۞ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ ۞
অনুবাদকে টিক দিন        


সমগ্র কুরআনে সার্চ করার জন্য আরবি অথবা বাংলা শব্দ দিন...


তথ্য খুজুন: যেমন মায়িদা x
সুরা লিস্ট দেখুন

সূরা নাম (Sura Name): �������� ���������������� -- Al-Mursalat -- ������-������������������������
Arabic Font Size:
আয়ত নাম্বার বায়ান ফাউন্ডেশন মুজিবুর রহমান তাইসীরুল কুরআন আরবি
1 কসম কল্যাণের উদ্দেশ্যে প্রেরিত বাতাসের, শপথ কল্যাণ স্বরূপ প্রেরিত বায়ুর; পর পর পাঠানো বাতাসের শপথ যা উপকার সাধন করে, وَ الْمُرْسَلٰتِ عُرْفًاۙ﴿١ ﴾
2 আর প্রচন্ড বেগে প্রবাহিত ঝঞ্ঝার। আর প্রলয়ঙ্করী ঝটিকার; অতঃপর তা প্রচন্ড ঝড়ের বেগে বইতে থাকে, فَالْعٰصِفٰتِ عَصْفًاۙ﴿٢ ﴾
3 কসম মেঘমালা ও বৃষ্টি বিক্ষিপ্তকারী বায়ুর, শপথ সঞ্চালনকারী বায়ুর; শপথ সেই বায়ুর যা (মেঘমালাকে) ছড়িয়ে দেয় দূর দূরান্তে, وَّ النّٰشِرٰتِ نَشْرًاۙ﴿٣ ﴾
4 আর সুস্পষ্টরূপে পার্থক্যকারীর (আল-কুরআনের আয়াতের)। আর মেঘপুঞ্জ বিচ্ছিন্নকারী বায়ুর। আর বিচ্ছিন্নকারী বাতাসের শপথ যা (মেঘমালাকে) বিচ্ছিন্ন করে, فَالْفٰرِقٰتِ فَرْقًاۙ﴿٤ ﴾
5 অতঃপর কসম, উপদেশগ্রন্থ আনয়নকারী (ফেরেশতাদের), এবং তার, যে মানুষের অন্তরে পৌঁছে দেয় উপদেশ – অতঃপর (মানুষের অন্তরে) পৌঁছে দেয় (আল্লাহর) স্মরণ, فَالْمُلْقِیٰتِ ذِكْرًاۙ﴿٥ ﴾
6 অজুহাত দূরকারী ও সতর্ককারী। অনুশোচনা স্বরূপ অথবা সতর্কতা স্বরূপ। (বিশ্বাসী লোকদেরকে) ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ দেয়ার জন্য আর (কাফিরদেরকে) সতর্ক করার জন্য। عُذْرًا اَوْ نُذْرًاۙ﴿٦ ﴾
7 তোমাদেরকে যা কিছুর ওয়াদা দেয়া হয়েছে তা অবশ্যই ঘটবে। নিশ্চয়ই তোমাদেরকে যে প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে তা অবশ্যম্ভাবী। তোমাদেরকে যার ও‘য়াদা দেয়া হয়েছে তা অবশ্যই সংঘটিত হবে। اِنَّمَا تُوْعَدُوْنَ لَوَاقِعٌؕ﴿٧ ﴾
8 যখন তারকারাজি আলোহীন হবে, যখন নক্ষত্ররাজির আলো নির্বাপিত হবে, যখন নক্ষত্ররাজির আলো বিলুপ্ত হবে, فَاِذَا النُّجُوْمُ طُمِسَتْۙ﴿٨ ﴾
9 আর আকাশ বিদীর্ণ হবে, যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে, যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে, وَ اِذَا السَّمَآءُ فُرِجَتْۙ﴿٩ ﴾
10 আর যখন পাহাড়গুলি চূর্ণবিচূর্ণ হবে, এবং যখন পর্বতমালা উম্মুলিত ও বিক্ষিপ্ত হবে, যখন পবর্তমালা ধুনিত হবে। وَ اِذَا الْجِبَالُ نُسِفَتْۙ﴿١٠ ﴾
