۞ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ ۞
অনুবাদকে টিক দিন        


সমগ্র কুরআনে সার্চ করার জন্য আরবি অথবা বাংলা শব্দ দিন...


তথ্য খুজুন: যেমন মায়িদা x
সুরা লিস্ট দেখুন

সূরা নাম (Sura Name): �������� ���������������� -- Al-Infitar -- ������-���������������������
Arabic Font Size:
আয়ত নাম্বার বায়ান ফাউন্ডেশন মুজিবুর রহমান তাইসীরুল কুরআন আরবি
1 যখন আসমান বিদীর্ণ হবে। আকাশ যখন বিদীর্ণ হবে, যখন আসমান ফেটে যাবে, اِذَا السَّمَآءُ انْفَطَرَتْۙ﴿١ ﴾
2 আর যখন নক্ষত্রগুলো ঝরে পড়বে। যখন নক্ষত্রমন্ডলী বিক্ষিপ্তভাবে ঝরে পড়বে, যখন তারকাগুলো বিক্ষিপ্ত হয়ে (ঝরে) পড়বে, وَ اِذَا الْكَوَاكِبُ انْتَثَرَتْۙ﴿٢ ﴾
3 আর যখন সমুদ্রগুলোকে একাকার করা হবে। যখন সমুদ্র উদ্বেলিত হবে, সমুদ্রকে যখন উত্তাল করে তোলা হবে, وَ اِذَا الْبِحَارُ فُجِّرَتْۙ﴿٣ ﴾
4 আর যখন কবরগুলো উন্মোচিত হবে। এবং যখন কাবরসমূহ সমুত্থিত হবে; যখন কবরস্থ মানুষদেরকে উঠানো হবে, وَ اِذَا الْقُبُوْرُ بُعْثِرَتْۙ﴿٤ ﴾
5 তখন প্রত্যেকে জানতে পারবে, সে যা আগে পাঠিয়েছে এবং যা পিছনে রেখে গেছে। যখন প্রত্যেকে যা পূর্বে প্রেরণ করেছে এবং পশ্চাতে পরিত্যাগ করেছে তা পরিজ্ঞাত হবে। তখন প্রত্যেকে জেনে নিবে সে কী আগে পাঠিয়েছিল, আর কী পেছনে ছেড়ে এসেছিল। عَلِمَتْ نَفْسٌ مَّا قَدَّمَتْ وَ اَخَّرَتْؕ﴿٥ ﴾
6 হে মানুষ, কিসে তোমাকে তোমার মহান রব সম্পর্কে ধোঁকা দিয়েছে? হে মানুষ! কিসে তোমাকে তোমার মহান রাব্ব (আল্লাহ) হতে প্রতারিত করল? হে মানুষ! কিসে তোমাকে তোমার মহান প্রতিপালক সম্পর্কে ধোঁকায় ফেলে দিয়েছে? یٰۤاَیُّهَا الْاِنْسَانُ مَا غَرَّكَ بِرَبِّكَ الْكَرِیْمِۙ﴿٦ ﴾
7 যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন অতঃপর তোমাকে সুসম করেছেন, তারপর তোমাকে সুসমঞ্জস করেছেন। যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তোমাকে সুঠাম করেছেন এবং অতঃপর সুবিন্যস্ত করেছেন, যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তোমাকে সুঠাম করেছেন, অতঃপর তোমাকে করেছেন ভারসাম্যপূর্ণ। الَّذِیْ خَلَقَكَ فَسَوّٰىكَ فَعَدَلَكَۙ﴿٧ ﴾
8 যে আকৃতিতে তিনি চেয়েছেন তোমাকে গঠন করেছেন। যে আকৃতিতে চেয়েছেন, তিনি তোমাকে গঠন করেছেন। তিনি তোমাকে তাঁর ইচ্ছেমত আকৃতিতে গঠন করেছেন। فِیْۤ اَیِّ صُوْرَةٍ مَّا شَآءَ رَكَّبَكَؕ﴿٨ ﴾
