۞ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ ۞
অনুবাদকে টিক দিন        


সমগ্র কুরআনে সার্চ করার জন্য আরবি অথবা বাংলা শব্দ দিন...


তথ্য খুজুন: যেমন মায়িদা x
সুরা লিস্ট দেখুন

সূরা নাম (Sura Name): �������� �������������� -- Al-Qiyama -- ������-���������������������������
Arabic Font Size:
আয়ত নাম্বার বায়ান ফাউন্ডেশন মুজিবুর রহমান তাইসীরুল কুরআন আরবি
1 আমি কসম করছি কিয়ামতের দিনের! আমি শপথ করছি কিয়ামাত দিবসের। আমি কসম করছি ক্বিয়ামতের দিনের, لَاۤ اُقْسِمُ بِیَوْمِ الْقِیٰمَةِۙ﴿١ ﴾
2 আমি আরো কসম করছি আত্ম-ভৎর্সনাকারী আত্মার! আরও শপথ করছি তিরস্কারকারী আত্মার। আমি আরো কসম করছি সেই মনের যে (অন্যায় কাজ ক’রে বসলে) নিজেকে ধিক্কার দেয় (যে তোমাদেরকে অবশ্যই আবার জীবিত করে উঠানো হবে)। وَ لَاۤ اُقْسِمُ بِالنَّفْسِ اللَّوَّامَةِؕ﴿٢ ﴾
3 মানুষ কি মনে করে যে, আমি কখনই তার অস্থিসমূহ একত্র করব না? মানুষ কি মনে করে যে, আমি তার অস্থিসমূহ একত্র করতে পারবনা? মানুষ কি মনে করে যে, আমি তার হাড়গুলোকে একত্রিত করতে পারব না। اَیَحْسَبُ الْاِنْسَانُ اَلَّنْ نَّجْمَعَ عِظَامَهٗؕ﴿٣ ﴾
4 হ্যাঁ, আমি তার আংগুলের অগ্রভাগসমূহও পুনর্বিন্যস্ত করতে সক্ষম। বস্তুতঃ আমি তার অঙ্গুলীর অগ্রভাগ পর্যন্ত পুনঃ বিন্যস্ত করতে সক্ষম। কেন নয়, আমি তার আঙ্গুলের ডগা পর্যন্ত সঠিকভাবে বানিয়ে দিতে সক্ষম بَلٰى قٰدِرِیْنَ عَلٰۤی اَنْ نُّسَوِّیَ بَنَانَهٗ﴿٤ ﴾
5 বরং মানুষ চায় ভবিষ্যতেও পাপাচার করতে। তবুও মানুষ তার সম্মুখে যা আছে তা অস্বীকার করতে চায়; কিন্তু মানুষ তার আগামী দিনগুলোতেও পাপাচার করতে চায়। بَلْ یُرِیْدُ الْاِنْسَانُ لِیَفْجُرَ اَمَامَهٗۚ﴿٥ ﴾
6 সে প্রশ্ন করে, ‘কবে কিয়ামতের দিন’? সে প্রশ্ন করেঃ কখন কিয়ামাত দিবস আসবে? সে জিজ্ঞেস করে, ‘ক্বিয়ামত দিবস কবে?’ یَسْـَٔلُ اَیَّانَ یَوْمُ الْقِیٰمَةِؕ﴿٦ ﴾
7 যখন চক্ষু হতচকিত হবে। যখন চক্ষু স্থির হয়ে যাবে। যখন চোখ ধাঁধিয়ে যাবে, فَاِذَا بَرِقَ الْبَصَرُۙ﴿٧ ﴾
8 আর চাঁদ কিরণহীন হবে, এবং চক্ষু হয়ে পড়বে জ্যোতিহীন। চাঁদ হয়ে যাবে আলোকহীন وَ خَسَفَ الْقَمَرُۙ﴿٨ ﴾
9 আর চাঁদ ও সূর্যকে একত্র করা হবে। যখন সূর্য ও চাঁদকে একত্র করা হবে। সুরুজ আর চাঁদকে একত্রে জুড়ে দেয়া হবে, وَ جُمِعَ الشَّمْسُ وَ الْقَمَرُۙ﴿٩ ﴾
