۞ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ ۞
অনুবাদকে টিক দিন        


সমগ্র কুরআনে সার্চ করার জন্য আরবি অথবা বাংলা শব্দ দিন...


তথ্য খুজুন: যেমন মায়িদা x
সুরা লিস্ট দেখুন

সূরা নাম (Sura Name): �������� ���������������� -- Al-Mutaffifin -- ������-������������������������������
Arabic Font Size:
আয়ত নাম্বার বায়ান ফাউন্ডেশন মুজিবুর রহমান তাইসীরুল কুরআন আরবি
1 ধ্বংস যারা পরিমাপে কম দেয় তাদের জন্য। মন্দ পরিণাম তাদের জন্য যারা মাপে কম দেয়, দুর্ভোগ ঠকবাজদের জন্য (যারা মাপে বা ওজনে কম দেয়), وَیْلٌ لِّلْمُطَفِّفِیْنَۙ﴿١ ﴾
2 যারা লোকদের কাছ থেকে মেপে নেয়ার সময় পূর্ণমাত্রায় গ্রহণ করে। যারা লোকের নিকট হতে মেপে নেয়ার সময় পূর্ণ মাত্রায় গ্রহণ করে। যারা লোকের কাছ থেকে মেপে নেয়ার সময় পুরামাত্রায় নেয়, الَّذِیْنَ اِذَا اكْتَالُوْا عَلَی النَّاسِ یَسْتَوْفُوْنَؗۖ﴿٢ ﴾
3 আর যখন তাদেরকে মেপে দেয় অথবা ওজন করে দেয় তখন কম দেয়। এবং যখন তাদের জন্য মেপে অথবা ওজন করে দেয় তখন কম দেয়। আর যখন তাদেরকে মেপে দেয় বা ওজন ক’রে দেয় তখন কম দেয়। وَ اِذَا كَالُوْهُمْ اَوْ وَّ زَنُوْهُمْ یُخْسِرُوْنَؕ﴿٣ ﴾
4 তারা কি দৃঢ় বিশ্বাস করে না যে, নিশ্চয় তারা পুনরুত্থিত হবে, তারা কি চিন্তা করেনা যে, তারা পুনরুত্থিত হবে, তারা কি চিন্তা করে না যে (তাদের মৃত্যুর পর) তাদেরকে আবার উঠানো হবে, اَلَا یَظُنُّ اُولٰٓىِٕكَ اَنَّهُمْ مَّبْعُوْثُوْنَۙ﴿٤ ﴾
5 এক মহা দিবসে ? সেই মহান দিনে; এক মহা দিবসে। لِیَوْمٍ عَظِیْمٍۙ﴿٥ ﴾
6 যেদিন মানুষ সৃষ্টিকুলের রবের জন্য দাঁড়াবে। যে দিন দাঁড়াবে সমস্ত মানুষ জগতসমূহের রবের সম্মুখে! যেদিন মানুষ বিশ্বজগতের প্রতিপালকের সামনে দাঁড়াবে। یَّوْمَ یَقُوْمُ النَّاسُ لِرَبِّ الْعٰلَمِیْنَؕ﴿٦ ﴾
7 কখনো নয়, নিশ্চয় পাপাচারীদের ‘আমলনামা সিজ্জীনে।* না, না, কখনই না; পাপাচারীদের ‘আমলনামা নিশ্চয়ই সিজ্জীনে থাকে; (তারা যে সব ধারণা করছে তা) কক্ষনো না, নিশ্চয়ই পাপীদের ‘আমালনামা সিজ্জীনে (সংরক্ষিত) আছে। كَلَّاۤ اِنَّ كِتٰبَ الْفُجَّارِ لَفِیْ سِجِّیْنٍؕ﴿٧ ﴾
8 কিসে তোমাকে জানাবে ‘সিজ্জীন’ কী? সিজ্জীন কি তা কি তুমি জান? তুমি কি জান সিজ্জীন কী وَ مَاۤ اَدْرٰىكَ مَا سِجِّیْنٌؕ﴿٨ ﴾
9 লিখিত কিতাব। ওটা হচ্ছে লিখিত পুস্তক। সীলমোহরকৃত কিতাব। كِتٰبٌ مَّرْقُوْمٌؕ﴿٩ ﴾
