۞ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ ۞
অনুবাদকে টিক দিন        


সমগ্র কুরআনে সার্চ করার জন্য আরবি অথবা বাংলা শব্দ দিন...


তথ্য খুজুন: যেমন মায়িদা x
সুরা লিস্ট দেখুন

সূরা নাম (Sura Name): �������� �������������� -- Al-Ghashiya -- ������-������������������
Arabic Font Size:
আয়ত নাম্বার বায়ান ফাউন্ডেশন মুজিবুর রহমান তাইসীরুল কুরআন আরবি
1 কিয়ামতের সংবাদ কি তোমার কাছে এসেছে? তোমার কাছে কি সমাচ্ছন্নকারী সংবাদ পৌঁছেছে? (সব কিছুকে) আচ্ছন্নকারী কিয়ামাতের খবর তোমার কাছে পৌঁছেছে কি? هَلْ اَتٰىكَ حَدِیْثُ الْغَاشِیَةِؕ﴿١ ﴾
2 সেদিন অনেক চেহারা হবে অবনত। সেদিন বহু মুখমন্ডল অবনত হবে; কতক মুখ সেদিন নীচু হবে وُجُوْهٌ یَّوْمَىِٕذٍ خَاشِعَةٌۙ﴿٢ ﴾
3 কর্মক্লান্ত, পরিশ্রান্ত। কর্মক্লান্ত পরিশ্রান্তভাবে; হবে কর্মক্লান্ত, শ্রান্ত। عَامِلَةٌ نَّاصِبَةٌۙ﴿٣ ﴾
4 তারা প্রবেশ করবে জ্বলন্ত আগুনে। তারা প্রবেশ করবে জ্বলন্ত আগুনে; তারা জ্বলন্ত আগুনে প্রবেশ করবে। تَصْلٰی نَارًا حَامِیَةًۙ﴿٤ ﴾
5 তাদের পান করানো হবে ফুটন্ত ঝর্ণা থেকে। তাদেরকে উত্তপ্ত প্রস্রবণ হতে পান করানো হবে, টগবগে ফুটন্ত ঝর্ণা থেকে তাদেরকে পান করানো হবে। تُسْقٰی مِنْ عَیْنٍ اٰنِیَةٍؕ﴿٥ ﴾
6 তাদের জন্য কাঁটাবিশিষ্ট গুল্ম ছাড়া কোন খাদ্য থাকবে না। তাদের জন্য বিষাক্ত কন্টক ব্যতীত খাদ্য নেই – কাঁটাযুক্ত শুকনো ঘাস ছাড়া তাদের জন্য আর কোন খাদ্য থাকবে না। لَیْسَ لَهُمْ طَعَامٌ اِلَّا مِنْ ضَرِیْعٍۙ﴿٦ ﴾
7 তা মোটা-তাজাও করবে না এবং ক্ষুধাও নিবারণ করবে না। যা তাদেরকে পুষ্ট করবেনা এবং তাদের ক্ষুধাও নিবৃত্ত করবেনা। যা পুষ্টিসাধন করবে না, আর ক্ষুধাও মিটাবে না। لَّا یُسْمِنُ وَ لَا یُغْنِیْ مِنْ جُوْعٍؕ﴿٧ ﴾
8 সেদিন অনেক চেহারা হবে লাবণ্যময়। বহু মুখমন্ডল হবে সেদিন আনন্দোজ্জ্বল – কতক মুখ সেদিন হবে আনন্দে উজ্জ্বল। وُجُوْهٌ یَّوْمَىِٕذٍ نَّاعِمَةٌۙ﴿٨ ﴾
9 নিজদের চেষ্টা সাধনায় সন্তুষ্ট। নিজেদের কর্মসাফল্যে পরিতৃপ্ত, নিজেদের চেষ্টা-সাধনার জন্য সন্তুষ্ট। لِّسَعْیِهَا رَاضِیَةٌۙ﴿٩ ﴾
10 সুউচ্চ জান্নাতে। সমুন্নত কাননে অবস্থিতি হবে – উচ্চ মর্যাদাপূর্ণ জান্নাতে, فِیْ جَنَّةٍ عَالِیَةٍۙ﴿١٠ ﴾
11 সেখানে তারা শুনবে না কোন অসার বাক্য। সেখানে তারা অবান্তর বাক্য শুনবেনা। সেখানে শুনবে না কোন অনর্থক কথাবার্তা, لَّا تَسْمَعُ فِیْهَا لَاغِیَةًؕ﴿١١ ﴾
12 সেখানে থাকবে প্রবাহমান ঝর্ণাধারা, সেখানে আছে প্রবহমান ঝর্ণাধারা – সেখানে থাকবে প্রবহমান ঝর্ণা, فِیْهَا عَیْنٌ جَارِیَةٌۘ﴿١٢ ﴾
13 সেখানে থাকবে সুউচ্চ আসনসমূহ। তন্মধ্যে রয়েছে সমুচ্চ আসনসমূহ; সেখানে থাকবে উন্নত মর্যাদাসম্পন্ন আসন, فِیْهَا سُرُرٌ مَّرْفُوْعَةٌۙ﴿١٣ ﴾
