۞ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ ۞
অনুবাদকে টিক দিন        


সমগ্র কুরআনে সার্চ করার জন্য আরবি অথবা বাংলা শব্দ দিন...


তথ্য খুজুন: যেমন মায়িদা x
সুরা লিস্ট দেখুন

সূরা নাম (Sura Name): �������� ���������������� -- Al-Inshiqaq -- ������-���������������������
Arabic Font Size:
আয়ত নাম্বার বায়ান ফাউন্ডেশন মুজিবুর রহমান তাইসীরুল কুরআন আরবি
1 যখন আসমান ফেটে যাবে। যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে, যখন আসমান ফেটে যাবে, اِذَا السَّمَآءُ انْشَقَّتْۙ﴿١ ﴾
2 আর তার রবের নির্দেশ পালন করবে এবং এটাই তার করণীয়। এবং ওটা স্বীয় রবের আদেশ পালন করবে, আর ওকে তদুপযোগী করা হবে, এবং স্বীয় রব-এর নির্দেশ পালন করবে, আর তাই তার করণীয়। وَ اَذِنَتْ لِرَبِّهَا وَ حُقَّتْۙ﴿٢ ﴾
3 আর যখন যমীনকে সম্প্রসারিত করা হবে। এবং পৃথিবীকে যখন সম্প্রসারিত করা হবে, এবং যমীনকে যখন প্রসারিত করা হবে, وَ اِذَا الْاَرْضُ مُدَّتْۙ﴿٣ ﴾
4 আর তার মধ্যে যা রয়েছে তা নিক্ষেপ করবে এবং খালি হয়ে যাবে। এবং পৃথিবী তার অভ্যন্তরে যা আছে তা বাইরে নিক্ষেপ করবে ও শূন্য গর্ভ হয়ে যাবে, আর তা তার ভেতরে যা আছে তা বাইরে নিক্ষেপ করবে ও খালি হয়ে যাবে। وَ اَلْقَتْ مَا فِیْهَا وَ تَخَلَّتْۙ﴿٤ ﴾
5 আর তার রবের নির্দেশ পালন করবে এবং এটাই তার করণীয়। এবং তার রবের আদেশ পালন করবে, আর ওকে তদুপযোগী করা হবে (তখন তোমরা পুনরুত্থিত হবেই)। এবং স্বীয় রব-এর নির্দেশ পালন করবে আর তাই তার করণীয়। وَ اَذِنَتْ لِرَبِّهَا وَ حُقَّتْؕ﴿٥ ﴾
6 হে মানুষ, তোমার রব পর্যন্ত (পৌঁছতে) অবশ্যই তোমাকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। অতঃপর তুমি তাঁর সাক্ষাৎ পাবে। হে মানবসকল! তোমরা কঠোর পরিশ্রম করতে থাক, তোমাদের আমাল অনুযায়ী তোমাদের রবের সাক্ষাত লাভ করবে, আর এটাতো অবশ্যম্ভাবি। হে মানুষ! তোমাকে তোমার রব পর্যন্ত পৌঁছতে বহু কষ্ট স্বীকার করতে হবে, অতঃপর তুমি তার সাক্ষাৎ লাভ করবে। یٰۤاَیُّهَا الْاِنْسَانُ اِنَّكَ كَادِحٌ اِلٰی رَبِّكَ كَدْحًا فَمُلٰقِیْهِۚ﴿٦ ﴾
