۞ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ ۞
অনুবাদকে টিক দিন        


সমগ্র কুরআনে সার্চ করার জন্য আরবি অথবা বাংলা শব্দ দিন...


তথ্য খুজুন: যেমন মায়িদা x
সুরা লিস্ট দেখুন

সূরা নাম (Sura Name): �������� ���������� -- Al-Fajr -- ������-������������
Arabic Font Size:
আয়ত নাম্বার বায়ান ফাউন্ডেশন মুজিবুর রহমান তাইসীরুল কুরআন আরবি
1 কসম ভোরবেলার। শপথ ঊষার, ঊষার শপথ, وَ الْفَجْرِۙ﴿١ ﴾
2 কসম দশ রাতের। শপথ দশ রাতের, (জিলহাজ্জ মাসের প্রথম) দশ রাতের শপথ, وَ لَیَالٍ عَشْرٍۙ﴿٢ ﴾
3 কসম জোড় ও বিজোড়ের। শপথ জোড় ও বেজোড়ের, জোড় ও বেজোড়ের শপথ, وَّ الشَّفْعِ وَ الْوَتْرِۙ﴿٣ ﴾
4 কসম রাতের, যখন তা বিদায় নেয়। এবং শপথ রাতের, যখন ওটা গত হতে থাকে। আর রাতের শপথ যখন তা গত হতে থাকে, وَ الَّیْلِ اِذَا یَسْرِۚ﴿٤ ﴾
5 এর মধ্যে কি বোধশক্তিসম্পন্ন ব্যক্তির জন্য কসম আছে? জ্ঞানবান ব্যক্তি জন্য কি এর মধ্যে কসম করার উপাদান নেই? অবশ্যই এতে জ্ঞানী ব্যক্তির জন্য শপথ আছে। هَلْ فِیْ ذٰلِكَ قَسَمٌ لِّذِیْ حِجْرٍؕ﴿٥ ﴾
6 তুমি কি দেখনি তোমার রব কিরূপ আচরণ করেছেন ‘আদ জাতির সাথে? তুমি কি দেখনি তোমার রাব্ব কি করেছিলেন ‘আদ বংশের – তুমি কি দেখনি তোমার প্রতিপালক ‘আদ জাতির সঙ্গে কী ব্যবহার করেছিলেন? اَلَمْ تَرَ كَیْفَ فَعَلَ رَبُّكَ بِعَادٍ۪ۙ﴿٦ ﴾
7 ইরাম গোত্রের সাথে, যারা ছিল সুউচ্চ স্তম্ভের অধিকারী? ইরাম গোত্রের প্রতি, যারা অধিকারী ছিল সুউচ্চ প্রাসাদের? উচ্চ স্তম্ভ নির্মাণকারী ইরাম গোত্রের প্রতি? اِرَمَ ذَاتِ الْعِمَادِ۪ۙ﴿٧ ﴾
8 যার সমতুল্য কোন দেশে সৃষ্টি করা হয়নি। যার সমতুল্য অন্য কোন নগর নির্মিত হয়নি? যার সমতুল্য অন্য কোন দেশে নির্মিত হয়নি। الَّتِیْ لَمْ یُخْلَقْ مِثْلُهَا فِی الْبِلَادِ۪ۙ﴿٨ ﴾
9 আর সামূদ সম্প্রদায়, যারা উপত্যকায় পাথর কেটে বাড়ি ঘর নির্মাণ করেছিল? এবং ছামূদের প্রতি, যারা উপত্যকার পাথর কেটে গৃহ নির্মাণ করেছিল? এবং সামূদের প্রতি যারা উপত্যকায় পাথর কেটে গৃহ নির্মাণ করেছিল? وَ ثَمُوْدَ الَّذِیْنَ جَابُوا الصَّخْرَ بِالْوَادِ۪ۙ﴿٩ ﴾
10 আর ফির‘আউন, সেনাছাউনীর অধিপতি? এবং বহু সৈন্য শিবিরের অধিপতি ফির‘আউনের প্রতি – এবং (সেনা ছাউনী স্থাপনের কাজে ব্যবহৃত) কীলক-এর অধিপতি ফেরাউনের প্রতি? وَ فِرْعَوْنَ ذِی الْاَوْتَادِ۪ۙ﴿١٠ ﴾
11 যারা সকল দেশে সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। যারা নগরসমূহে উদ্ধতাচরণ করেছিল। যারা দেশে সীমালঙ্ঘনমূলক আচরণ করেছিল, الَّذِیْنَ طَغَوْا فِی الْبِلَادِ۪ۙ﴿١١ ﴾
12 অতঃপর তারা সেখানে বিপর্যয় বাড়িয়ে দিয়েছিল। অতঃপর সেখানে তারা বহু বিপ্লব (সংঘটিত) করেছিল। আর সেখানে বহু বিপর্যয় সৃষ্টি করেছিল। فَاَكْثَرُوْا فِیْهَا الْفَسَادَ۪ۙ﴿١٢ ﴾
