۞ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ ۞
অনুবাদকে টিক দিন        


সমগ্র কুরআনে সার্চ করার জন্য আরবি অথবা বাংলা শব্দ দিন...


তথ্য খুঁজুন: যেমনঃ মায়িদা x
সুরা লিস্ট দেখুন

সূরা নাম (Sura Name): �������� ������ -- Saba -- ������������
আয়াত সংখ্যা: 54
আয়াত নাম্বার আয়াত আরবি
1 প্রশংসা আল্লাহর যিনি আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সব কিছুরই মালিক এবং আখিরাতেও প্রশংসা তাঁরই। তিনি প্রজ্ঞাময়, সর্ব বিষয়ে অবহিত।
[ ������������: 1 ]
اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ الَّذِیْ لَهٗ مَا فِی السَّمٰوٰتِ وَ مَا فِی الْاَرْضِ وَ لَهُ الْحَمْدُ فِی الْاٰخِرَةِ ؕ وَ هُوَ الْحَكِیْمُ الْخَبِیْرُ﴿١ ﴾
2 তিনি জানেন যা ভূমিতে প্রবেশ করে, তা হতে যা নির্গত হয় এবং যা আকাশ হতে বর্ষিত হয় ও যা কিছু আকাশে উত্থিত হয়। তিনিই পরম দয়ালু, ক্ষমাশীল।
[ ������������: 2 ]
یَعْلَمُ مَا یَلِجُ فِی الْاَرْضِ وَ مَا یَخْرُجُ مِنْهَا وَ مَا یَنْزِلُ مِنَ السَّمَآءِ وَ مَا یَعْرُجُ فِیْهَا ؕ وَ هُوَ الرَّحِیْمُ الْغَفُوْرُ﴿٢ ﴾
3 কাফিরেরা বলেঃ আমাদের উপর কিয়ামাত আসবেনা। বলঃ আসবেই, শপথ আমার রবের! নিশ্চয়ই তোমাদের নিকট ওটা আসবে। তিনি অদৃশ্য সম্বন্ধে সম্যক পরিজ্ঞাত; আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে তাঁর অগোচর নয় অণু পরিমাণ কিছু কিংবা তদপেক্ষা ক্ষুদ্র অথবা বৃহৎ কিছু; বরং ওর প্রত্যেকটি লিপিবদ্ধ আছে সুস্পষ্ট কিতাবে।
[ ������������: 3 ]
وَ قَالَ الَّذِیْنَ كَفَرُوْا لَا تَاْتِیْنَا السَّاعَةُ ؕ قُلْ بَلٰی وَ رَبِّیْ لَتَاْتِیَنَّكُمْ ۙ عٰلِمِ الْغَیْبِ ۚ لَا یَعْزُبُ عَنْهُ مِثْقَالُ ذَرَّةٍ فِی السَّمٰوٰتِ وَ لَا فِی الْاَرْضِ وَ لَاۤ اَصْغَرُ مِنْ ذٰلِكَ وَ لَاۤ اَكْبَرُ اِلَّا فِیْ كِتٰبٍ مُّبِیْنٍۗۙ﴿٣ ﴾
4 এটা এ জন্য যে, যারা মু’মিন ও সৎ কর্মপরায়ণ তিনি তাদেরকে পুরস্কৃত করবেন। তাদেরই জন্য আছে ক্ষমা ও সম্মানজনক রিয্ক।
[ ������������: 4 ]
لِّیَجْزِیَ الَّذِیْنَ اٰمَنُوْا وَ عَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ ؕ اُولٰٓىِٕكَ لَهُمْ مَّغْفِرَةٌ وَّ رِزْقٌ كَرِیْمٌ﴿٤ ﴾
5 যারা আমার আয়াতসমূহকে ব্যর্থ করার চেষ্টা করে তাদের জন্য রয়েছে ভয়ংকর মর্মন্তুদ শাস্তি।
[ ������������: 5 ]
وَ الَّذِیْنَ سَعَوْ فِیْۤ اٰیٰتِنَا مُعٰجِزِیْنَ اُولٰٓىِٕكَ لَهُمْ عَذَابٌ مِّنْ رِّجْزٍ اَلِیْمٌ﴿٥ ﴾
6 যাদেরকে জ্ঞান দেয়া হয়েছে তারা জানে যে, তোমার রবের নিকট হতে তোমার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে তা সত্য। ইহা মানুষকে পরাক্রমশালী ও প্রশংসা আল্লাহর পথ নির্দেশ করে।
