۞ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ ۞
অনুবাদকে টিক দিন        


সমগ্র কুরআনে সার্চ করার জন্য আরবি অথবা বাংলা শব্দ দিন...


তথ্য খুজুন: যেমন মায়িদা x
সুরা লিস্ট দেখুন

সূরা নাম (Sura Name): �������� �������������� -- At-Takwir -- ������-������������������
Arabic Font Size:
আয়ত নাম্বার বায়ান ফাউন্ডেশন মুজিবুর রহমান তাইসীরুল কুরআন আরবি
1 যখন সূর্যকে গুটিয়ে নেয়া হবে। সূর্য যখন নিস্প্রভ হবে, যখন সূর্যকে গুটিয়ে নেয়া হবে اِذَا الشَّمْسُ كُوِّرَتْ۪ۙ﴿١ ﴾
2 আর নক্ষত্ররাজি যখন পতিত হবে। যখন নক্ষত্ররাজি খসে পড়বে, আর তারকাগুলো যখন তাদের উজ্জ্বলতা হারিয়ে খসে পড়বে। وَ اِذَا النُّجُوْمُ انْكَدَرَتْ۪ۙ﴿٢ ﴾
3 আর পর্বতগুলোকে যখন সঞ্চালিত করা হবে। পর্বতসমূহকে যখন চলমান করা হবে, পর্বতগুলোকে যখন চলমান করা হবে, وَ اِذَا الْجِبَالُ سُیِّرَتْ۪ۙ﴿٣ ﴾
4 আর যখন দশমাসের গর্ভবতী উষ্ট্রীগুলো উপেক্ষিত হবে। যখন পূর্ণ-গর্ভা উষ্ট্রী উপেক্ষিত হবে, যখন দশ মাসের গর্ভবতী উটনিগুলোকে অযত্নে পরিত্যাগ করা হবে, وَ اِذَا الْعِشَارُ عُطِّلَتْ۪ۙ﴿٤ ﴾
5 আর যখন বন্য পশুগুলোকে একত্র করা হবে। যখন বন্য পশুগুলি একত্রীকৃত হবে; যখন বনের জন্তু জানোয়ারকে (বন থেকে গুটিয়ে এনে লোকালয়ে) একত্রিত করা হবে, وَ اِذَا الْوُحُوْشُ حُشِرَتْ۪ۙ﴿٥ ﴾
6 আর যখন সমুদ্রগুলোকে অগ্নিউত্তাল করা হবে। এবং সমুদ্রগুলিকে যখন উদ্বেলিত করা হবে; যখন সমুদ্রগুলোকে প্রজ্জ্বলিত করে উত্তাল করা হবে। وَ اِذَا الْبِحَارُ سُجِّرَتْ۪ۙ﴿٦ ﴾
7 আর যখন আত্মাগুলোকে (সমগোত্রীয়দের সাথে) মিলিয়ে দেয়া হবে। দেহে যখন আত্মা পুনঃসংযোজিত হবে, যখন দেহের সঙ্গে আত্মাগুলোকে আবার জুড়ে দেয়া হবে, وَ اِذَا النُّفُوْسُ زُوِّجَتْ۪ۙ﴿٧ ﴾
8 আর যখন জীবন্ত কবরস্থ কন্যাকে জিজ্ঞাসা করা হবে। যখন জীবন্ত প্রোথিতা কন্যাকে জিজ্ঞেস করা হবে – যখন জীবন্ত পুঁতে-ফেলা কন্যা-শিশুকে জিজ্ঞেস করা হবে, وَ اِذَا الْمَوْءٗدَةُ سُىِٕلَتْ۪ۙ﴿٨ ﴾
9 কী অপরাধে তাকে হত্যা করা হয়েছে? কি অপরাধে তাকে হত্যা করা হয়েছিল? কোন্ অপরাধে তাকে হত্যা করা হয়েছে? بِاَیِّ ذَنْۢبٍ قُتِلَتْۚ﴿٩ ﴾
10 আর যখন আমলনামাগুলো প্রকাশ করে দেয়া হবে। যখন ‘আমলনামা উন্মোচিত হবে, যখন ‘আমালনামাগুলো খুলে ধরা হবে, وَ اِذَا الصُّحُفُ نُشِرَتْ۪ۙ﴿١٠ ﴾
11 আর যখন আসমানকে আবরণ মুক্ত করা হবে। যখন আকাশের আবরণ অপসারিত হবে, যখন আসমানের পর্দা সরিয়ে ফেলা হবে। وَ اِذَا السَّمَآءُ كُشِطَتْ۪ۙ﴿١١ ﴾
12 আর জাহান্নামকে যখন প্রজ্জ্বলিত করা হবে। জাহান্নামের আগুন যখন উদ্দীপিত করা হবে, যখন জাহান্নামকে উসকে দেয়া হবে, وَ اِذَا الْجَحِیْمُ سُعِّرَتْ۪ۙ﴿١٢ ﴾
13 আর জান্নাতকে যখন নিকটবর্তী করা হবে। এবং জান্নাত যখন নিকটর্বতী করা হবে, আর জান্নাতকে নিকটে আনা হবে, وَ اِذَا الْجَنَّةُ اُزْلِفَتْ۪ۙ﴿١٣ ﴾
14 তখন প্রত্যেক ব্যক্তিই জানতে পারবে সে কী উপস্থিত করেছে! তখন প্রত্যেক ব্যক্তিই জানবে সে কি নিয়ে এসেছে। তখন প্রত্যেক ব্যক্তি জানতে পারবে সে কী (সঙ্গে) নিয়ে এসেছে। عَلِمَتْ نَفْسٌ مَّاۤ اَحْضَرَتْؕ﴿١٤ ﴾
