۞ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ ۞
অনুবাদকে টিক দিন        


সমগ্র কুরআনে সার্চ করার জন্য আরবি অথবা বাংলা শব্দ দিন...


তথ্য খুজুন: যেমন মায়িদা x
সুরা লিস্ট দেখুন

সূরা নাম (Sura Name): �������� ������ -- Abasa -- ���������������
Arabic Font Size:
আয়ত নাম্বার বায়ান ফাউন্ডেশন মুজিবুর রহমান তাইসীরুল কুরআন আরবি
1 সে* ভ্রকুঞ্চিত করল এবং মুখ ফিরিয়ে নিল। সে ভ্রু কুঞ্চিত করল এবং মুখ ফিরিয়ে নিলো, (নবী) মুখ ভার করল আর মুখ ঘুরিয়ে নিল। عَبَسَ وَ تَوَلّٰۤیۙ﴿١ ﴾
2 কারণ তার কাছে অন্ধ লোকটি* আগমন করেছিল। যেহেতু তার নিকট এক অন্ধ আগমন করেছিল। (কারণ সে যখন কুরায়শ সরদারদের সাথে আলোচনায় রত ছিল তখন) তার কাছে এক অন্ধ ব্যক্তি আসল। اَنْ جَآءَهُ الْاَعْمٰىؕ﴿٢ ﴾
3 আর কিসে তোমাকে জানাবে যে, সে হয়ত পরিশুদ্ধ হত। তুমি কেমন করে জানবে সে হয়তো পরিশুদ্ধ হত, (হে নবী!) তুমি কি জান, সে হয়ত পরিশুদ্ধ হত। وَ مَا یُدْرِیْكَ لَعَلَّهٗ یَزَّكّٰۤیۙ﴿٣ ﴾
4 অথবা উপদেশ গ্রহণ করত, ফলে সে উপদেশ তার উপকারে আসত। অথবা উপদেশ গ্রহণ করত, ফলে উপদেশ তার উপকারে আসতো। কিংবা উপদেশ গ্রহণ করত, ফলে উপদেশ তার উপকারে লাগত। اَوْ یَذَّكَّرُ فَتَنْفَعَهُ الذِّكْرٰىؕ﴿٤ ﴾
5 আর যে বেপরোয়া হয়েছে, পক্ষান্তরে যে পরওয়া করেনা – পক্ষান্তরে যে পরোয়া করে না, اَمَّا مَنِ اسْتَغْنٰىۙ﴿٥ ﴾
6 তুমি তার প্রতি মনোযোগ দিচ্ছ। তুমি তার প্রতি মনোযোগ দিয়েছো। তার প্রতি তুমি মনোযোগ দিচ্ছ। فَاَنْتَ لَهٗ تَصَدّٰىؕ﴿٦ ﴾
7 অথচ সে পরিশুদ্ধ না হলে তোমার কোন দায়িত্ব বর্তাবে না। অথচ সে নিজে পরিশুদ্ধ না হলে তোমার কোন দায়িত্ব নেই। সে পরিশুদ্ধ না হলে তোমার উপর কোন দোষ নেই। وَ مَا عَلَیْكَ اَلَّا یَزَّكّٰىؕ﴿٧ ﴾
8 পক্ষান্তরে যে তোমার কাছে ছুটে আসল, অন্যপক্ষ যে তোমার নিকট ছুটে এলো – পক্ষান্তরে যে লোক তোমার কাছে ছুটে আসল। وَ اَمَّا مَنْ جَآءَكَ یَسْعٰىۙ﴿٨ ﴾
9 আর সে ভয়ও করে, তার সেই সশংক চিত্ত – আর সে ভয়ও করে, وَ هُوَ یَخْشٰىۙ﴿٩ ﴾
10 অথচ তুমি তার প্রতি উদাসীন হলে। তুমি তাকে অবজ্ঞা করলে! তুমি তার প্রতি অমনোযোগী হলে। فَاَنْتَ عَنْهُ تَلَهّٰىۚ﴿١٠ ﴾
11 কখনো নয়, নিশ্চয় এটা উপদেশ বাণী। না, এই আচরণ অনুচিত, এটাতো উপদেশ বাণী; না, এটা মোটেই ঠিক নয়, এটা তো উপদেশ বাণী, كَلَّاۤ اِنَّهَا تَذْكِرَةٌۚ﴿١١ ﴾
12 কাজেই যে ইচ্ছা করবে, সে তা স্মরণ রাখবে। যে ইচ্ছা করবে সে ইহা স্মরণ রাখবে, কাজেই যার ইচ্ছে তা স্মরণে রাখবে, فَمَنْ شَآءَ ذَكَرَهٗۘ﴿١٢ ﴾
13 এটা আছে সম্মানিত সহীফাসমূহে।* ইহা আছে মর্যাদাময় পত্রসমূহে (লিখিত) – (এটা লিপিবদ্ধ আছে) মর্যাদাসম্পন্ন কিতাবসমূহে فِیْ صُحُفٍ مُّكَرَّمَةٍۙ﴿١٣ ﴾