7 অতঃপর যাকে তার আমলনামা তার ডান হাতে দেয়া হবে; অতঃপর যাকে ডান হাতে তার কর্মলিপি প্রদত্ত হবে – অতঃপর যার ‘আমালনামা তার ডান হাতে দেয়া হবে। فَاَمَّا مَنْ اُوْتِیَ كِتٰبَهٗ بِیَمِیْنِهٖۙ﴿٧ ﴾
8 অত্যন্ত সহজভাবেই তার হিসাব-নিকাশ করা হবে। তার হিসাব-নিকাশতো সহজভাবে গৃহীত হবে, তার হিসাব সহজভাবেই নেয়া হবে। فَسَوْفَ یُحَاسَبُ حِسَابًا یَّسِیْرًاۙ﴿٨ ﴾
9 আর সে তার পরিবার-পরিজনের কাছে আনন্দিত হয়ে ফিরে যাবে। এবং সে তার স্বজনদের নিকট প্রফুল্ল চিত্তে ফিরে যাবে। সে তার স্বজনদের কাছে সানন্দে ফিরে যাবে। وَّ یَنْقَلِبُ اِلٰۤی اَهْلِهٖ مَسْرُوْرًاؕ﴿٩ ﴾
10 আর যাকে তার আমলনামা পিঠের পেছনে দেয়া হবে, এবং যাকে তার কর্মলিপি তার পৃষ্ঠের পশ্চাদ্ভাগে দেয়া হবে – আর যাকে তার ‘আমালনামা তার পিঠের পিছন দিক থেকে দেয়া হবে, وَ اَمَّا مَنْ اُوْتِیَ كِتٰبَهٗ وَرَآءَ ظَهْرِهٖۙ﴿١٠ ﴾
11 অতঃপর সে ধ্বংস আহবান করতে থাকবে। ফলে অচিরেই সে মৃত্যুকে আহবান করবে, সে মৃত্যুকে ডাকবে, فَسَوْفَ یَدْعُوْا ثُبُوْرًاۙ﴿١١ ﴾
12 আর সে জ্বলন্ত আগুনে প্রবেশ করবে। এবং জ্বলন্ত আগুনে সে প্রবেশ করবে। এবং জ্বলন্ত আগুনে প্রবেশ করবে। وَّ یَصْلٰی سَعِیْرًاؕ﴿١٢ ﴾
13 নিশ্চয় সে তার পরিবার-পরিজনদের মধ্যে আনন্দে ছিল। সে তার স্বজনদের মধ্যেতো সহর্ষে ছিল, সে তার পরিবার-পরিজনের মাঝে আনন্দে মগ্ন ছিল, اِنَّهٗ كَانَ فِیْۤ اَهْلِهٖ مَسْرُوْرًاؕ﴿١٣ ﴾
14 নিশ্চয় সে মনে করত যে, সে কখনো ফিরে যাবে না। যেহেতু সে ভাবতো যে, সে কখনই প্রত্যাবর্তিত হবেনা। সে ভাবত যে, সে কক্ষনো (আল্লাহর কাছে) ফিরে যাবে না। اِنَّهٗ ظَنَّ اَنْ لَّنْ یَّحُوْرَۚۛ﴿١٤ ﴾
15 হ্যাঁ, নিশ্চয় তার রব তার প্রতি সম্যক দৃষ্টি দানকারী। হ্যাঁ,(অবশ্যই প্রত্যাবর্তিত হবে) নিশ্চয়ই তার রাব্ব তার উপর সবিশেষ দৃষ্টি রাখেন। অবশ্যই ফিরে যাবে, তার প্রতিপালক তার প্রতি দৃষ্টি রাখছেন। بَلٰۤی ۛۚ اِنَّ رَبَّهٗ كَانَ بِهٖ بَصِیْرًاؕ﴿١٥ ﴾
16 অতঃপর আমি কসম করছি পশ্চিম আকাশের লালিমার। আমি শপথ করি অস্তরাগের – আমি শপথ করি সন্ধ্যাকালীন লালিমার, فَلَاۤ اُقْسِمُ بِالشَّفَقِۙ﴿١٦ ﴾
17 আর রাতের কসম এবং রাত যা কিছুর সমাবেশ ঘটায় তার। এবং রাতের, আর ওটা যা কিছুর সমাবেশ ঘটায় তার, আর রাতের এবং তা যা কিছুর সমাবেশ ঘটায় তার, وَ الَّیْلِ وَ مَا وَسَقَۙ﴿١٧ ﴾
