۞ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ ۞
অনুবাদকে টিক দিন        


সমগ্র কুরআনে সার্চ করার জন্য আরবি অথবা বাংলা শব্দ দিন...


তথ্য খুজুন: যেমন মায়িদা x
সুরা লিস্ট দেখুন

সূরা নাম (Sura Name): �������� ���������������� -- An-Nazi'at -- ������-������������'������
Arabic Font Size:
আয়ত নাম্বার বায়ান ফাউন্ডেশন মুজিবুর রহমান তাইসীরুল কুরআন আরবি
1 কসম নির্মমভাবে (কাফিরদের রূহ) উৎপাটনকারীদের।* শপথ তাদের যারা নির্মমভাবে উৎপাটন করে, শপথ সেই ফেরেশতাদের যারা (পাপীদের আত্মা) নির্মমভাবে টেনে বের করে, وَ النّٰزِعٰتِ غَرْقًاۙ﴿١ ﴾
2 আর কসম সহজভাবে বন্ধনমুক্তকারীদের। এবং যারা মৃদুভাবে বন্ধন মুক্ত করে দেয়, আর যারা (নেককারদের আত্মা) খুবই সহজভাবে বের করে, وَّ النّٰشِطٰتِ نَشْطًاۙ﴿٢ ﴾
3 আর কসম দ্রুতগতিতে সন্তরণকারীদের। এবং যারা তীব্র গতিতে সন্তরণ করে, শপথ সেই ফেরেশতাদের যারা দ্রুতগতিতে সাঁতার কাটে, وَّ السّٰبِحٰتِ سَبْحًاۙ﴿٣ ﴾
4 আর দ্রুতবেগে অগ্রসরমানদের। এবং যারা দ্রুত বেগে অগ্রসর হয়, আর (আল্লাহর নির্দেশ পালনের জন্য) ক্ষিপ্র গতিতে এগিয়ে যায়, فَالسّٰبِقٰتِ سَبْقًاۙ﴿٤ ﴾
5 অতঃপর কসম সকল কার্যনির্বাহকারীদের। অতঃপর যারা সকল কর্ম নির্বাহ করে। অতঃপর সব কাজের ব্যবস্থা করে। فَالْمُدَبِّرٰتِ اَمْرًاۘ﴿٥ ﴾
6 সেদিন কম্পনকারী* প্রকম্পিত করবে। সেদিন প্রথম শিঙ্গাধ্বনি প্রকম্পিত করবে, সেদিন ভূকম্পন প্রকম্পিত করবে, یَوْمَ تَرْجُفُ الرَّاجِفَةُۙ﴿٦ ﴾
7 তাকে অনুসরণ করবে পরবর্তী কম্পনকারী।* ওকে অনুসরণ করবে পরবর্তী শিঙ্গাধ্বনি। তারপর আসবে আরেকটি ভূকম্পন। تَتْبَعُهَا الرَّادِفَةُؕ﴿٧ ﴾
8 সেদিন অনেক হৃদয় ভীত-সন্ত্রস্ত হবে। কত হৃদয় সেদিন সন্ত্রস্ত হবে, কত হৃদয় সে দিন ভয়ে ভীত হয়ে পড়বে, قُلُوْبٌ یَّوْمَىِٕذٍ وَّاجِفَةٌۙ﴿٨ ﴾
9 তাদের দৃষ্টিসমূহ নত হবে। তাদের দৃষ্টি ভীতি বিহবলতায় অবনমিত হবে। তাদের দৃষ্টি নত হবে, اَبْصَارُهَا خَاشِعَةٌۘ﴿٩ ﴾
10 তারা বলে, ‘আমরা কি পূর্বাবস্থায় প্রত্যাবর্তিত হবই, তারা বলেঃ আমরা কি পূর্বাবস্থায় প্রত্যাবর্তিত হবই – তারা বলে, ‘আমাদেরকে কি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হবে? یَقُوْلُوْنَ ءَاِنَّا لَمَرْدُوْدُوْنَ فِی الْحَافِرَةِؕ﴿١٠ ﴾
