۞ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ ۞
অনুবাদকে টিক দিন        


সমগ্র কুরআনে সার্চ করার জন্য আরবি অথবা বাংলা শব্দ দিন...


তথ্য খুজুন: যেমন মায়িদা x
সুরা লিস্ট দেখুন

সূরা নাম (Sura Name): �������� ���������� -- An-Naba' -- ������-������������
Arabic Font Size:
আয়ত নাম্বার বায়ান ফাউন্ডেশন মুজিবুর রহমান তাইসীরুল কুরআন আরবি
1 কোন্ বিষয় সম্পর্কে তারা পরস্পর জিজ্ঞাসাবাদ করছে ? তারা পরস্পর কোন্ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে? লোকেরা কোন বিষয়ে একে অন্যের কাছে জিজ্ঞাসাবাদ করছে? عَمَّ یَتَسَآءَلُوْنَۚ﴿١ ﴾
2 মহাসংবাদটি সম্পর্কে, সেই মহান সংবাদ সম্বন্ধে – (ক্বিয়ামত সংঘটিত হওয়ার) সেই মহা সংবাদের বিষয়ে, عَنِ النَّبَاِ الْعَظِیْمِۙ﴿٢ ﴾
3 যে বিষয়ে তারা মতভেদ করছে। যে বিষয়ে তারা মতবিরোধ করে থাকে! যে বিষয়ে তাদের মাঝে মতপার্থক্য আছে। الَّذِیْ هُمْ فِیْهِ مُخْتَلِفُوْنَؕ﴿٣ ﴾
4 কখনো না, অচিরেই তারা জানতে পারবে। কখনই না, তাদের ধারণা অবাস্তব, তারা শীঘ্রই জানতে পারবে। কক্ষনো না, (তারা যা ধারণা করে তা একেবারে, অলীক ও অবাস্তব), তারা শীঘ্রই জানতে পারবে। كَلَّا سَیَعْلَمُوْنَۙ﴿٤ ﴾
5 তারপর কখনো না, তারা অচিরেই জানতে পারবে। আবার বলি, কখনই না, তারা অচিরেই অবগত হবে। আবার বলছি, কক্ষনো না (তাদের ধারণা একেবারে অলীক ও অবাস্তব), তারা শীঘ্রই জানতে পারবে। ثُمَّ كَلَّا سَیَعْلَمُوْنَ﴿٥ ﴾
6 আমি কি বানাইনি যমীনকে শয্যা? আমি কি পৃথিবীকে শয্যা (রূপে) নির্মাণ করিনি? (আমি যে সব কিছুকে দ্বিতীয়বার সৃষ্টি করতে সক্ষম তা তোমরা অস্বীকার করছ কীভাবে) আমি কি যমীনকে (তোমাদের জন্য) শয্যা বানাইনি? اَلَمْ نَجْعَلِ الْاَرْضَ مِهٰدًاۙ﴿٦ ﴾
7 আর পর্বতসমূহকে পেরেক? এবং পর্বতসমূহকে কীলক রূপে নির্মাণ করিনি? আর পর্বতগুলোকে কীলক (বানাইনি)? وَّ الْجِبَالَ اَوْتَادًا۪ۙ﴿٧ ﴾
8 আর আমি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি জোড়ায় জোড়ায়। আমি সৃষ্টি করেছি তোমাদেরকে জোড়ায় জোড়ায়। আর আমি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি জোড়ায় জোড়ায়। وَّ خَلَقْنٰكُمْ اَزْوَاجًاۙ﴿٨ ﴾
9 আর আমি তোমাদের নিদ্রাকে করেছি বিশ্রাম। তোমাদের জন্য নিদ্রাকে করে দিয়েছি বিশ্রাম, আর তোমাদের নিদ্রাকে করেছি বিশ্রামদায়ী। وَّ جَعَلْنَا نَوْمَكُمْ سُبَاتًاۙ﴿٩ ﴾
10 আর আমি রাতকে করেছি আবরণ। করেছি রজনীকে আবরণ, রাতকে করেছি আবরণ, وَّ جَعَلْنَا الَّیْلَ لِبَاسًاۙ﴿١٠ ﴾
11 আর আমি দিনকে করেছি জীবিকার্জনের সময়। এবং করেছি দিনকে জীবিকা আহরণের জন্য (উপযোগী)। আর দিনকে করেছি জীবিকা সংগ্রহের মাধ্যম। وَّ جَعَلْنَا النَّهَارَ مَعَاشًا۪﴿١١ ﴾