10 সেদিন মানুষ বলবে, ‘পালাবার স্থান কোথায়’? সেদিন মানুষ বলবেঃ আজ পালানোর স্থান কোথায়? সেদিন মানুষ বলবে- ‘আজ পালানোর জায়গা কোথায়?’ یَقُوْلُ الْاِنْسَانُ یَوْمَىِٕذٍ اَیْنَ الْمَفَرُّۚ﴿١٠ ﴾
11 না, কোন আশ্রয়স্থল নেই। না, কোন আশ্রয়স্থল নেই। মোটেই না, আশ্রয়ের কোন জায়গা নেই। كَلَّا لَا وَزَرَؕ﴿١١ ﴾
12 ঠাঁই শুধু সেদিন তোমার রবের নিকট। সেদিন ঠাঁই হবে তোমার রবের নিকট। সেদিন ঠাঁই হবে (একমাত্র) তোমার প্রতিপালকেরই নিকট। اِلٰى رَبِّكَ یَوْمَىِٕذِ ِ۟الْمُسْتَقَرُّؕ﴿١٢ ﴾
13 সেদিন মানুষকে অবহিত করা হবে কী সে অগ্রে পাঠিয়েছিল এবং পশ্চাতে পাঠিয়েছিল। সেদিন মানুষকে অবহিত করা হবে সে কি অগ্রে পাঠিয়েছে এবং কি পশ্চাতে রেখে গেছে। সেদিন মানুষকে জানিয়ে দেয়া হবে সে কী (‘আমাল) আগে পাঠিয়েছে আর কী পেছনে ছেড়ে এসেছে। یُنَبَّؤُا الْاِنْسَانُ یَوْمَىِٕذٍۭ بِمَا قَدَّمَ وَ اَخَّرَؕ﴿١٣ ﴾
14 বরং মানুষ তার নিজের উপর দৃষ্টিমান। বস্তুতঃ মানুষ নিজের সম্বন্ধে সম্যক অবগত। আসলে মানুষ নিজেই নিজের সম্পর্কে চাক্ষুসভাবে অবগত। بَلِ الْاِنْسَانُ عَلٰى نَفْسِهٖ بَصِیْرَةٌۙ﴿١٤ ﴾
15 যদিও সে নানা অজুহাত পেশ করে থাকে। যদিও সে নানা অজুহাতের অবতারণা করে। যদিও সে নানান অজুহাত পেশ করে। وَّ لَوْ اَلْقٰى مَعَاذِیْرَهٗؕ﴿١٥ ﴾
16 কুরআন তাড়াতাড়ি আয়ত্ত করার উদ্দেশ্যে তুমি তোমার জিহবাকে দ্রুত আন্দোলিত করো না। তাড়াতাড়ি অহী আয়ত্ত্ব করার জন্য তুমি তোমার জিহবা দ্রুততার সাথে সঞ্চালন করনা। (এ সূরাহ অবতীর্ণ হওয়ার সময় আল্লাহর রসূল তা মুখস্থ করার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়লে আল্লাহ অভয় দিয়ে বললেন) তুমি তাড়াতাড়ি ওয়াহী আয়ত্ত করার জন্য তোমার জিভ নাড়াবে না। لَا تُحَرِّكْ بِهٖ لِسَانَكَ لِتَعْجَلَ بِهٖؕ﴿١٦ ﴾
17 নিশ্চয়ই এর সংরক্ষণ ও পাঠ আমার দায়িত্বে। ইহা সংরক্ষণ ও পাঠ করানোর দায়িত্ব আমারই। এর সংরক্ষণ ও পড়ানোর দায়িত্ব আমারই। اِنَّ عَلَیْنَا جَمْعَهٗ وَ قُرْاٰنَهٗۚۖ﴿١٧ ﴾
18 অতঃপর যখন আমি তা পাঠ করি তখন তুমি তার পাঠের অনুসরণ কর। সুতরাং যখন আমি উহা পাঠ করাই তুমি সেই পাঠের অনুসরণ কর। কাজেই আমি যখন তা পাঠ করি, তখন তুমি সে পাঠের অনুসরণ কর। فَاِذَا قَرَاْنٰهُ فَاتَّبِعْ قُرْاٰنَهٗۚ﴿١٨ ﴾
19 তারপর তার বর্ণনার দায়িত্ব আমারই। অতঃপর এর বিশদ ব্যাখ্যার দায়িত্ব আমারই। অতঃপর তা (ওয়াহীয়ে খফী বা প্রচ্ছন্ন ওয়াহীর মাধ্যমে) বিশদভাবে ব্যাখ্যা করা আমারই দায়িত্ব। ثُمَّ اِنَّ عَلَیْنَا بَیَانَهٗؕ﴿١٩ ﴾