11 যখন আমরা চূর্ণ-বিচূর্ণ হাড় হয়ে যাব’? গলিত অস্থিতে পরিণত হওয়ার পরও? আমরা যখন পচা-গলা হাড় হয়ে যাব (তখনও)?’ ءَاِذَا كُنَّا عِظَامًا نَّخِرَةًؕ﴿١١ ﴾
12 তারা বলে, ‘তাহলে তা তো এক ক্ষতিকর প্রত্যাবর্তন’। তারা বলেঃ তা’ই যদি হয় তাহলেতো এটা সর্বনাশা প্রত্যাবর্তন! তারা বলে, ‘অবস্থা যদি তাই হয় তাহলে এই ফিরিয়ে আনাটাতো সর্বনাশের ব্যাপার হবে।’ قَالُوْا تِلْكَ اِذًا كَرَّةٌ خَاسِرَةٌۘ﴿١٢ ﴾
13 আর ওটা তো কেবল এক বিকট আওয়াজ। এটাতো এক বিকট শব্দ মাত্র; ওটা তো কেবল একটা বিকট আওয়াজ, فَاِنَّمَا هِیَ زَجْرَةٌ وَّاحِدَةٌۙ﴿١٣ ﴾
14 তৎক্ষনাৎ তারা ভূ-পৃষ্ঠে উপস্থিত হবে। ফলে তখনই মাইদানে তাদের আবির্ভাব হবে। সহসাই তারা খোলা ময়দানে আবির্ভূত হবে। فَاِذَا هُمْ بِالسَّاهِرَةِؕ﴿١٤ ﴾
15 মূসার বৃত্তান্ত তোমার কাছে পৌঁছেছে কি? তোমার নিকট মূসার বৃত্তান্ত পৌঁছেছে কি? মূসার বৃত্তান্ত তোমার কাছে পৌঁছেছে কি? هَلْ اَتٰىكَ حَدِیْثُ مُوْسٰیۘ﴿١٥ ﴾
16 যখন তার রব তাকে পবিত্র তুওয়া উপত্যকায় ডেকেছিলেন, যখন তার রাব্ব পবিত্র ‘তূওয়া’ প্রান্তরে তাকে সম্বোধন করে বলেছিলেন – যখন তার প্রতিপালক তাকে পবিত্র তুয়া প্রান্তরে ডাক দিয়ে বলেছিলেন اِذْ نَادٰىهُ رَبُّهٗ بِالْوَادِ الْمُقَدَّسِ طُوًیۚ﴿١٦ ﴾
17 ‘ফির‘আউনের কাছে যাও, নিশ্চয় সে সীমালংঘন করেছে’। ফির‘আউনের নিকট যাও, সেতো সীমা লংঘন করেছে, ‘ফেরাউনের কাছে যাও, সে সীমালঙ্ঘন করেছে, اِذْهَبْ اِلٰی فِرْعَوْنَ اِنَّهٗ طَغٰیؗۖ﴿١٧ ﴾
18 অতঃপর বল ‘তোমার কি ইচ্ছা আছে যে, তুমি পবিত্র হবে’? এবং (তাকে) বলঃ তুমি কি শুদ্ধাচারী হতে চাও? তাকে জিজ্ঞেস কর, ‘তুমি কি পবিত্রতা অবলম্বন করতে ইচ্ছুক? فَقُلْ هَلْ لَّكَ اِلٰۤی اَنْ تَزَكّٰیۙ﴿١٨ ﴾
19 ‘আর আমি তোমাকে তোমার রবের দিকে পথ দেখাব, যাতে তুমি তাঁকে ভয় কর?’ আর আমি তোমাকে তোমার রবের পথে পরিচালিত করি যাতে তুমি তাঁকে ভয় কর। আর আমি তোমাকে তোমার প্রতিপালকের দিকে পথ দেখাই যাতে তুমি তাঁকে ভয় কর?’ وَ اَهْدِیَكَ اِلٰی رَبِّكَ فَتَخْشٰیۚ﴿١٩ ﴾