11 আর যখন রাসূলদেরকে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত করা হবে; এবং রাসূলগণের নিরূপিত সময় উপস্থিত হবে। যখন (হাশরের মাঠে) রসূলগণের একত্রিত হওয়ার সময় এসে পড়বে। وَ اِذَا الرُّسُلُ اُقِّتَتْؕ﴿١١ ﴾
12 কোন্ দিনের জন্য এসব স্থগিত করা হয়েছিল? এই সমূদয় স্থগিত রাখা হয়েছে কোন দিনের জন্য? (এ সব বিষয়) কোন দিনের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে? لِاَیِّ یَوْمٍ اُجِّلَتْؕ﴿١٢ ﴾
13 বিচার দিনের জন্য। বিচার দিনের জন্য। চূড়ান্ত ফয়সালার দিনের জন্য। لِیَوْمِ الْفَصْلِۚ﴿١٣ ﴾
14 আর কিসে তোমাকে জানাবে বিচার দিবস কী? বিচার দিন সম্বন্ধে তুমি জান কি? সেই চূড়ান্ত ফয়সালার দিনটি কী তা তোমাকে কিসে জানাবে? وَ مَاۤ اَدْرٰىكَ مَا یَوْمُ الْفَصْلِؕ﴿١٤ ﴾
15 মিথ্যারোপকারীদের জন্য সেদিনের দুর্ভোগ! সেদিন দুর্ভোগ মিথ্যা আরোপকারীদের জন্য। সে দিন দুর্ভোগ সত্য প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্য। وَیْلٌ یَّوْمَىِٕذٍ لِّلْمُكَذِّبِیْنَ﴿١٥ ﴾
16 আমি কি পূর্ববর্তীদেরকে ধ্বংস করিনি? আমি কি পূর্ববর্তীদেরকে ধ্বংস করিনি? আমি কি আগেকার লোকেদেরকে ধ্বংস করে দেইনি? اَلَمْ نُهْلِكِ الْاَوَّلِیْنَؕ﴿١٦ ﴾
17 তারপর পরবর্তীদেরকে তাদের অনুসারী বানাই। অতঃপর আমি পরবর্তীদেরকে তাদের অনুগামী করব। অতঃপর পরবর্তী লোকেদেরকেও আমি তাদের অনুগামী করব। ثُمَّ نُتْبِعُهُمُ الْاٰخِرِیْنَ﴿١٧ ﴾
18 অপরাধীদের সাথে আমি এমনই করে থাকি। অপরাধীদের প্রতি আমি এরূপই করে থাকি। অপরাধীদের প্রতি আমি এরকমই করে থাকি। كَذٰلِكَ نَفْعَلُ بِالْمُجْرِمِیْنَ﴿١٨ ﴾
19 মিথ্যারোপকারীদের জন্য সেদিনের ধ্বংস! সেদিন দুর্ভোগ মিথ্যা আরোপকারীদের জন্য। সে দিন দুর্ভোগ সত্য প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্য। وَیْلٌ یَّوْمَىِٕذٍ لِّلْمُكَذِّبِیْنَ﴿١٩ ﴾
20 আমি কি তোমাদেরকে তুচ্ছ পানি দিয়ে সৃষ্টি করিনি? আমি কি তোমাদেরকে তুচ্ছ পানি হতে সৃষ্টি করিনি? আমি কি নগণ্য পানি থেকে তোমাদেরকে সৃষ্টি করিনি? اَلَمْ نَخْلُقْكُّمْ مِّنْ مَّآءٍ مَّهِیْنٍۙ﴿٢٠ ﴾
21 অতঃপর তা আমি রেখেছি সুরক্ষিত আধারে অতঃপর আমি তা স্থাপন করেছি নিরাপদ আধারে। অতঃপর আমি তা রেখেছি এক সুসংরক্ষিত স্থানে। فَجَعَلْنٰهُ فِیْ قَرَارٍ مَّكِیْنٍۙ﴿٢١ ﴾
22 একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত। এক নির্দিষ্ট কাল পর্যন্ত। একটা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত, اِلٰی قَدَرٍ مَّعْلُوْمٍۙ﴿٢٢ ﴾