18 আর চাঁদের কসম, যখন তা পরিপূর্ণ হয়। এবং শপথ চন্দ্রের যখন ওটা পরিপূর্ণ হয়, আর চাঁদের যখন তা পূর্ণ চাঁদে পরিণত হয়, وَ الْقَمَرِ اِذَا اتَّسَقَۙ﴿١٨ ﴾
19 অবশ্যই তোমরা এক স্তর থেকে অন্য স্তরে আরোহণ করবে। নিশ্চয়ই তোমরা এক স্তর হতে অন্য স্তরে আরোহণ করবে, অবশ্যই তোমরা (আধ্যাত্মিক ও জাগতিক সর্বক্ষেত্রে) স্তরে স্তরে উন্নতির সিঁড়ি বেয়ে উর্ধ্বে উঠবে। لَتَرْكَبُنَّ طَبَقًا عَنْ طَبَقٍؕ﴿١٩ ﴾
20 অতএব তাদের কী হল যে, তারা ঈমান আনছে না? সুতরাং তাদের কি হল যে, তারা বিশ্বাস স্থাপন করেনা? অতএব তাদের কী হল যে তারা ঈমান আনে না? فَمَا لَهُمْ لَا یُؤْمِنُوْنَۙ﴿٢٠ ﴾
21 আর যখন তাদের কাছে কুরআন তিলাওয়াত করা হয় তখন তারা সিজদা করে না।[সাজদাহ] এবং তাদের নিকট কুরআন পঠিত হলে তারা সাজদাহ করেনা? [সাজদাহ] আর তাদের কাছে যখন কুরআন পাঠ করা হয় তখন সাজদাহ করে না?[সাজদাহ] وَ اِذَا قُرِئَ عَلَیْهِمُ الْقُرْاٰنُ لَا یَسْجُدُوْنَؕ۩﴿٢١ ﴾
22 বরং কাফিররা অস্বীকার করে। পরন্তু কাফিরেরাই অসত্যারোপ করে, (কুরআন শুনে সেজদা করা তো দূরের কথা) বরং কাফিররা ওটাকে অস্বীকারই করে। بَلِ الَّذِیْنَ كَفَرُوْا یُكَذِّبُوْنَؗۖ﴿٢٢ ﴾
23 আর তারা যা অন্তরে পোষণ করে আল্লাহ তা সবিশেষ পরিজ্ঞাত। অথচ তারা (মনে মনে) যা পোষণ করে আল্লাহ তা সবিশেষ পরিজ্ঞাত। আল্লাহ খুব ভাল করেই জানেন তারা (তাদের অন্তরে) কী লুকিয়ে রাখে। وَ اللّٰهُ اَعْلَمُ بِمَا یُوْعُوْنَؗۖ﴿٢٣ ﴾
24 অতএব তুমি তাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক আযাবের সুসংবাদ দাও। সুতরাং তাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির সুসংবাদ প্রদান কর। কাজেই তাদেরকে মর্মান্তিক ‘আযাবের সুসংবাদ দাও। فَبَشِّرْهُمْ بِعَذَابٍ اَلِیْمٍۙ﴿٢٤ ﴾
25 কিন্তু যারা ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে তাদের জন্য রয়েছে নিরবচ্ছিন্ন প্রতিদান। যারা ঈমান আনে ও সৎ কাজ করে তাদের জন্য রয়েছে অবিচ্ছিন্ন পুরস্কার। কিন্তু যারা ঈমান আনে আর সৎকাজ করে তারা বাদে; তাদের জন্য আছে অফুরন্ত প্রতিদান। اِلَّا الَّذِیْنَ اٰمَنُوْا وَ عَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ لَهُمْ اَجْرٌ غَیْرُ مَمْنُوْنٍ﴿٢٥ ﴾