13 ফলে তোমার রব তাদের উপর আযাবের কশাঘাত মারলেন। সুতরাং তোমার রাব্ব তাদের উপর শাস্তির কশাঘাত হানলেন। অতঃপর তোমার প্রতিপালক তাদের উপর শাস্তির চাবুক হানলেন فَصَبَّ عَلَیْهِمْ رَبُّكَ سَوْطَ عَذَابٍۚۙ﴿١٣ ﴾
14 নিশ্চয় তোমার রব ঘাঁটিতেই।* নিশ্চয়ই তোমার রাব্ব সবই দেখেন ও সময়ের প্রতীক্ষায় থাকেন। তোমার প্রতিপালক অবশ্যই সতর্ক দৃষ্টি রাখছেন (যেমন ঘাঁটিতে শত্রুর প্রতি দৃষ্টি রাখা হয়)। اِنَّ رَبَّكَ لَبِالْمِرْصَادِؕ﴿١٤ ﴾
15 আর মানুষ তো এমন যে, যখন তার রব তাকে পরীক্ষা করেন, অতঃপর তাকে সম্মান দান করেন এবং অনুগ্রহ প্রদান করেন, তখন সে বলে, ‘আমার রব আমাকে সম্মানিত করেছেন। মানুষতো এমনই যে, তার রাব্ব যখন তাকে পরীক্ষা করেন, পরে তাকে সম্মানিত করেন এবং সুখ-সম্পদ দান করেন, তখন সে বলেঃ আমার রাব্ব আমাকে সম্মানিত করেছেন। মানুষ এমন যে, তার প্রতিপালক যখন তাকে পরীক্ষা করেন সম্মান ও অনুগ্রহ দান ক’রে, তখন সে বলে, ‘আমার রব আমাকে সম্মানিত করেছেন।’ فَاَمَّا الْاِنْسَانُ اِذَا مَا ابْتَلٰىهُ رَبُّهٗ فَاَكْرَمَهٗ وَ نَعَّمَهٗ ۙ۬ فَیَقُوْلُ رَبِّیْۤ اَكْرَمَنِؕ﴿١٥ ﴾
16 আর যখন তিনি তাকে পরীক্ষা করেন এবং তার উপর তার রিয্ককে সঙ্কুচিত করে দেন, তখন সে বলে, ‘আমার রব আমাকে অপমানিত করেছেন’। এবং আবার যখন তাকে পরীক্ষা করেন, অতঃপর তার রিয্ক সংকুচিত করেন, তখন সে বলেঃ আমার রাব্ব আমাকে হীন করেছেন। আর যখন তিনি তাকে পরীক্ষা করেন তার রিযক সঙ্কুচিত ক’রে, তখন সে বলে, ‘আমার রব আমাকে লাঞ্ছিত করেছেন।’ وَ اَمَّاۤ اِذَا مَا ابْتَلٰىهُ فَقَدَرَ عَلَیْهِ رِزْقَهٗ ۙ۬ فَیَقُوْلُ رَبِّیْۤ اَهَانَنِۚ﴿١٦ ﴾
17 কখনো নয়, বরং তোমরা ইয়াতীমদের দয়া-অনুগ্রহ প্রদর্শন কর না। না, কখনই নয়। বস্তুতঃ তোমরা ইয়াতীমদেরকে সম্মান করনা। না (রিযক) কক্ষনো (মান-সম্মানের মানদন্ড) নয়, বরং তোমরা ইয়াতীমের প্রতি সম্মানজনক আচরণ কর না, كَلَّا بَلْ لَّا تُكْرِمُوْنَ الْیَتِیْمَۙ﴿١٧ ﴾
18 আর তোমরা মিসকীনদের খাদ্যদানে পরষ্পরকে উৎসাহিত কর না। এবং তোমরা অভাবগ্রস্তকে খাদ্য দানে পরস্পরকে উৎসাহিত করনা, আর তোমরা ইয়াতীম মিসকিনকে খাদ্য দেয়ার জন্য পরস্পরকে উৎসাহিত কর না, وَ لَا تَحٰٓضُّوْنَ عَلٰی طَعَامِ الْمِسْكِیْنِۙ﴿١٨ ﴾
19 আর তোমরা উত্তরাধিকারের সম্পত্তি সম্পূর্ণরূপে ভক্ষণ কর। এবং তোমরা উত্তরাধিকারীদের প্রাপ্য সম্পদ সম্পূর্ণ রূপে আহার করে থাকো, আর তোমরা উত্তরাধিকারীদের সব সম্পদ খেয়ে ফেল। وَ تَاْكُلُوْنَ التُّرَاثَ اَكْلًا لَّمًّاۙ﴿١٩ ﴾
20 আর তোমরা ধন-সম্পদকে অতিশয় ভালবাস। এবং তোমরা ধন-সম্পদকে অত্যধিক ভালবেসে থাক, আর তোমরা ধনসম্পদকে অতিরিক্ত ভালবাস। وَّ تُحِبُّوْنَ الْمَالَ حُبًّا جَمًّاؕ﴿٢٠ ﴾