10 সেদিন ধ্বংস অস্বীকারকারীদের জন্য । সেদিন মন্দ পরিণাম হবে মিথ্যাচারীদের – সেদিন দুর্ভোগ হবে অস্বীকারকারীদের, وَیْلٌ یَّوْمَىِٕذٍ لِّلْمُكَذِّبِیْنَۙ﴿١٠ ﴾
11 যারা প্রতিদান দিবসকে অস্বীকার করে। যারা কর্মফল দিনকে অস্বীকার করে, যারা কর্মফল দিবসকে অস্বীকার করে। الَّذِیْنَ یُكَذِّبُوْنَ بِیَوْمِ الدِّیْنِؕ﴿١١ ﴾
12 আর সকল সীমালঙ্ঘনকারী পাপাচারী ছাড়া কেউ তা অস্বীকার করে না। আর সীমা লংঘনকারী মহাপাপী ব্যতীত কেহই ওকে মিথ্যা বলতে পারেনা। কেবল সীমালঙ্ঘনকারী, পাপাচারী ছাড়া কেউই তা অস্বীকার করে না। وَ مَا یُكَذِّبُ بِهٖۤ اِلَّا كُلُّ مُعْتَدٍ اَثِیْمٍۙ﴿١٢ ﴾
13 যখন তার কাছে আমার আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করা হয় তখন সে বলে, ‘পূর্ববর্তীদের রূপকথা।’ তার নিকট আমার আয়াতসমূহ আবৃত্তি করা হলে সে বলেঃ এটাতো পূরাকালীন কাহিনী। তার সামনে যখন আমার আয়াত পড়ে শোনানো হয়, তখন সে বলে, ‘এ তো প্রাচীন কালের লোকেদের কাহিনী’’। اِذَا تُتْلٰی عَلَیْهِ اٰیٰتُنَا قَالَ اَسَاطِیْرُ الْاَوَّلِیْنَؕ﴿١٣ ﴾
14 কখনো নয়, বরং তারা যা অর্জন করত তা-ই তাদের অন্তরসমূহকে ঢেকে দিয়েছে। না, এটা সত্য নয়, বরং তাদের কৃতকর্মের ফলেই তাদের মনের উপর মরিচা জমে গেছে। কক্ষনো না, বরং তাদের কৃতকর্মই তাদের অন্তরে জং ধরিয়ে দিয়েছে। كَلَّا بَلْ ٚ رَانَ عَلٰی قُلُوْبِهِمْ مَّا كَانُوْا یَكْسِبُوْنَ﴿١٤ ﴾
15 কখনো নয়, নিশ্চয় সেদিন তারা তাদের রব থেকে পর্দার আড়ালে থাকবে। না, অবশ্যই সেদিন তারা তাদের রবের সাক্ষাত হতে অন্তরীণ থাকবে; কক্ষনো না, তারা সেদিন তাদের প্রতিপালক থেকে পর্দার আড়ালে থাকবে। كَلَّاۤ اِنَّهُمْ عَنْ رَّبِّهِمْ یَوْمَىِٕذٍ لَّمَحْجُوْبُوْنَؕ﴿١٥ ﴾
16 তারপর নিশ্চয় তারা প্রজ্জ্বলিত আগুনে প্রবেশ করবে। অনন্তর নিশ্চয়ই তারা জাহান্নামে প্রবেশ করবে; অতঃপর তারা অবশ্যই জাহান্নামে প্রবেশ করবে। ثُمَّ اِنَّهُمْ لَصَالُوا الْجَحِیْمِؕ﴿١٦ ﴾
17 তারপর বলা হবে, এটাই তা যা তোমরা অস্বীকার করতে। অতঃপর বলা হবেঃ এটাই তা যা তোমরা অস্বীকার করতে। অতঃপর বলা হবে ‘এটাই তা যা তোমরা অস্বীকার করতে।’ ثُمَّ یُقَالُ هٰذَا الَّذِیْ كُنْتُمْ بِهٖ تُكَذِّبُوْنَؕ﴿١٧ ﴾