23 অতঃপর আমি পরিমাপ করেছি। আর আমিই উত্তম পরিমাপকারী। আমি এটাকে গঠন করেছি পরিমিতভাবে, আমি কত নিপুণ স্রষ্টা। অতঃপর আমি তাকে গঠন করেছি সুসামঞ্জস্যপূর্ণরূপে, আমি কতই না উত্তম ক্ষমতার অধিকারী! فَقَدَرْنَا ۖۗ فَنِعْمَ الْقٰدِرُوْنَ﴿٢٣ ﴾
24 মিথ্যারোপকারীদের জন্য সেদিনের দুর্ভোগ! সেদিন দুর্ভোগ মিথ্যা আরোপকারীদের জন্য। সে দিন দুর্ভোগ সত্য প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্য। وَیْلٌ یَّوْمَىِٕذٍ لِّلْمُكَذِّبِیْنَ﴿٢٤ ﴾
25 আমি কি ভূমিকে ধারণকারী বানাইনি আমি কি ভূমিকে সৃষ্টি করিনি ধারণকারী রূপে – আমি কি পৃথিবীকে (সব কিছুকে টেনে গুটিয়ে) ধারণকারীরূপে সৃষ্টি করিনি? اَلَمْ نَجْعَلِ الْاَرْضَ كِفَاتًاۙ﴿٢٥ ﴾
26 জীবিত ও মৃতদেরকে? জীবিত ও মৃতের জন্য? জীবিত ও মৃতদেরকে (ভাল আর মন্দকে নেককার আর পাপাচারীকে)। اَحْیَآءً وَّ اَمْوَاتًاۙ﴿٢٦ ﴾
27 আর এখানে স্থাপন করেছি সুদৃঢ় ও সুউচ্চ পর্বত এবং তোমাদেরকে পান করিয়েছি সুপেয় পানি। আমি তাতে স্থাপন করেছি সুদৃঢ় উচ্চ পর্বতমালা এবং তোমাদেরকে দিয়েছি সুপেয় পানি। আর আমি তাতে স্থাপন করেছি অনড় সুউচ্চ পবর্তমালা আর তোমাদেরকে পান করিয়েছি সুমিষ্ট সুপেয় পানি। وَّ جَعَلْنَا فِیْهَا رَوَاسِیَ شٰمِخٰتٍ وَّ اَسْقَیْنٰكُمْ مَّآءً فُرَاتًاؕ﴿٢٧ ﴾
28 মিথ্যারোপকারীদের জন্য সেদিনের দুর্ভোগ! সেদিন দুর্ভোগ মিথ্যা আরোপকারীদের জন্য। সেদিন দুর্ভোগ সত্য প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্য। وَیْلٌ یَّوْمَىِٕذٍ لِّلْمُكَذِّبِیْنَ﴿٢٨ ﴾
29 (তাদেরকে বলা হবে), তোমরা যা অস্বীকার করতে সেদিকে গমন কর। তোমরা যাকে অস্বীকার করতে, চল তারই দিকে। (তাদেরকে বলা হবে) ‘চলো তার দিকে তোমরা যাকে মিথ্যে ব’লে প্রত্যাখ্যান করতে। اِنْطَلِقُوْۤا اِلٰی مَا كُنْتُمْ بِهٖ تُكَذِّبُوْنَۚ﴿٢٩ ﴾
30 যাও তিন শাখা বিশিষ্ট আগুনের ছায়ায়, চল তিন কুন্ডল বিশিষ্ট ছায়ার দিকে। ‘চলো সেই (ধোঁয়ার) ছায়ার দিকে যার আছে তিনটি শাখা (অর্থাৎ ডানে, বামে, উপরে সব দিক থেকেই ঘিরে ধরবে), اِنْطَلِقُوْۤا اِلٰی ظِلٍّ ذِیْ ثَلٰثِ شُعَبٍۙ﴿٣٠ ﴾
31 যা ছায়াদানকারী নয় এবং তা জাহান্নামের জ্বলন্ত অগ্নিশিখার মোকাবেলায় কোন কাজেও আসবে না। যে ছায়া শীতল নয় এবং যা রক্ষা করেনা অগ্নি শিখা হতে। যা শীতল নয়, আর তা লেলিহান অগ্নিশিখা থেকে বাঁচাতেও পারবে না। لَّا ظَلِیْلٍ وَّ لَا یُغْنِیْ مِنَ اللَّهَبِؕ﴿٣١ ﴾