20 অতঃপর মূসা তাকে বিরাট নিদর্শন দেখাল। অতঃপর সে তাকে মহা নিদর্শন দেখালো। অতঃপর মূসা তাকে বিরাট নিদর্শন দেখাল। فَاَرٰىهُ الْاٰیَةَ الْكُبْرٰیؗۖ﴿٢٠ ﴾
21 কিন্তু সে অস্বীকার করল এবং অমান্য করল। কিন্তু সে অস্বীকার করল এবং অবাধ্য হল। কিন্তু সে অস্বীকার করল ও অমান্য করল। فَكَذَّبَ وَعَصٰیؗۖ﴿٢١ ﴾
22 তারপর সে ফাসাদ করার চেষ্টায় প্রস্থান করল। অতঃপর সে পশ্চাৎ ফিরে প্রতিবিধানে সচেষ্ট হল। অতঃপর সে (আল্লাহর বিরুদ্ধে) জোর প্রচেষ্টা চালানোর জন্য (সত্যের) উল্টোপথে ফিরে গেল। ثُمَّ اَدْبَرَ یَسْعٰیؗۖ﴿٢٢ ﴾
23 অতঃপর সে লোকদেরকে একত্র করে ঘোষণা দিল। সে সকলকে সমবেত করল এবং উচ্চৈঃস্বরে ঘোষণা করল, সে লোকদেরকে একত্রিত করল আর ঘোষণা দিল। فَحَشَرَ فَنَادٰیؗۖ﴿٢٣ ﴾
24 আর বলল, ‘আমিই তোমাদের সর্বোচ্চ রব’। আর বললঃ আমিই তোমাদের শ্রেষ্ঠ রাব্ব। সে বলল, ‘আমিই তোমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ রব’। فَقَالَ اَنَا رَبُّكُمُ الْاَعْلٰیؗۖ﴿٢٤ ﴾
25 অবশেষে আল্লাহ তাকে আখিরাত ও দুনিয়ার আযাবে পাকড়াও করলেন। ফলে আল্লাহ তাকে ধৃত করলেন আখিরাতের ও ইহকালের দন্ডের নিমিত্ত। পরিশেষে আল্লাহ তাকে আখেরাত ও দুনিয়ার ‘আযাবে পাকড়াও করলেন। فَاَخَذَهُ اللّٰهُ نَكَالَ الْاٰخِرَةِ وَ الْاُوْلٰیؕ﴿٢٥ ﴾
26 নিশ্চয় যে ভয় করে তার জন্য এতে শিক্ষা রয়েছে। যে ভয় করে তার জন্য অবশ্যই এতে শিক্ষা রয়েছে। যে ভয় করে এমন প্রতিটি লোকের জন্য এতে অবশ্যই শিক্ষা আছে। اِنَّ فِیْ ذٰلِكَ لَعِبْرَةً لِّمَنْ یَّخْشٰی ؕ۠﴿٢٦ ﴾
27 তোমাদেরকে সৃষ্টি করা অধিক কঠিন, না আসমান সৃষ্টি? তিনি তা বানিয়েছেন। তোমাদেরকে সৃষ্টি করা কঠিনতর, না আকাশ সৃষ্টি? তিনিই এটা নির্মাণ করেছেন। তোমাদের সৃষ্টি বেশি কঠিন না আকাশের? তিনি তো সেটা সৃষ্টি করেছেন। ءَاَنْتُمْ اَشَدُّ خَلْقًا اَمِ السَّمَآءُ ؕ بَنٰىهَاۥ﴿٢٧ ﴾
28 তিনি এর ছাদকে উচ্চ করেছেন এবং তাকে সুসম্পন্ন করেছেন। তিনি এটাকে সুউচ্চ ও সুবিন্যস্ত করেছেন। তার ছাদ অনেক উচ্চে তুলেছেন, অতঃপর তাকে ভারসাম্যপূর্ণ করেছেন। رَفَعَ سَمْكَهَا فَسَوّٰىهَاۙ﴿٢٨ ﴾