18 কখনো নয়, নিশ্চয় নেককার লোকদের আমলনামা থাকবে ইল্লিয়্যীনে ।* অবশ্যই পুণ্যবানদের ‘আমলনামা ইল্লিয়্যীনে থাকবে, (ভাল-মন্দের বিচার হবে না, শাস্তি-পুরস্কার কিছুই হবে না তা) কক্ষনো না, নিশ্চয়ই সৎলোকদের ‘আমালমানা ‘ইল্লিয়ীনে (সংরক্ষিত) আছে। كَلَّاۤ اِنَّ كِتٰبَ الْاَبْرَارِ لَفِیْ عِلِّیِّیْنَؕ﴿١٨ ﴾
19 কিসে তোমাকে জানাবে ‘ইল্লিয়্যীন’ কী? ইল্লিয়্যীন কি তা কি তুমি জান? তুমি কি জান ইল্লিয়ীন কী? وَ مَاۤ اَدْرٰىكَ مَا عِلِّیُّوْنَؕ﴿١٩ ﴾
20 লিখিত কিতাব। (তা হচ্ছে) লিখিত পুস্তক। সীলমোহরকৃত কিতাব। كِتٰبٌ مَّرْقُوْمٌۙ﴿٢٠ ﴾
21 নৈকট্যপ্রাপ্তরাই তা অবলোকন করে। আল্লাহর সান্নিধ্য প্রাপ্তরা ওটা প্রত্যক্ষ করবে। আল্লাহর নৈকট্যপ্রাপ্ত (ফেরেশতারা) তার তত্ত্বাবধান করে। یَّشْهَدُهُ الْمُقَرَّبُوْنَۙ﴿٢١ ﴾
22 নিশ্চয় নেককাররাই থাকবে সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের মধ্যে। সৎ আমলকারীতো থাকবে পরম স্বাচ্ছন্দ্যে। পুণ্যবান লোকেরা থাকবে অফুরন্ত নি‘মাতের মাঝে। اِنَّ الْاَبْرَارَ لَفِیْ نَعِیْمٍۙ﴿٢٢ ﴾
23 সুসজ্জিত আসনে বসে তারা দেখতে থাকবে। তারা সুসজ্জিত আসনে বসে অবলোকন করবে। উচ্চ আসনে বসে তারা (চারদিকের সবকিছু) দেখতে থাকবে। عَلَی الْاَرَآىِٕكِ یَنْظُرُوْنَۙ﴿٢٣ ﴾
24 তুমি তাদের চেহারাসমূহে সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের লাবণ্যতা দেখতে পাবে। তুমি তাদের মুখমন্ডলে স্বাচ্ছন্দ্যের দীপ্তি দেখতে পাবে, তুমি তাদের মুখে আরাম আয়েশের উজ্জ্বলতা দেখতে পাবে। تَعْرِفُ فِیْ وُجُوْهِهِمْ نَضْرَةَ النَّعِیْمِۚ﴿٢٤ ﴾
25 তাদেরকে সীলমোহর করা বিশুদ্ধ পানীয় থেকে পান করানো হবে। তাদেরকে মোহরযুক্ত বিশুদ্ধ মদিরা হতে পান করানো হবে, তাদেরকে পান করানো হবে সীল-আঁটা উৎকৃষ্ট পানীয়। یُسْقَوْنَ مِنْ رَّحِیْقٍ مَّخْتُوْمٍۙ﴿٢٥ ﴾
26 তার মোহর হবে মিসক। আর প্রতিযোগিতাকারীদের উচিৎ এ বিষয়ে প্রতিযোগিতা করা। ওর মোহর হচ্ছে কস্তুরীর। আর থাকে যদি কারও কোন আকাংখা বা কামনা, তাহলে তারা এরই কামনা করুক। তার সীল হবে মিশকের, প্রতিযোগীরা এ বিষয়েই প্রতিযোগিতা করুক। خِتٰمُهٗ مِسْكٌ ؕ وَ فِیْ ذٰلِكَ فَلْیَتَنَافَسِ الْمُتَنَافِسُوْنَؕ﴿٢٦ ﴾
27 আর তার মিশ্রণ হবে তাসনীম থেকে। ওর মিশ্রণ হবে তাসনীমের। তাতে মেশানো থাকবে ‘তাসনীম, وَ مِزَاجُهٗ مِنْ تَسْنِیْمٍۙ﴿٢٧ ﴾
28 তা এক প্রস্রবণ, যা থেকে নৈকট্যপ্রাপ্তরা পান করবে। এটি একটি প্রস্রবণ, যা হতে নৈকট্য প্রাপ্ত ব্যক্তিরা পান করে। ওটা একটা ঝর্ণা, যাত্থেকে (আল্লাহর) নৈকট্যপ্রাপ্তরা পান করবে। عَیْنًا یَّشْرَبُ بِهَا الْمُقَرَّبُوْنَؕ﴿٢٨ ﴾