14 সমুন্নত, পবিত্র, (এবং) উন্নত পুতঃ – সমুন্নত, পবিত্র। مَّرْفُوْعَةٍ مُّطَهَّرَةٍۭۙ﴿١٤ ﴾
15 লেখকদের হাতে, লেখকদের হাতে (সুরক্ষিত)। (এমন) লেখকদের হাতে بِاَیْدِیْ سَفَرَةٍۙ﴿١٥ ﴾
16 যারা মহাসম্মানিত, অনুগত। (ঐ লেখকগণ) মহৎ ও সৎ। (যারা) মহা সম্মানিত পূত-পবিত্র। كِرَامٍۭ بَرَرَةٍؕ﴿١٦ ﴾
17 মানুষ ধ্বংস হোক, সে কতইনা অকৃতজ্ঞ! মানুষ ধ্বংস হোক! সে কত অকৃতজ্ঞ! মানুষ ধ্বংস হোক! কোন্ জিনিস তাকে সত্য প্রত্যাখ্যানে উদ্বুদ্ধ করল? قُتِلَ الْاِنْسَانُ مَاۤ اَكْفَرَهٗؕ﴿١٧ ﴾
18 তিনি তাকে কোন বস্তু থেকে সৃষ্টি করেছেন? তিনি তাকে কোন বস্তু হতে সৃষ্টি করেছেন? আল্লাহ তাকে কোন বস্তু হতে সৃষ্টি করেছেন? مِنْ اَیِّ شَیْءٍ خَلَقَهٗؕ﴿١٨ ﴾
19 শুক্র বিন্দু থেকে তিনি তাকে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তাকে সুগঠিত করেছেন। শুক্র বিন্দু হতে তিনি তাকে সৃষ্টি করেন, পরে তার পরিমিত বিকাশ সাধন করেন, শুক্রবিন্দু হতে। তিনি তাকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তাকে পরিমিতভাবে গড়ে তুলেছেন। مِنْ نُّطْفَةٍ ؕ خَلَقَهٗ فَقَدَّرَهٗۙ﴿١٩ ﴾
20 তারপর তিনি তার পথ সহজ করে দিয়েছেন। অতঃপর তার জন্য পথ সহজ করে দেন; অতঃপর তিনি (উপায়-উপকরণ ও প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী দিয়ে জীবনে চলার জন্য) তার পথ সহজ করে দিয়েছেন। ثُمَّ السَّبِیْلَ یَسَّرَهٗۙ﴿٢٠ ﴾
21 তারপর তিনি তাকে মৃত্যু দেন এবং তাকে কবরস্থ করেন। অতঃপর তার মৃত্যু ঘটান এবং তাকে কাবরস্থ করেন। অতঃপর তার মৃত্যু ঘটান এবং তাকে কবরস্থ করেন। ثُمَّ اَمَاتَهٗ فَاَقْبَرَهٗۙ﴿٢١ ﴾
22 তারপর যখন তিনি ইচ্ছা করবেন, তাকে পুনর্জীবিত করবেন। এরপর যখন ইচ্ছা তিনি তাকে পুনরুজ্জীবিত করবেন। অতঃপর যখন তিনি চাইবেন তাকে আবার জীবিত করবেন। ثُمَّ اِذَا شَآءَ اَنْشَرَهٗؕ﴿٢٢ ﴾
23 কখনো নয়, তিনি তাকে যে আদেশ দিয়েছিলেন, সে এখনো তা পূর্ণ করেনি। তিনি তাকে যে আদেশ করেছেন, সেতো তা পালন করেনি। না, মোটেই না, আল্লাহ তাকে যে নির্দেশ দিয়ে ছিলেন তা সে এখনও পূর্ণ করেনি। كَلَّا لَمَّا یَقْضِ مَاۤ اَمَرَهٗؕ﴿٢٣ ﴾
24 কাজেই মানুষ তার খাদ্যের প্রতি লক্ষ্য করুক। মানুষ তার খাদ্যের প্রতি লক্ষ্য করুক। মানুষ তার খাদ্যের ব্যপারটাই ভেবে দেখুক না কেন। فَلْیَنْظُرِ الْاِنْسَانُ اِلٰى طَعَامِهٖۤۙ﴿٢٤ ﴾
25 নিশ্চয় আমি প্রচুর পরিমাণে পানি বর্ষণ করি। আমিই প্রচুর বারি বর্ষণ করি, আমি প্রচুর পানি ঢালি, اَنَّا صَبَبْنَا الْمَآءَ صَبًّاۙ﴿٢٥ ﴾
26 তারপর যমীনকে যথাযথভাবে বিদীর্ণ করি। অতঃপর আমি ভূমিকে প্রকৃষ্ট রূপে বিদীর্ণ করি; তারপর যমীনকে বিদীর্ণ করে দেই, ثُمَّ شَقَقْنَا الْاَرْضَ شَقًّاۙ﴿٢٦ ﴾