29 আর তিনি এর রাতকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করেছেন এবং এর দিবালোক প্রকাশ করেছেন। এবং তিনি ওর রাতকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করেছেন এবং ওর জ্যোতি বিনির্গত করেছেন। তিনি তার রাতকে আঁধারে ঢেকে দিয়েছেন, আর তার দিবালোক প্রকাশ করেছেন। وَ اَغْطَشَ لَیْلَهَا وَ اَخْرَجَ ضُحٰىهَا﴿٢٩ ﴾
30 এরপর তিনি যমীনকে বিস্তীর্ণ করেছেন। এবং পৃথিবীকে এরপর বিস্তৃত করেছেন। অতঃপর তিনি যমীনকে বিস্তীর্ণ করেছেন। وَ الْاَرْضَ بَعْدَ ذٰلِكَ دَحٰىهَاؕ﴿٣٠ ﴾
31 তিনি তার ভিতর থেকে বের করেছেন তার পানি ও তার তৃণভূমি। তিনি ওটা হতে বহির্গত করেছেন ওর পানি ও তৃণ, তিনি তার ভিতর থেকে বের করেছেন তার পানি ও তার তৃণভূমি। اَخْرَجَ مِنْهَا مَآءَهَا وَ مَرْعٰىهَا﴿٣١ ﴾
32 আর পর্বতগুলোকে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। আর পর্বতকে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রোথিত করেছেন; পবর্তকে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন, وَ الْجِبَالَ اَرْسٰىهَاۙ﴿٣٢ ﴾
33 তোমাদের ও তোমাদের চতুষ্পদ জন্তুগুলোর জীবনোপকরণস্বরূপ। এ সবই তোমাদের ও তোমাদের জন্তুগুলির ভোগের জন্য। এ সমস্ত তোমাদের আর তোমাদের গৃহপালিত পশুগুলোর জীবিকার সামগ্রী। مَتَاعًا لَّكُمْ وَ لِاَنْعَامِكُمْؕ﴿٣٣ ﴾
34 অতঃপর যখন মহাপ্রলয় আসবে। অতঃপর যখন মহা সংকট উপস্থিত হবে, অতঃপর যখন মহাসংকট এসে যাবে। فَاِذَا جَآءَتِ الطَّآمَّةُ الْكُبْرٰیؗۖ﴿٣٤ ﴾
35 সেদিন মানুষ স্মরণ করবে তা, যা সে চেষ্টা করেছে। সেদিন মানুষ যা করেছে তা স্মরণ করবে, সেদিন মানুষ স্মরণ করবে যা কিছু করার জন্য সে জোর প্রচেষ্টা চালিয়েছে। یَوْمَ یَتَذَكَّرُ الْاِنْسَانُ مَا سَعٰیۙ﴿٣٥ ﴾
36 আর জাহান্নামকে প্রকাশ করা হবে তার জন্য যে দেখতে পায়। এবং দর্শকদের জন্য প্রকাশ করা হবে জাহান্নাম। এবং জাহান্নামকে দেখানো হবে এমন ব্যক্তিকে যে দেখতে পায়। وَ بُرِّزَتِ الْجَحِیْمُ لِمَنْ یَّرٰی﴿٣٦ ﴾
37 সুতরাং যে সীমালঙ্ঘন করে। অনন্তর যে সীমালংঘন করে, অতঃপর (দুনিয়ায়) যে লোক সীমালঙ্ঘন করেছিল, فَاَمَّا مَنْ طَغٰیۙ﴿٣٧ ﴾
38 আর দুনিয়ার জীবনকে প্রাধান্য দেয়, এবং পার্থিব জীবনকে বেছে নেয়, আর পার্থিব জীবনকে (পরকালের উপর) প্রাধান্য দিয়েছিল وَ اٰثَرَ الْحَیٰوةَ الدُّنْیَاۙ﴿٣٨ ﴾