29 নিশ্চয় যারা অপরাধ করেছে তারা মুমিনদেরকে নিয়ে হাসত। অপরাধীরা মু’মিনদেরকে উপহাস করত, পাপাচারী লোকেরা (দুনিয়ায়) মু’মিনদেরকে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করত। اِنَّ الَّذِیْنَ اَجْرَمُوْا كَانُوْا مِنَ الَّذِیْنَ اٰمَنُوْا یَضْحَكُوْنَؗۖ﴿٢٩ ﴾
30 আর যখন তারা মুমিনদের পাশ দিয়ে যেত তখন তারা তাদেরকে নিয়ে চোখ টিপে বিদ্রূপ করত। এবং তারা যখন মু’মিনদের নিকট দিয়ে যেত তখন, আর তারা যখন তাদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করত তখন পরস্পরে চোখ টিপে ইশারা করত। وَ اِذَا مَرُّوْا بِهِمْ یَتَغَامَزُوْنَؗۖ﴿٣٠ ﴾
31 আর যখন তারা পরিবার-পরিজনের কাছে ফিরে আসত তখন তারা উৎফুল্ল হয়ে ফিরে আসত। এবং যখন তাদের আপনজনের নিকট ফিরে আসতো তখন তারা ফিরতো উৎফুল্ল হয়ে। আর তারা যখন তাদের আপন জনদের কাছে ফিরে আসত, তখন (মু’মিনদেরকে ঠাট্টা ক’রে আসার কারণে) ফিরত উৎফুল্ল হয়ে। وَ اِذَا انْقَلَبُوْۤا اِلٰۤی اَهْلِهِمُ انْقَلَبُوْا فَكِهِیْنَؗۖ﴿٣١ ﴾
32 আর যখন তারা মুমিনদেরকে দেখত তখন বলত, ‘নিশ্চয় এরা পথভ্রষ্ট’। এবং যখন তাদেরকে দেখত তখন বলতঃ এরাইতো পথভ্রষ্ট। আর তারা যখন মু’মিনদেরকে দেখত তখন বলত, ‘এরা তো অবশ্যই গুমরাহ্।’ وَ اِذَا رَاَوْهُمْ قَالُوْۤا اِنَّ هٰۤؤُلَآءِ لَضَآلُّوْنَۙ﴿٣٢ ﴾
33 আর তাদেরকে তো মুমিনদের হিফাযতকারী হিসেবে পাঠানো হয়নি। তাদেরকে তো এদের সংরক্ষকরূপে পাঠানো হয়নি! তাদেরকে তো মু’মিনদের হিফাযাতকারী হিসেবে পাঠানো হয়নি (মু’মিনদের কৃতকর্মের হিসাব মু’মিনরাই দিবে)। وَ مَاۤ اُرْسِلُوْا عَلَیْهِمْ حٰفِظِیْنَؕ﴿٣٣ ﴾
34 অতএব আজ মুমিনরাই কাফিরদেরকে নিয়ে হাসবে। আজ তাই মু’মিনগণ উপহাস করছে কাফিরদেরকে – আজ (জান্নাত হতে) মু’মিনরা কাফিরদের (পরিণতির) উপর হাসছে, فَالْیَوْمَ الَّذِیْنَ اٰمَنُوْا مِنَ الْكُفَّارِ یَضْحَكُوْنَۙ﴿٣٤ ﴾
35 উচ্চ আসনে বসে তারা দেখতে থাকবে। সুসজ্জিত আসন হতে তাদেরকে অবলোকন করে। উচ্চ আসনে বসে তাদের অবস্থা দেখছে। عَلَی الْاَرَآىِٕكِ ۙ یَنْظُرُوْنَؕ﴿٣٥ ﴾
36 কাফিরদেরকে তাদের কৃতকর্মের প্রতিদান দেয়া হল তো? কাফিরেরা তাদের কৃত কর্মের ফল পেলো তো? কাফিররা যা করত তার ‘সওয়াব’ পেল তো? هَلْ ثُوِّبَ الْكُفَّارُ مَا كَانُوْا یَفْعَلُوْنَ﴿٣٦ ﴾