12 আর আমি তোমাদের উপরে বানিয়েছি সাতটি সুদৃঢ় আকাশ। আর নির্মাণ করেছি তোমাদের উর্ধ্বদেশে সুদৃঢ় সপ্ত আকাশ, আর তোমাদের উর্ধ্বদেশে বানিয়েছি সাতটি সুদৃঢ় আকাশ। وَّ بَنَیْنَا فَوْقَكُمْ سَبْعًا شِدَادًاۙ﴿١٢ ﴾
13 আর আমি সৃষ্টি করেছি উজ্জ্বল একটি প্রদীপ। এবং সৃষ্টি করেছি একটি প্রদীপ্ত প্রদীপ। এবং সৃষ্টি করেছি উজ্জ্বল প্রদীপ। وَّ جَعَلْنَا سِرَاجًا وَّهَّاجًا۪ۙ﴿١٣ ﴾
14 আর আমি মেঘমালা থেকে প্রচুর পানি বর্ষণ করেছি। আর বর্ষণ করেছি মেঘ হতে প্রচুর বৃষ্টি। আর আমি বর্ষণ করি বৃষ্টিবাহী মেঘমালা থেকে প্রচুর পানি, وَّ اَنْزَلْنَا مِنَ الْمُعْصِرٰتِ مَآءً ثَجَّاجًاۙ﴿١٤ ﴾
15 যাতে তা দিয়ে আমি শস্য ও উদ্ভিদ উৎপন্ন করতে পারি। তদ্বারা আমি উদ‌্গত করি শস্য ও উদ্ভিদ, যাতে আমি তা দিয়ে উৎপন্ন করি শস্য ও উদ্ভিদ, لِّنُخْرِجَ بِهٖ حَبًّا وَّ نَبَاتًاۙ﴿١٥ ﴾
16 আর ঘন উদ্যানসমূহ। এবং বৃক্ষরাজি বিজড়িত উদ্যানসমূহ। আর ঘন উদ্যান। وَّ جَنّٰتٍ اَلْفَافًاؕ﴿١٦ ﴾
17 নিশ্চয় ফয়সালার দিন নির্ধারিত আছে। নিশ্চয়ই নির্ধারিত আছে মীমাংসা দিন। নিশ্চয়ই নির্ধারিত আছে মীমাংসার দিন, اِنَّ یَوْمَ الْفَصْلِ كَانَ مِیْقَاتًاۙ﴿١٧ ﴾
18 সেদিন শিঙ্গায় ফুঁক দেয়া হবে, তখন তোমরা দলে দলে আসবে। সেদিন শিঙ্গায় ফুৎকার দেয়া হবে এবং তোমরা দলে দলে সমাগত হবে, সেদিন শিঙ্গায় ফুঁক দেয়া হবে, আর তোমরা দলে দলে আসবে, یَّوْمَ یُنْفَخُ فِی الصُّوْرِ فَتَاْتُوْنَ اَفْوَاجًاۙ﴿١٨ ﴾
19 আর আসমান খুলে দেয়া হবে, ফলে তা হবে বহু দ্বারবিশিষ্ট। আকাশকে উন্মুক্ত করা হবে, ফলে ওটা হয়ে যাবে বহু দ্বারবিশিষ্ট। আকাশ খুলে দেয়া হবে আর তাতে হবে অনেক দরজা। وَّ فُتِحَتِ السَّمَآءُ فَكَانَتْ اَبْوَابًاۙ﴿١٩ ﴾
20 আর পর্বতসমূহকে চলমান করা হবে, ফলে সেগুলো মরীচিকা হয়ে যাবে। এবং সঞ্চালিত করা হবে পর্বতসমূহকে, ফলে সেগুলি হয়ে যাবে মরীচিকা বৎ। আর পর্বতগুলোকে করা হবে চলমান, ফলে তা নিছক মরীচিকায় পরিণত হবে। وَّ سُیِّرَتِ الْجِبَالُ فَكَانَتْ سَرَابًاؕ﴿٢٠ ﴾
21 নিশ্চয় জাহান্নাম গোপন ফাঁদ। নিশ্চয়ই জাহান্নাম ওঁৎ পেতে রয়েছে। জাহান্নাম তো ওঁৎ পেতে আছে, اِنَّ جَهَنَّمَ كَانَتْ مِرْصَادًا۪ۙ﴿٢١ ﴾
22 সীমালঙ্ঘনকারীদের জন্য প্রত্যাবর্তন স্থল। (ওটা হচ্ছে) অবাধ্য লোকদের অবস্থিতি স্থল – (আর তা হল) সীমালঙ্ঘনকারীদের আশ্রয়স্থল। لِّلطَّاغِیْنَ مَاٰبًاۙ﴿٢٢ ﴾
23 সেখানে তারা যুগ যুগ ধরে অবস্থান করবে। সেখানে তারা যুগ যুগ ধরে অবস্থান করবে, সেখানে তারা যুগ যুগ ধরে থাকবে, لّٰبِثِیْنَ فِیْهَاۤ اَحْقَابًاۚ﴿٢٣ ﴾