27 অতঃপর তাতে আমি উৎপন্ন করি শস্য, এবং ওতে আমি উৎপন্ন করি শস্য; অতঃপর তাতে আমি উৎপন্ন করি-শস্য, فَاَنْۢبَتْنَا فِیْهَا حَبًّاۙ﴿٢٧ ﴾
28 আঙ্গুর ও শাক-সবজি, দ্রাক্ষা, শাক-সবজি, আঙ্গুর, তাজা শাক-শব্জী, وَّ عِنَبًا وَّ قَضْبًاۙ﴿٢٨ ﴾
29 যায়তূন ও খেজুর বন, যাইতূন, খেজুর, যয়তূন, খেজুর, وَّ زَیْتُوْنًا وَّ نَخْلًاۙ﴿٢٩ ﴾
30 ঘনবৃক্ষ শোভিত বাগ-বাগিচা, বহু বৃক্ষবিশিষ্ট উদ্যান, আর ঘন বৃক্ষ পরিপূর্ণ বাগবাগিচা, وَّ حَدَآىِٕقَ غُلْبًاۙ﴿٣٠ ﴾
31 আর ফল ও তৃণগুল্ম। ফল এবং গবাদির খাদ্য, আর নানান জাতের ফল আর ঘাস-লতাপাতা। وَّ فَاكِهَةً وَّ اَبًّاۙ﴿٣١ ﴾
32 তোমাদের ও তোমাদের চতুষ্পদ জন্তুগুলোর জীবনোপকরণস্বরূপ। এটা তোমাদের ও তোমাদের পশুগুলির ভোগের জন্য। তোমাদের আর তোমাদের গৃহপালিত পশুগুলোর ভোগের জন্য। مَّتَاعًا لَّكُمْ وَ لِاَنْعَامِكُمْؕ﴿٣٢ ﴾
33 অতঃপর যখন বিকট আওয়াজ* আসবে, যখন ঐ ধ্বংস ধ্বনি এসে পড়বে; অবশেষে যখন কান-ফাটানো শব্দ আসবে; فَاِذَا جَآءَتِ الصَّآخَّةُؗ﴿٣٣ ﴾
34 সেদিন মানুষ পালিয়ে যাবে তার ভাই থেকে, সেদিন মানুষ পলায়ন করবে তার ভাই হতে, সেদিন মানুষ পালিয়ে যাবে তার ভাই থেকে, یَوْمَ یَفِرُّ الْمَرْءُ مِنْ اَخِیْهِۙ﴿٣٤ ﴾
35 তার মা ও তার বাবা থেকে, এবং তার মাতা, তার পিতা, তার মা, তার বাপ, وَ اُمِّهٖ وَ اَبِیْهِۙ﴿٣٥ ﴾
36 তার স্ত্রী ও তার সন্তান-সন্ততি থেকে। তার স্ত্রী ও তার সন্তান হতে, তার স্ত্রী ও তার সন্তান থেকে, وَ صَاحِبَتِهٖ وَ بَنِیْهِؕ﴿٣٦ ﴾
37 সেদিন তাদের প্রত্যেকেরই একটি গুরুতর অবস্থা থাকবে, যা তাকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখবে। সেদিন তাদের প্রত্যেকের হবে এমন গুরুতর অবস্থা যা তাকে সম্পূর্ণরূপে ব্যস্ত রাখবে। সেদিন তাদের প্রত্যেকেই নিজেকে নিয়ে ব্যতিব্যস্ত থাকবে। لِكُلِّ امْرِئٍ مِّنْهُمْ یَوْمَىِٕذٍ شَاْنٌ یُّغْنِیْهِؕ﴿٣٧ ﴾
38 সেদিন কিছু কিছু চেহারা উজ্জ্বল হবে। সেদিন বহু মুখমন্ডল হবে দীপ্তিমান; সেদিন কতক মুখ উজ্জ্বল হবে, وُجُوْهٌ یَّوْمَىِٕذٍ مُّسْفِرَةٌۙ﴿٣٨ ﴾
39 সহাস্য, প্রফুল্ল। সহাস্য ও প্রফুল্ল। সহাস্য, উৎফুল্ল। ضَاحِكَةٌ مُّسْتَبْشِرَةٌۚ﴿٣٩ ﴾
40 আর কিছু কিছু চেহারার উপর সেদিন থাকবে মলিনতা। এবং অনেক মুখমন্ডল হবে সেদিন ধূলি ধূসরিত, সেদিন কতক মুখ হবে ধূলিমলিন। وَ وُجُوْهٌ یَّوْمَىِٕذٍ عَلَیْهَا غَبَرَةٌۙ﴿٤٠ ﴾
41 কালিমা সেগুলোকে আচ্ছন্ন করবে। সেগুলিকে আচ্ছন্ন করবে কালিমা। কালিমা ওগুলোকে আচ্ছন্ন করবে। تَرْهَقُهَا قَتَرَةٌؕ﴿٤١ ﴾
42 তারাই কাফির, পাপাচারী। তারাই কাফির ও পাপাচারী। তারাই আল্লাহকে প্রত্যাখ্যানকারী, পাপাচারী। اُولٰٓىِٕكَ هُمُ الْكَفَرَةُ الْفَجَرَةُ﴿٤٢ ﴾