32 নিশ্চয় তা (জাহান্নাম) ছড়াবে প্রাসাদসম স্ফুলিঙ্গ। ইহা উৎক্ষেপ করবে অট্টালিকা তুল্য বৃহৎ স্ফুলিংগ। সে আগুন প্রাসাদের ন্যায় (বিশাল) স্ফুলিঙ্গ উৎক্ষেপ করবে, اِنَّهَا تَرْمِیْ بِشَرَرٍ كَالْقَصْرِۚ﴿٣٢ ﴾
33 তা যেন হলুদ উষ্ট্রী। উহা পীতবর্ণ উষ্ট্রশ্রেণী সদৃশ। যেন হলুদ রঙ্গের উটের সারি, كَاَنَّهٗ جِمٰلَتٌ صُفْرٌؕ﴿٣٣ ﴾
34 মিথ্যারোপকারীদের জন্য সেদিনের দুর্ভোগ! সেদিন দুর্ভোগ মিথ্যা আরোপকারীদের জন্য। সেদিন দুর্ভোগ সত্য প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্য। وَیْلٌ یَّوْمَىِٕذٍ لِّلْمُكَذِّبِیْنَ﴿٣٤ ﴾
35 এটা এমন দিন যেদিন তারা কথা বলবে না। ইহা এমন একদিন যেদিন কারও বাকস্ফুর্তি হবেনা। এদিন এমন যে, কেউ কথা বলতে পারবে না, هٰذَا یَوْمُ لَا یَنْطِقُوْنَۙ﴿٣٥ ﴾
36 আর তাদেরকে অজুহাত পেশ করার অনুমতিও দেয়া হবে না । এবং তাদেরকে ওযর পেশ করার অনুমতি দেয়া হবেনা। তাদেরকে কোন ওজর পেশ করারও সুযোগ দেয়া হবে না। وَ لَا یُؤْذَنُ لَهُمْ فَیَعْتَذِرُوْنَ﴿٣٦ ﴾
37 মিথ্যারোপকারীদের জন্য সেদিনের ধ্বংস! সেদিন দুর্ভোগ মিথ্যা আরোপকারীদের জন্য। সেদিন দুর্ভোগ সত্য প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্য। وَیْلٌ یَّوْمَىِٕذٍ لِّلْمُكَذِّبِیْنَ﴿٣٧ ﴾
38 এটি ফয়সালার দিন; তোমাদেরকে ও পূর্ববর্তীদেরকে আমি একত্র করেছি। ইহাই ফাইসালার দিন, আমি একত্রিত করব তোমাদেরকে এবং পূর্ববর্তীদেরকে। এটা চূড়ান্ত ফয়সালার দিন, আমি একত্রিত করেছি তোমাদেরকে আর আগের লোকেদেরকে। هٰذَا یَوْمُ الْفَصْلِ ۚ جَمَعْنٰكُمْ وَ الْاَوَّلِیْنَ﴿٣٨ ﴾
39 তোমাদের কোন কৌশল থাকলে আমার বিরুদ্ধে প্রয়োগ কর। তোমাদের কোন অপকৌশল থাকলে তা প্রয়োগ কর আমার বিরুদ্ধে। এক্ষণে তোমাদের কাছে যদি কোন কৌশল থাকে তাহলে তা আমার বিরুদ্ধে প্রয়োগ কর। فَاِنْ كَانَ لَكُمْ كَیْدٌ فَكِیْدُوْنِ﴿٣٩ ﴾
40 মিথ্যারোপকারীদের জন্য সেদিনের দুর্ভোগ! সেদিন দুর্ভোগ মিথ্যা আরোপকারীদের জন্য। সেদিন দুর্ভোগ সত্য প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্য। وَیْلٌ یَّوْمَىِٕذٍ لِّلْمُكَذِّبِیْنَ﴿٤٠ ﴾
41 নিশ্চয় মুত্তাকীরা থাকবে ছায়া ও ঝর্ণাবহুল স্থানে, মুত্তাকীরা থাকবে ছায়ায় ও প্রস্রবণ বহুল স্থানে। মুত্তাকীরা থাকবে ছায়া আর ঝর্ণাধারার মাঝে, اِنَّ الْمُتَّقِیْنَ فِیْ ظِلٰلٍ وَّ عُیُوْنٍۙ﴿٤١ ﴾