24 সেখানে তারা কোন শীতলতা আস্বাদন করবে না এবং না কোন পানীয়। সেখানে তারা আস্বাদন করতে পাবেনা কোন ঠান্ডা কিংবা (অন্য) কোন পানীয়- সেখানে তারা কোন শীতল ও পানীয় আস্বাদন করবে না لَا یَذُوْقُوْنَ فِیْهَا بَرْدًا وَّ لَا شَرَابًاۙ﴿٢٤ ﴾
25 ফুটন্ত পানি ও পুঁজ ছাড়া। উত্তপ্ত পানি ও পুঁজ ব্যতীত; ফুটন্ত পানি ও পুঁজ ছাড়া; اِلَّا حَمِیْمًا وَّ غَسَّاقًاۙ﴿٢٥ ﴾
26 উপযুক্ত প্রতিফলস্বরূপ। এটাই সমুচিত প্রতিফল। উপযুক্ত প্রতিফল। جَزَآءً وِّفَاقًاؕ﴿٢٦ ﴾
27 নিশ্চয় তারা হিসাবের আশা করত না। তারা কখনও হিসাবের আশংকা করতনা, তারা (তাদের কৃতকর্মের) কোন হিসাব-নিকাশ আশা করত না, اِنَّهُمْ كَانُوْا لَا یَرْجُوْنَ حِسَابًاۙ﴿٢٧ ﴾
28 আর তারা আমার আয়াতসমূহকে সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করেছিল। এবং তারা দৃঢ়তার সাথে আমার নিদর্শনাবলী অস্বীকার করেছিল। তারা আমার নিদর্শনগুলোকে অস্বীকার করেছিল- পুরোপুরি অস্বীকার। وَّ كَذَّبُوْا بِاٰیٰتِنَا كِذَّابًاؕ﴿٢٨ ﴾
29 আর সব কিছুই আমি লিখিতভাবে সংরক্ষণ করেছি। সব কিছুই আমি সংরক্ষণ করেছি লিখিতভাবে। সবকিছুই আমি সংরক্ষণ করে রেখেছি লিখিতভাবে। وَ كُلَّ شَیْءٍ اَحْصَیْنٰهُ كِتٰبًاۙ﴿٢٩ ﴾
30 সুতরাং তোমরা স্বাদ গ্রহণ কর। আর আমি তো কেবল তোমাদের আযাবই বৃদ্ধি করব। অতঃপর তোমরা আস্বাদ গ্রহণ কর, এখন আমিতো তোমাদের যাতনাই শুধু বৃদ্ধি করতে থাকব। অতএব এখন স্বাদ গ্রহণ কর, আমি তোমাদের জন্য কেবল শাস্তিই বৃদ্ধি করব (অন্য আর কিছু নয়)। فَذُوْقُوْا فَلَنْ نَّزِیْدَكُمْ اِلَّا عَذَابًا﴿٣٠ ﴾
31 নিশ্চয় মুত্তাকীদের জন্য রয়েছে সফলতা। এবং নিশ্চয়ই সংযমশীল লোকদের জন্যই সফলতা; (অন্য দিকে) মুত্তাকীদের জন্য আছে সাফল্য। اِنَّ لِلْمُتَّقِیْنَ مَفَازًاۙ﴿٣١ ﴾
32 উদ্যানসমূহ ও আঙ্গুরসমূহ। প্রাচীর বেষ্টিত বাগান ও আঙ্গুর; বাগান, আঙ্গুর, حَدَآىِٕقَ وَ اَعْنَابًاۙ﴿٣٢ ﴾
33 আর সমবয়স্কা উদ্‌ভিন্ন যৌবনা তরুণী। এবং সম বয়স্কা যুবতীবৃন্দ; আর সমবয়স্কা নব্য যুবতী وَّ كَوَاعِبَ اَتْرَابًاۙ﴿٣٣ ﴾
34 আর পরিপূর্ণ পানপাত্র। এবং পূর্ণ পূতঃ পানপাত্র। এবং পরিপূর্ণ পানপাত্র। وَّ كَاْسًا دِهَاقًاؕ﴿٣٤ ﴾
35 তারা সেখানে কোন অসার ও মিথ্যা কথা শুনবে না। সেখানে তারা শুনবেনা অসার ও মিথ্যা বাক্য; সেখানে তারা শুনবে না অসার অর্থহীন আর মিথ্যে কথা, لَا یَسْمَعُوْنَ فِیْهَا لَغْوًا وَّ لَا كِذّٰبًاۚ﴿٣٥ ﴾
36 তোমার রবের পক্ষ থেকে প্রতিফল, যথোচিত দানস্বরূপ। এটাই তোমার রবের অনুগ্রহের পূর্ণ প্রতিদান। এটা তোমার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে প্রতিফল, যথোচিত দান। جَزَآءً مِّنْ رَّبِّكَ عَطَآءً حِسَابًاۙ﴿٣٦ ﴾