39 নিশ্চয় জাহান্নাম হবে তার আবাসস্থল। জাহান্নামই হবে তার অবস্থান স্থল। জাহান্নামই হবে তার আবাসস্থল। فَاِنَّ الْجَحِیْمَ هِیَ الْمَاْوٰیؕ﴿٣٩ ﴾
40 আর যে স্বীয় রবের সামনে দাঁড়ানোকে ভয় করে এবং কুপ্রবৃত্তি থেকে নিজকে বিরত রাখে, পক্ষান্তরে যে স্বীয় রবের সামনে উপস্থিত হওয়ার ভয় রাখে এবং কুপ্রবৃত্তি হতে নিজেকে বিরত রাখে, আর যে লোক তার প্রতিপালকের সামনে দাঁড়ানোকে ভয় করেছিল এবং নিজেকে কামনা বাসনা থেকে নিবৃত্ত রেখেছিল, وَ اَمَّا مَنْ خَافَ مَقَامَ رَبِّهٖ وَ نَهَی النَّفْسَ عَنِ الْهَوٰیۙ﴿٤٠ ﴾
41 নিশ্চয় জান্নাত হবে তার আবাসস্থল। জান্নাতই হবে তার অবস্থিতি স্থান। জান্নাতই হবে তার বাসস্থান। فَاِنَّ الْجَنَّةَ هِیَ الْمَاْوٰیؕ﴿٤١ ﴾
42 তারা তোমাকে কিয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে, ‘তা কখন ঘটবে’? তারা তোমাকে জিজ্ঞেস করে কিয়ামাত সম্পর্কে যে, ওটা কখন ঘটবে? এরা তোমাকে জিজ্ঞেস করে ক্বিয়ামত সম্পর্কে- ‘কখন তা ঘটবে?’ یَسْـَٔلُوْنَكَ عَنِ السَّاعَةِ اَیَّانَ مُرْسٰىهَاؕ﴿٤٢ ﴾
43 তা উল্লেখ করার কি জ্ঞান তোমার আছে? এর আলোচনার সাথে তোমার কি সম্পর্ক? এর আলোচনার সাথে তোমার কী সম্পর্ক? فِیْمَ اَنْتَ مِنْ ذِكْرٰىهَاؕ﴿٤٣ ﴾
44 এর প্রকৃত জ্ঞান তোমার রবের কাছেই। এর উত্তম জ্ঞান আছে তোমার রবেরই নিকট। এ সংক্রান্ত জ্ঞান তোমার প্রতিপালক পর্যন্তই শেষ। اِلٰی رَبِّكَ مُنْتَهٰىهَاؕ﴿٤٤ ﴾
45 তুমিতো কেবল তাকেই সতর্ককারী, যে একে ভয় করে । যে ওর ভয় রাখে তুমি শুধু তারই সতর্ককারী। যারা একে ভয় করে তুমি কেবল তাদের সতর্ককারী। اِنَّمَاۤ اَنْتَ مُنْذِرُ مَنْ یَّخْشٰىهَاؕ﴿٤٥ ﴾
46 যেদিন তারা তা দেখবে, সেদিন তাদের মনে হবে, যেন তারা (দুনিয়ায়) এক সন্ধ্যা বা এক সকালের বেশী অবস্থান করেনি। যেদিন তারা এটা প্রত্যক্ষ করবে সেদিন তাদের মনে হবে, যেন তারা পৃথিবীতে এক সন্ধ্যা অথবা এক প্রভাতের অধিক অবস্থান করেনি। যেদিন তারা তা দেখবে সেদিন তাদের মনে হবে, যেন তারা (পৃথিবীতে) এক সন্ধ্যা বা এক সকালের বেশি অবস্থান করেনি। كَاَنَّهُمْ یَوْمَ یَرَوْنَهَا لَمْ یَلْبَثُوْۤا اِلَّا عَشِیَّةً اَوْ ضُحٰىهَا﴿٤٦ ﴾