42 আর নিজদের বাসনানুযায়ী ফলমূল-এর মধ্যে। তাদের বাঞ্ছিত ফলমূলের প্রাচুর্যের মধ্যে। আর তাদের জন্য থাকবে ফলমূল- যেটি তাদের মন চাইবে। وَّ فَوَاكِهَ مِمَّا یَشْتَهُوْنَؕ﴿٤٢ ﴾
43 (তাদেরকে বলা হবে) ‘তোমরা যে আমল করতে তার প্রতিদানস্বরূপ তৃপ্তির সাথে পানাহার কর; তোমাদের কর্মের পুরস্কার স্বরূপ তোমরা তৃপ্তির সাথে পানাহার কর। (তাদেরকে বলা হবে) ‘তোমরা তৃপ্তির সঙ্গে খাও আর পান কর, তোমরা যে ‘আমাল করেছিলে তার পুরস্কারস্বরূপ। كُلُوْا وَ اشْرَبُوْا هَنِیْٓـًٔۢا بِمَا كُنْتُمْ تَعْمَلُوْنَ﴿٤٣ ﴾
44 সৎকর্মশীলদের আমরা এমন-ই প্রতিদান দিয়ে থাকি। এভাবে আমি সৎ কর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করে থাকি। সৎকর্মশীলদেরকে আমি এভাবেই প্রতিফল দিয়ে থাকি। اِنَّا كَذٰلِكَ نَجْزِی الْمُحْسِنِیْنَ﴿٤٤ ﴾
45 মিথ্যারোপকারীদের জন্য সেদিনের দুর্ভোগ! সেদিন দুর্ভোগ মিথ্যা আরোপকারীদের জন্য। সেদিন দুর্ভোগ সত্য প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্য। وَیْلٌ یَّوْمَىِٕذٍ لِّلْمُكَذِّبِیْنَ﴿٤٥ ﴾
46 (হে কাফিররা!) তোমরা আহার কর এবং ভোগ কর ক্ষণকাল; নিশ্চয় তোমরা অপরাধী। তোমরা পানাহার কর এবং ভোগ করে লও অল্প কিছুদিন, তোমরাতো অপরাধী। (ওহে সত্য প্রত্যাখ্যানকারীরা!) তোমরা অল্প কিছুকাল খেয়ে নাও আর ভোগ করে নাও, তোমরা তো অপরাধী। كُلُوْا وَ تَمَتَّعُوْا قَلِیْلًا اِنَّكُمْ مُّجْرِمُوْنَ﴿٤٦ ﴾
47 মিথ্যারোপকারীদের জন্য সেদিনের ধ্বংস! সেদিন দুর্ভোগ মিথ্যা আরোপকারীদের জন্য। সেদিন দুর্ভোগ সত্য প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্য। وَیْلٌ یَّوْمَىِٕذٍ لِّلْمُكَذِّبِیْنَ﴿٤٧ ﴾
48 তাদেরকে যখন বলা হয় ‘রুকূ‘ কর,’ তখন তারা রুকূ‘ করত না। যখন তাদেরকে বলা হয়ঃ ‘আল্লাহর প্রতি নত হও’, তারা নত হয়না। তাদেরকে যখন বলা হয় (আল্লাহর সম্মুখে) নত হও, (তাঁর আদেশসমূহ পালনের মাধ্যমে) তখন তারা নত হয় না। وَ اِذَا قِیْلَ لَهُمُ ارْكَعُوْا لَا یَرْكَعُوْنَ﴿٤٨ ﴾
49 মিথ্যারোপকারীদের জন্য সেদিনের দুর্ভোগ! সেদিন দুর্ভোগ অস্বীকারকারীদের জন্য। সেদিন দুর্ভোগ সত্য প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্য। وَیْلٌ یَّوْمَىِٕذٍ لِّلْمُكَذِّبِیْنَ﴿٤٩ ﴾
50 সুতরাং কুরআনের পরিবর্তে আর কোন্ বাণীর প্রতি তারা ঈমান আনবে? সুতরাং তারা কোন্ কথায় এরপর বিশ্বাস স্থাপন করবে? তাহলে কুরআনের পর (তার চেয়ে উত্তম) আর কোন্ কিতাব আছে যার উপর তারা ঈমান আনবে? فَبِاَیِّ حَدِیْثٍۭ بَعْدَهٗ یُؤْمِنُوْنَ﴿٥٠ ﴾