37 যিনি আসমানসমূহ, যমীন ও এতদোভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর রব, পরম করুণাময়। তারা তাঁর সামনে কথা বলার সামর্থ্য রাখবে না। যিনি রাব্ব আকাশমন্ডলী, পৃথিবী ও ওগুলির অন্তঃবর্তী সব কিছুর, যিনি দয়াময়; তাঁর নিকট আবেদন-নিবেদনের শক্তি তাদের থাকবেনা। যিনি আকাশ, পৃথিবী আর এগুলোর মাঝে যা কিছু আছে সব কিছুর প্রতিপালক, তিনি অতি দয়াময়, তাঁর সম্মুখে কথা বলার সাহস কারো হবে না। رَّبِّ السَّمٰوٰتِ وَ الْاَرْضِ وَ مَا بَیْنَهُمَا الرَّحْمٰنِ لَا یَمْلِكُوْنَ مِنْهُ خِطَابًاۚ﴿٣٧ ﴾
38 সেদিন রূহ* ও ফেরেশতাগণ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়াবে, যাকে পরম করুণাময় অনুমতি দেবেন সে ছাড়া অন্যরা কোন কথা বলবে না। আর সে সঠিক কথাই বলবে। সেদিন রুহ্ ও মালাইকা/ফেরেশতাগণ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়াবে; দয়াময় যাকে অনুমতি দিবেন সে ছাড়া অন্যেরা কথা বলবেনা এবং সে সঙ্গত কথা বলবে। সেদিন রূহ (জিবরীল) আর ফেরেশতারা সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়াবে, কেউ কোন কথা বলতে পারবে না, সে ব্যতীত যাকে পরম করুণাময় অনুমতি দিবেন, আর সে যথার্থ কথাই বলবে। یَوْمَ یَقُوْمُ الرُّوْحُ وَ الْمَلٰٓىِٕكَةُ صَفًّا ۙۗؕ لَّا یَتَكَلَّمُوْنَ اِلَّا مَنْ اَذِنَ لَهُ الرَّحْمٰنُ وَ قَالَ صَوَابًا﴿٣٨ ﴾
39 ঐ দিনটি সত্য। অতএব যে চায়, সে তার রবের নিকট আশ্রয় গ্রহণ করুক। এই দিন সুনিশ্চিত। অতএব যার অভিরুচি সে তার রবের শরণাপন্ন হোক। এ দিনটি সত্য, সুনিশ্চিত, অতএব যার ইচ্ছে সে তার প্রতিপালকের দিকে আশ্রয় গ্রহণ করুক। ذٰلِكَ الْیَوْمُ الْحَقُّ ۚ فَمَنْ شَآءَ اتَّخَذَ اِلٰی رَبِّهٖ مَاٰبًا﴿٣٩ ﴾
40 নিশ্চয় আমি তোমাদেরকে একটি নিকটবর্তী আযাব সম্পর্কে সতর্ক করলাম। যেদিন মানুষ দেখতে পাবে, তার দু’হাত কী অগ্রে প্রেরণ করেছে এবং কাফির বলবে ‘হায়, আমি যদি মাটি হতাম’! আমি তোমাদেরকে আসন্ন শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করলাম; সেদিন মানুষ তার কৃতকর্ম প্রত্যক্ষ করবে এবং কাফির বলতে থাকবেঃ হায়রে হতভাগা আমি! যদি আমি মাটি হয়ে যেতাম! আমি তোমাদেরকে নিকটবর্তী শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করছি, যেদিন মানুষ দেখতে পাবে তার হাতগুলো আগেই কী (‘আমাল) পাঠিয়েছে আর কাফির বলবে- ‘হায়! আমি যদি মাটি হতাম (তাহলে আমাকে আজকের এ ‘আযাবের সম্মুখীন হতে হত না)। اِنَّاۤ اَنْذَرْنٰكُمْ عَذَابًا قَرِیْبًا ۖۚ۬ یَّوْمَ یَنْظُرُ الْمَرْءُ مَا قَدَّمَتْ یَدٰهُ وَ یَقُوْلُ الْكٰفِرُ یٰلَیْتَنِیْ كُنْتُ تُرٰبًا﴿٤٠ ﴾