14 আর প্রস্তুত পানপাত্রসমূহ। এবং সুরক্ষিত পান পাত্রসমূহ, পানপাত্র থাকবে প্রস্তুত। وَّ اَكْوَابٌ مَّوْضُوْعَةٌۙ﴿١٤ ﴾
15 আর সারি সারি বালিশসমূহ। ও সারি সারি তাকিয়াসমূহ, সারি সারি বালিশ, وَّ نَمَارِقُ مَصْفُوْفَةٌۙ﴿١٥ ﴾
16 আর বিস্তৃত বিছানো কার্পেটরাজি। এবং সম্প্রসারিত গালিচাসমূহ। আর থাকবে মখমল- বিছানো। وَّ زَرَابِیُّ مَبْثُوْثَةٌؕ﴿١٦ ﴾
17 তবে কি তারা উটের প্রতি দৃষ্টিপাত করে না, কীভাবে তা সৃষ্টি করা হয়েছে? তাহলে কি তারা উষ্ট্র পালের দিকে লক্ষ্য করেনা যে, কিভাবে ওকে সৃষ্টি করা হয়েছে? (ক্বিয়ামত হবে একথা যারা অমান্য করে) তারা কি উটের প্রতি লক্ষ্য করে না, (সৃষ্টি কুশলতায় ভরপুর ক’রে) কী ভাবে তা সৃষ্টি করা হয়েছে? اَفَلَا یَنْظُرُوْنَ اِلَی الْاِبِلِ كَیْفَ خُلِقَتْ﴿١٧ ﴾
18 আর আকাশের দিকে, কীভাবে তা ঊর্ধ্বে স্থাপন করা হয়েছে? এবং আকাশের দিকে যে, কিভাবে ওটাকে সমুচ্চ করা হয়েছে? এবং আসমানের দিকে, কীভাবে তা ঊর্ধ্বে উঠানো হয়েছে? وَ اِلَی السَّمَآءِ كَیْفَ رُفِعَتْ﴿١٨ ﴾
19 আর পর্বতমালার দিকে, কীভাবে তা স্থাপন করা হয়েছে? এবং পর্বতমালার দিকে যে, কিভাবে ওটা দৃঢ়ভাবে স্থাপন করা হয়েছে? এবং পর্বতমালার দিকে, কী রকম দৃঢ়ভাবে তাকে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে? وَ اِلَی الْجِبَالِ كَیْفَ نُصِبَتْ﴿١٩ ﴾
20 আর যমীনের দিকে, কীভাবে তা বিস্তৃত করা হয়েছে? এবং ভূতলের দিকে যে, কিভাবে ওটাকে সমতল করা হয়েছে? আর যমীনের দিকে, কীভাবে তাকে বিছিয়ে দেয়া হয়েছে? وَ اِلَی الْاَرْضِ كَیْفَ سُطِحَتْ﴿٢٠ ﴾
21 অতএব তুমি উপদেশ দাও, তুমি তো একজন উপদেশদাতা মাত্র। অতএব তুমি উপদেশ দিতে থাক, তুমিতো একজন উপদেশ দাতা মাত্র। কাজেই তুমি তাদেরকে উপদেশ দাও, তুমি একজন উপদেশদাতা মাত্র। فَذَكِّرْ ؕ۫ اِنَّمَاۤ اَنْتَ مُذَكِّرٌؕ﴿٢١ ﴾
22 তুমি তাদের উপর শক্তি প্রয়োগকারী নও। তুমি তাদের কর্মনিয়ন্ত্রক নও। তুমি তাদের ওপর জবরদস্তিকারী নও। لَسْتَ عَلَیْهِمْ بِمُصَۜیْطِرٍۙ﴿٢٢ ﴾
23 তবে যে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং কুফরী করে, তবে কেহ মুখ ফিরিয়ে নিলে ও কুফরী করলে – তবে কেউ কুফুরি করলে এবং মুখ ফিরিয়ে নিলে اِلَّا مَنْ تَوَلّٰی وَ كَفَرَۙ﴿٢٣ ﴾
24 ফলে আল্লাহ তাকে কঠোর আযাব দেবেন। আল্লাহ তাকে কঠোর দন্ডে দন্ডিত করবেন। আল্লাহ তাকে মহাশাস্তিতে শাস্তি দেবেন। فَیُعَذِّبُهُ اللّٰهُ الْعَذَابَ الْاَكْبَرَؕ﴿٢٤ ﴾
25 নিশ্চয় আমারই নিকট তাদের প্রত্যাবর্তন। নিশ্চয়ই তাদের প্রত্যাবর্তন আমারই নিকট। তাদেরকে আমার কাছেই ফিরে আসতে হবে। اِنَّ اِلَیْنَاۤ اِیَابَهُمْۙ﴿٢٥ ﴾
26 তারপর নিশ্চয় তাদের হিসাব-নিকাশ আমারই দায়িত্বে। অতঃপর আমারই নিকট তাদের হিসাব-নিকাশ (গ্রহণের ভার)। অতঃপর তাদের হিসাব নেয়া তো আমারই কাজ। ثُمَّ اِنَّ عَلَیْنَا حِسَابَهُمْ﴿٢٦ ﴾