনো হতে পারে না, বরং (কথা এই যে) তারা আখিরাতকে ভয় করে না। كَلَّا ؕ بَلْ لَّا یَخَافُوْنَ الْاٰخِرَةَؕ﴿٥٣ ﴾
54 কখনও নয়! এটিতো উপদেশ মাত্র। কখনও না, এটাতো উপদেশ মাত্র। না, তা হতে পারে না, এটা (অর্থাৎ কুরআন সকলের জন্য) উপদেশবাণী। كَلَّاۤ اِنَّهٗ تَذْكِرَةٌۚ﴿٥٤ ﴾
55 অতএব যার ইচ্ছা সে তা থেকে উপদেশ গ্রহণ করুক। অতএব যার ইচ্ছা সে ইহা হতে উপদেশ গ্রহণ করুক। এক্ষনে যার ইচ্ছে তাত্থেকে শিক্ষা গ্রহণ করুক। فَمَنْ شَآءَ ذَكَرَهٗؕ﴿٥٥ ﴾
56 আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া কেউ উপদেশ গ্রহণ করতে পারে না। তিনিই ভয়ের যোগ্য এবং ক্ষমার অধিকারী। আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া কেহ উপদেশ গ্রহণ করবেনা, একমাত্র তিনিই ভয়ের যোগ্য এবং তিনিই ক্ষমা করার অধিকারী। আল্লাহর ইচ্ছে ব্যতীত কেউ উপদেশ গ্রহণ করবে না, তিনিই ভয়ের যোগ্য, তিনিই ক্ষমা করার অধিকারী। وَ مَا یَذْكُرُوْنَ اِلَّاۤ اَنْ یَّشَآءَ اللّٰهُ ؕ هُوَ اَهْلُ التَّقْوٰی وَ اَهْلُ الْمَغْفِرَةِ﴿٥٦ ﴾