9 কখনো নয়, তোমরা তো প্রতিদান দিবসকে অস্বীকার করে থাক। না, কখনই না, তোমরাতো শেষ বিচারকে অস্বীকার করে থাকো; না (তোমাদের এই বিভ্রান্তি মোটেই সঠিক নয়), তোমরা তো (আখেরাতের) শাস্তি ও পুরস্কারকে অস্বীকার করে থাক; كَلَّا بَلْ تُكَذِّبُوْنَ بِالدِّیْنِۙ﴿٩ ﴾
10 আর নিশ্চয় তোমাদের উপর সংরক্ষকগণ রয়েছে। অবশ্যই রয়েছে তোমাদের উপর সংরক্ষকগণ; অবশ্যই তোমাদের উপর নিযুক্ত আছে তত্ত্বাবধায়কগণ; وَ اِنَّ عَلَیْكُمْ لَحٰفِظِیْنَۙ﴿١٠ ﴾
11 সম্মানিত লেখকবৃন্দ। সম্মানিত লেখকবর্গ; সম্মানিত লেখকগণ (যারা লিপিবদ্ধ করছে তোমাদের কার্যকলাপ), كِرَامًا كَاتِبِیْنَۙ﴿١١ ﴾
12 তারা জানে, যা তোমরা কর। তারা অবগত হয় যা তোমরা কর। তারা জানে তোমরা যা কর। یَعْلَمُوْنَ مَا تَفْعَلُوْنَ﴿١٢ ﴾
13 নিশ্চয় সৎকর্মপরায়ণরা থাকবে সুখ- স্বাচ্ছন্দ্যে। পুণ্যবানগণতো থাকবে পরম সুখ সম্পদে; নেককারগণ থাকবে নানান নি‘মাতের মাঝে اِنَّ الْاَبْرَارَ لَفِیْ نَعِیْمٍۚ﴿١٣ ﴾
14 আর নিশ্চয় অন্যায়কারীরা থাকবে প্রজ্জ্বলিত আগুনে। এবং দুস্কর্মকারীরা থাকবে জাহান্নামে; আর পাপীরা থাকবে জাহান্নামে, وَ اِنَّ الْفُجَّارَ لَفِیْ جَحِیْمٍۚۖ﴿١٤ ﴾
15 তারা সেখানে প্রবেশ করবে প্রতিদান দিবসে। তারা কর্মফল দিনে তাতে প্রবিষ্ট হবে; কর্মফলের দিন তারা তাতে প্রবেশ করবে। یَّصْلَوْنَهَا یَوْمَ الدِّیْنِ﴿١٥ ﴾
16 আর তারা সেখান থেকে অনুপস্থিত থাকতে পারবে না। তারা ওটা হতে অন্তর্হিত হতে পারবেনা। তারা সেখান থেকে কক্ষনো উধাও হয়ে যেতে পারবে না। وَ مَا هُمْ عَنْهَا بِغَآىِٕبِیْنَؕ﴿١٦ ﴾
17 আর কিসে তোমাকে জানাবে প্রতিদান দিবস কী? কর্মফল দিন কি তা কি তুমি জান? তুমি কি জান কর্মফলের দিনটি কী? وَ مَاۤ اَدْرٰىكَ مَا یَوْمُ الدِّیْنِۙ﴿١٧ ﴾
18 তারপর বলছি, কিসে তোমাকে জানাবে প্রতিদান দিবস কী? আবার বলিঃ কর্মফল দিন কি তা কি তুমি অবগত আছ? আবার বলি, তুমি কি জান কর্মফলের দিনটি কী ? ثُمَّ مَاۤ اَدْرٰىكَ مَا یَوْمُ الدِّیْنِؕ﴿١٨ ﴾
19 সেদিন কোন মানুষ অন্য মানুষের জন্য কোন কিছুর ক্ষমতা রাখবে না। আর সেদিন সকল বিষয় হবে আল্লাহর কর্তৃত্বে। সেদিন একের অপরের জন্য কিছু করার সামর্থ্য থাকবেনা; এবং সেদিন সমস্ত কর্তৃত্ব হবে একমাত্র আল্লাহর। সেদিন কোন মানুষ অপরের জন্য কিছু করার সামর্থ্য রাখবে না, সেদিন সকল কর্তৃত্ব থাকবে একমাত্র আল্লাহরই (ইখতিয়ারে)। یَوْمَ لَا تَمْلِكُ نَفْسٌ لِّنَفْسٍ شَیْـًٔا ؕ وَ الْاَمْرُ یَوْمَىِٕذٍ لِّلّٰهِ﴿١٩ ﴾