21 কখনো নয়, যখন যমীনকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করা হবে পরিপূর্ণভাবে। এটা সংগত নয়। পৃথিবীকে যখন চূর্ণ বিচূর্ণ করা হবে, এটা মোটেই ঠিক নয়, যখন পৃথিবীকে চূর্ণ বিচূর্ণ করে বালি বানিয়ে দেয়া হবে, كَلَّاۤ اِذَا دُكَّتِ الْاَرْضُ دَكًّا دَكًّاۙ﴿٢١ ﴾
22 আর তোমার রব ও ফেরেশতাগণ উপস্থিত হবেন সারিবদ্ধভাবে। এবং যখন তোমার রাব্ব আগমন করবেন, আর সারিবদ্ধভাবে মালাইকা/ফেরেশতাগণও সমুপস্থিত হবে – আর যখন তোমার প্রতিপালক আসবেন আর ফেরেশতারা আসবে সারিবদ্ধ হয়ে, وَّ جَآءَ رَبُّكَ وَ الْمَلَكُ صَفًّا صَفًّاۚ﴿٢٢ ﴾
23 আর সেদিন জাহান্নামকে উপস্থিত করা হবে, সেদিন মানুষ স্মরণ করবে, কিন্তু সেই স্মরণ তার কী উপকারে আসবে? সেদিন জাহান্নামকে আনয়ন করা হবে এবং সেদিন মানুষ উপলদ্ধি করবে, কিন্তু এই উপলদ্ধি তার কি করে কাজে আসবে? আর জাহান্নামকে সেদিন (সামনাসামনি) আনা হবে। সেদিন মানুষ উপলব্ধি করবে, কিন্তু তখন এ উপলব্ধি তার কী কাজে আসবে? وَ جِایْٓءَ یَوْمَىِٕذٍۭ بِجَهَنَّمَ ۙ۬ یَوْمَىِٕذٍ یَّتَذَكَّرُ الْاِنْسَانُ وَ اَنّٰی لَهُ الذِّكْرٰیؕ﴿٢٣ ﴾
24 সে বলবে, ‘হায়! যদি আমি কিছু আগে পাঠাতাম আমার এ জীবনের জন্য’! সে বলবেঃ হায়! আমার এ জীবনের জন্য আমি যদি কিছু অগ্রিম পাঠাতাম! সে বলবে, ‘হায়! আমার (এখনকার) জীবনের জন্য যদি আমি (সৎকর্ম) আগে পাঠাতাম! یَقُوْلُ یٰلَیْتَنِیْ قَدَّمْتُ لِحَیَاتِیْۚ﴿٢٤ ﴾
25 অতঃপর সেদিন তাঁর আযাবের মত আযাব কেউ দিতে পারবে না। সেই দিন তাঁর শাস্তির মত শাস্তি কেহ দিতে পারবেনা, অতঃপর সেদিন তাঁর শাস্তির মত শাস্তি কেউ দিতে পারবে না فَیَوْمَىِٕذٍ لَّا یُعَذِّبُ عَذَابَهٗۤ اَحَدٌۙ﴿٢٥ ﴾
26 আর কেউ তাঁর বাঁধার মত বাঁধতে পারবে না। এবং তাঁর বন্ধনের মত বন্ধন কেহ করতে পারবেনা। এবং তাঁর বাঁধনের মত কেউ বাঁধতে পারবে না। وَّ لَا یُوْثِقُ وَ ثَاقَهٗۤ اَحَدٌؕ﴿٢٦ ﴾
27 হে প্রশান্ত আত্মা! বলা হবেঃ হে প্রশান্ত চিত্ত! (অপর দিকে নেককার লোককে বলা হবে) হে প্রশান্ত আত্মা! یٰۤاَیَّتُهَا النَّفْسُ الْمُطْمَىِٕنَّةُۗۖ﴿٢٧ ﴾
28 তুমি ফিরে এসো তোমার রবের প্রতি সন্তুষ্টচিত্তে, সন্তোষভাজন হয়ে। তুমি তোমার রবের নিকট ফিরে এসো সন্তুষ্ট ও সন্তোষ ভাজন হয়ে, তোমার রব-এর দিকে ফিরে এসো সন্তুষ্ট হয়ে এবং (তোমার রব-এর) সন্তুষ্টির পাত্র হয়ে। ارْجِعِیْۤ اِلٰی رَبِّكِ رَاضِیَةً مَّرْضِیَّةًۚ﴿٢٨ ﴾
29 অতঃপর আমার বান্দাদের মধ্যে শামিল হয়ে যাও। অতঃপর তুমি আমার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হও, অতঃপর আমার (নেক) বান্দাহদের মধ্যে শামিল হও فَادْخُلِیْ فِیْ عِبٰدِیْۙ﴿٢٩ ﴾
30 আর প্রবেশ কর আমার জান্নাতে। এবং আমার জান্নাতে প্রবেশ কর। আর আমার জান্নাতে প্রবেশ কর। وَ ادْخُلِیْ جَنَّتِیْ﴿٣٠ ﴾