20 কখনো না, বরং তোমরা দুনিয়ার জীবনকে ভালবাস। না, তোমরা প্রকৃত পক্ষে পার্থিব জীবনকে ভালবাস। (আবার পূর্বের প্রসঙ্গে ফিরে গিয়ে আল্লাহ বলছেন) না, প্রকৃতপক্ষে তোমরা ইহজীবনকেই ভালবাস, كَلَّا بَلْ تُحِبُّوْنَ الْعَاجِلَةَۙ﴿٢٠ ﴾
21 আর তোমরা ছেড়ে দিচ্ছ আখিরাতকে। এবং আখিরাতকে উপেক্ষা কর। আর আখিরাতকে উপেক্ষা কর। وَ تَذَرُوْنَ الْاٰخِرَةَؕ﴿٢١ ﴾
22 সেদিন কতক মুখমন্ডল হবে হাস্যোজ্জ্বল। সেদিন কোন কোন মুখমন্ডল উজ্জ্বল হবে। কতক মুখ সেদিন উজ্জ্বল হবে। وُجُوْهٌ یَّوْمَىِٕذٍ نَّاضِرَةٌۙ﴿٢٢ ﴾
23 তাদের রবের প্রতি দৃষ্টিনিক্ষেপকারী। তারা তাদের রবের দিকে তাকিয়ে থাকবে। তারা তাদের প্রতিপালকের দিকে তাকিয়ে থাকবে। اِلٰى رَبِّهَا نَاظِرَةٌۚ﴿٢٣ ﴾
24 আর সেদিন অনেক মুখমন্ডল হবে বিবর্ণ-বিষন্ন। কোন কোন মুখমন্ডল হয়ে পড়বে বিবর্ণ। কতক মুখ সেদিন বিবর্ণ হবে। وَ وُجُوْهٌ یَّوْمَىِٕذٍۭ بَاسِرَةٌۙ﴿٢٤ ﴾
25 তারা ধারণা করবে যে, এক বিপর্যয় তাদের উপর আপতিত করা হবে। এবং এই আশংকায় যে, এক ধ্বংসকারী বিপর্যয় আসন্ন। তারা ধারণা করবে যে, তাদের সঙ্গে কোমর-ভাঙ্গা আচরণ করা হবে। تَظُنُّ اَنْ یُّفْعَلَ بِهَا فَاقِرَةٌؕ﴿٢٥ ﴾
26 কখনই না, যখন প্রাণ কণ্ঠাগত হবে। যখন প্রাণ কন্ঠাগত হবে। (তোমরা যে ভাবছ ক্বিয়ামত হবে না সেটা) কক্ষনো নয়, প্রাণ যখন কণ্ঠে এসে পৌঁছবে, كَلَّاۤ اِذَا بَلَغَتِ التَّرَاقِیَۙ﴿٢٦ ﴾
27 আর বলা হবে, ‘কে তাকে বাঁচাবে’? এবং বলা হবেঃ কে তাকে রক্ষা করবে? তখন বলা হবে, (তাকে বাঁচানোর জন্য) ঝাড়ফুঁক দেয়ার কেউ আছে কি? وَ قِیْلَ مَنْ ٚ رَاقٍۙ﴿٢٧ ﴾
28 আর সে মনে করবে, এটিই বিদায়ক্ষণ। তখন তার প্রত্যয় হবে যে, উহা বিদায়ক্ষণ। সে (অর্থাৎ মুমূর্ষু ব্যক্তি) মনে করবে যে, (দুনিয়া হতে) বিদায়ের ক্ষণ এসে গেছে। وَّ ظَنَّ اَنَّهُ الْفِرَاقُۙ﴿٢٨ ﴾
29 আর পায়ের গোছার সংগে পায়ের গোছা জড়িয়ে যাবে। এবং পায়ের সংগে পা জড়িয়ে যাবে। আর জড়িয়ে যাবে এক পায়ের নলা আরেক পায়ের নলার সাথে। وَ الْتَفَّتِ السَّاقُ بِالسَّاقِۙ﴿٢٩ ﴾
30 সেদিন তোমার রবের কাছেই সকলকে হাঁকিয়ে নেয়া হবে। সেদিন তোমার রবের নিকট সমস্ত কিছু প্রত্যানীত হবে। সেদিন (সব কিছুর) যাত্রা হবে তোমার প্রতিপালকের পানে। اِلٰى رَبِّكَ یَوْمَىِٕذِ ِ۟الْمَسَاقُ ؕ۠﴿٣٠ ﴾
31 সুতরাং সে বিশ্বাসও করেনি এবং সালাতও আদায় করেনি। সে বিশ্বাস করেনি এবং সালাত আদায় করেনি। কিন্তু না, সে বিশ্বাসও করেনি, নামাযও আদায় করেনি। فَلَا صَدَّقَ وَ لَا صَلّٰىۙ﴿٣١ ﴾