15 আমি কসম করছি পশ্চাদপসারী নক্ষত্রের। কিন্তু না, আমি প্রত্যাবর্তনকারী তারকাপুঞ্জের শপথ করছি! আমি শপথ করছি (গ্রহের) যা পেছনে সরে যায়, فَلَاۤ اُقْسِمُ بِالْخُنَّسِۙ﴿١٥ ﴾
16 যা চলমান, অদৃশ্য। যা গতিশীল ও স্থিতিবান; চলে ও লুকিয়ে যায়, الْجَوَارِ الْكُنَّسِۙ﴿١٦ ﴾
17 আর কসম রাতের, যখন তা বিদায় নেয়। শপথ রাতের যখন ওর আবির্ভাব হয়, শপথ রাতের যখন তা বিদায় নেয় وَ الَّیْلِ اِذَا عَسْعَسَۙ﴿١٧ ﴾
18 আর কসম প্রভাতের, যখন তা আগমন করে। আর উষার যখন ওর আবির্ভাব হয়, আর ঊষার যখন তা নিঃশ্বাস ফেলে অন্ধকারকে বের করে দেয়, وَ الصُّبْحِ اِذَا تَنَفَّسَۙ﴿١٨ ﴾
19 নিশ্চয় এ কুরআন সম্মানিত রাসূলের* আনিত বাণী। নিশ্চয়ই এই কুরআন সম্মানিত বার্তাবহের আনীত বাণী। এ কুরআন নিশ্চয়ই সম্মানিত রসূলের (অর্থাৎ জিবরাঈলের) আনীত বাণী। اِنَّهٗ لَقَوْلُ رَسُوْلٍ كَرِیْمٍۙ﴿١٩ ﴾
20 যে শক্তিশালী, আরশের মালিকের নিকট মর্যাদাসম্পন্ন। যে সামর্থশালী, আরশের মালিকের নিকট মর্যাদাসম্পন্ন, যে শক্তিশালী, ‘আরশের মালিক (আল্লাহ)’র নিকট মর্যাদাশীল। ذِیْ قُوَّةٍ عِنْدَ ذِی الْعَرْشِ مَكِیْنٍۙ﴿٢٠ ﴾
21 মান্যবর, সেখানে সে বিশ্বস্ত। যাকে সেখানে মান্য করা হয় এবং যে বিশ্বাসভাজন। সেখানে মান্য ও বিশ্বস্ত। مُّطَاعٍ ثَمَّ اَمِیْنٍؕ﴿٢١ ﴾
22 আর তোমাদের সাথী* পাগল নয়। এবং তোমাদের সহচর উন্মাদ নয়, (ওহে মাক্কাবাসী!) তোমাদের সঙ্গী (মুহাম্মাদ) পাগল নয়। وَ مَا صَاحِبُكُمْ بِمَجْنُوْنٍۚ﴿٢٢ ﴾
23 আর সে* তাকে** সুস্পষ্ট দিগন্তে দেখেছে। সেতো তাকে স্পষ্ট দিগন্তে অবলোকন করেছে। সে সেই বাণী বাহককে সুস্পষ্ট দিগন্তে দেখেছে, وَ لَقَدْ رَاٰهُ بِالْاُفُقِ الْمُبِیْنِۚ﴿٢٣ ﴾
24 আর সে তো গায়েব সম্পর্কে কৃপণ নয়। সে অদৃশ্য বিষয় সম্পর্কে বর্ণনা করতে কার্পন্য করেনা। সে গায়বের (জ্ঞান মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার) ব্যাপারে কৃপণতা করে না। وَ مَا هُوَ عَلَی الْغَیْبِ بِضَنِیْنٍۚ﴿٢٤ ﴾
25 আর তা কোন অভিশপ্ত শয়তানের উক্তি নয়। এবং ইহা অভিশপ্ত শাইতানের বাক্য নয়। আর তা কোন অভিশপ্ত শয়ত্বানের বাণী নয়। وَ مَا هُوَ بِقَوْلِ شَیْطٰنٍ رَّجِیْمٍۙ﴿٢٥ ﴾
26 সুতরাং তোমরা কোথায় যাচ্ছ? সুতরাং তোমরা কোথায় চলেছ? কাজেই তোমরা (সত্যকে প্রত্যাখ্যান করে) কোথায় চলেছ? فَاَیْنَ تَذْهَبُوْنَؕ﴿٢٦ ﴾
27 এটাতো সৃষ্টিকুলের জন্য উপদেশমাত্র। এটাতো শুধু বিশ্বজগতের জন্য উপদেশ – এটা তো কেবল বিশ্ববাসীদের জন্য উপদেশ। اِنْ هُوَ اِلَّا ذِكْرٌ لِّلْعٰلَمِیْنَۙ﴿٢٧ ﴾
28 যে তোমাদের মধ্যে সরল পথে চলতে চায়, তার জন্য। তোমাদের মধ্যে যে সরল পথে চলতে চায় তার জন্য। তার জন্য- যে তোমাদের মধ্যে সরল সঠিক পথে চলতে চায়। لِمَنْ شَآءَ مِنْكُمْ اَنْ یَّسْتَقِیْمَؕ﴿٢٨ ﴾
29 আর তোমরা ইচ্ছা করতে পার না, যদি না সৃষ্টিকুলের রব আল্লাহ ইচ্ছা করেন। তোমরা ইচ্ছা করবেনা, যদি জগতসমূহের রাব্ব আল্লাহ ইচ্ছা না করেন। তোমরা ইচ্ছে কর না যদি বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহ ইচ্ছে না করেন। وَ مَا تَشَآءُوْنَ اِلَّاۤ اَنْ یَّشَآءَ اللّٰهُ رَبُّ الْعٰلَمِیْنَ﴿٢٩ ﴾