32 বরং সে সত্য প্রত্যাখ্যান করেছিল এবং ফিরে গিয়েছিল। বরং সে প্রত্যাখ্যান করেছিল ও মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল। বরং সে প্রত্যাখ্যান করেছিল আর মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল। وَ لٰكِنْ كَذَّبَ وَ تَوَلّٰىۙ﴿٣٢ ﴾
33 তারপর সে দম্ভভরে পরিবার-পরিজনের কাছে চলে গিয়েছিল। অতঃপর সে তার পরিবার পরিজনের নিকট ফিরে গিয়েছিল দম্ভভরে। অতঃপর সে অতি দম্ভভরে তার পরিবারবর্গের কাছে ফিরে গিয়েছিল। ثُمَّ ذَهَبَ اِلٰۤی اَهْلِهٖ یَتَمَطّٰىؕ﴿٣٣ ﴾
34 দুর্ভোগ তোমার জন্য এবং দুর্ভোগ! তোমার দুর্ভোগের উপর দুর্ভোগ! দুর্ভোগ তোমার জন্য, দুর্ভোগ, اَوْلٰى لَكَ فَاَوْلٰىۙ﴿٣٤ ﴾
35 তারপরও দুর্ভোগ তোমার জন্য এবং দুর্ভোগ! আবার তোমার দুর্ভোগের উপর দুর্ভোগ! অতঃপর তোমার জন্য দুর্ভোগের উপর দুর্ভোগ। ثُمَّ اَوْلٰى لَكَ فَاَوْلٰىؕ﴿٣٥ ﴾
36 মানুষ কি মনে করে যে, তাকে এমনি ছেড়ে দেয়া হবে? মানুষ কি মনে করে যে, তাকে নিরর্থক ছেড়ে দেয়া হবে? মানুষ কি মনে করে নিয়েছে যে তাকে এমনি ছেড়ে দেয়া হবে। (তাকে পুনর্জীবিত করাও হবে না, আর বিচারের জন্য হাজির করাও হবে না)? اَیَحْسَبُ الْاِنْسَانُ اَنْ یُّتْرَكَ سُدًیؕ﴿٣٦ ﴾
37 সে কি বীর্যের শুক্রবিন্দু ছিল না যা স্খলিত হয়? সে কি স্খলিত শুক্রবিন্দু ছিলনা? (তার মৃত্যুর পর আল্লাহ পুনরায় তাকে জীবিত করতে পারবেন না সে এটা কী ভাবে ধারণা করছে?) সে কি (মায়ের গর্ভে) নিক্ষিপ্ত শুক্রবিন্দু ছিল না? اَلَمْ یَكُ نُطْفَةً مِّنْ مَّنِیٍّ یُّمْنٰىۙ﴿٣٧ ﴾
38 অতঃপর সে ‘আলাকায় পরিণত হয়। তারপর আল্লাহ তাকে সুন্দর আকৃতিতে সৃষ্টি করেছেন এবং সুবিন্যস্ত করেছেন। অতঃপর সে রক্তপিন্ডে পরিণত হয়। তারপর আল্লাহ তাকে আকৃতি দান করেন ও সুঠাম করেন। তারপর সে হল রক্তপিন্ড, অতঃপর আল্লাহ তাকে সৃষ্টি করলেন ও সুবিন্যস্ত করলেন। ثُمَّ كَانَ عَلَقَةً فَخَلَقَ فَسَوّٰىۙ﴿٣٨ ﴾
39 অতঃপর তিনি তা থেকে সৃষ্টি করেন জোড়ায় জোড়ায় পুরুষ ও নারী। অতঃপর তিনি তা হতে সৃষ্টি করেন যুগল নর ও নারী। অতঃপর তাথেকে তিনি সৃষ্টি করলেন জুড়ি- পুরুষ ও নারী। فَجَعَلَ مِنْهُ الزَّوْجَیْنِ الذَّكَرَ وَ الْاُنْثٰىؕ﴿٣٩ ﴾
40 তিনি কি মৃতদের জীবিত করতে সক্ষম নন? তবুও কি সেই স্রষ্টা মৃতকে পুনর্জীবিত করতে সক্ষম নন? এহেন স্রষ্টা কি মৃতকে আবার জীবিত করতে সক্ষম নন? اَلَیْسَ ذٰلِكَ بِقٰدِرٍ عَلٰۤی اَنْ یُّحْیِ َۧ الْمَوْتٰى﴿٤٠ ﴾