[ ������������: 6 ]
وَ یَرَی الَّذِیْنَ اُوْتُوا الْعِلْمَ الَّذِیْۤ اُنْزِلَ اِلَیْكَ مِنْ رَّبِّكَ هُوَ الْحَقَّ ۙ وَ یَهْدِیْۤ اِلٰی صِرَاطِ الْعَزِیْزِ الْحَمِیْدِ﴿٦ ﴾
7 কাফিরেরা বলেঃ আমরা কি তোমাদেরকে এমন ব্যক্তির সন্ধান দিব যে তোমাদেরকে বলে তোমাদের দেহ সম্পূর্ণ ছিন্নভিন্ন হয়ে পড়লেও তোমরা সৃষ্টি রূপে উত্থিত হবে?
[ ������������: 7 ]
وَ قَالَ الَّذِیْنَ كَفَرُوْا هَلْ نَدُلُّكُمْ عَلٰی رَجُلٍ یُّنَبِّئُكُمْ اِذَا مُزِّقْتُمْ كُلَّ مُمَزَّقٍ ۙ اِنَّكُمْ لَفِیْ خَلْقٍ جَدِیْدٍۚ﴿٧ ﴾
8 সে কি আল্লাহ সম্বন্ধে মিথ্যা উদ্ভাবন করে অথবা সে কি উন্মাদ? বস্তুতঃ যারা আখিরাতে বিশ্বাস করেনা তারা শাস্তি ও ঘোর বিভ্রান্তিতে রয়েছে।
[ ������������: 8 ]
اَفْتَرٰی عَلَی اللّٰهِ كَذِبًا اَمْ بِهٖ جِنَّةٌ ؕ بَلِ الَّذِیْنَ لَا یُؤْمِنُوْنَ بِالْاٰخِرَةِ فِی الْعَذَابِ وَ الضَّلٰلِ الْبَعِیْدِ﴿٨ ﴾
9 তারা কি তাদের সম্মুখে ও পশ্চাতে, আসমান ও যমীনে যা আছে তার প্রতি লক্ষ্য করেনা? আমি ইচ্ছা করলে তাদেরকেসহ ভূমি ধ্বসিয়ে দিব অথবা তাদের উপর আকাশ মন্ডলের পতন ঘটাব; আল্লাহর অভিমুখী প্রতিটি বান্দার জন্য এতে অবশ্যই নিদর্শন রয়েছে।
[ ������������: 9 ]
اَفَلَمْ یَرَوْا اِلٰی مَا بَیْنَ اَیْدِیْهِمْ وَ مَا خَلْفَهُمْ مِّنَ السَّمَآءِ وَ الْاَرْضِ ؕ اِنْ نَّشَاْ نَخْسِفْ بِهِمُ الْاَرْضَ اَوْ نُسْقِطْ عَلَیْهِمْ كِسَفًا مِّنَ السَّمَآءِ ؕ اِنَّ فِیْ ذٰلِكَ لَاٰیَةً لِّكُلِّ عَبْدٍ مُّنِیْبٍ﴿٩ ﴾
10 আমি নিশ্চয়ই দাঊদের প্রতি অনুগ্রহ করেছিলাম এবং আদেশ করেছিলাম, হে পবর্তমালা! তোমরা দাঊদের সাথে আমার পবিত্রতা ঘোষণা কর এবং বিহংগকূলকেও। তার জন্য নমনীয় করেছিলাম লৌহ –
[ ������������: 10 ]
وَ لَقَدْ اٰتَیْنَا دَاوٗدَ مِنَّا فَضْلًا ؕ یٰجِبَالُ اَوِّبِیْ مَعَهٗ وَ الطَّیْرَ ۚ وَ اَلَنَّا لَهُ الْحَدِیْدَۙ﴿١٠ ﴾
11 (এই আদেশ করে) ‘তুমি পূর্ণ মাপের বর্ম তৈরী কর, কড়াসমূহ যথাযথভাবে সংযুক্ত কর এবং তোমরা সৎ কাজ কর’, তোমরা যা কিছু কর আমি ওর সম্যক দ্রষ্টা।
[ ������������: 11 ]
اَنِ اعْمَلْ سٰبِغٰتٍ وَّ قَدِّرْ فِی السَّرْدِ وَ اعْمَلُوْا صَالِحًا ؕ اِنِّیْ بِمَا تَعْمَلُوْنَ بَصِیْرٌ﴿١١ ﴾
12 সুলাইমানের অধীন করেছিলাম বায়ুকে যা প্রভাতে এক মাসের পথ অতিক্রম করত এবং সন্ধ্যায় এক মাসের পথ অতিক্রম করত। আমি তার জন্য গলিত তাম্রের এক প্রস্রবন প্রবাহিত করেছিলাম। এবং ছিল জিন সম্প্রদায় যারা তাদের রবের অনুমতিক্রমে নিজেদের কতক তার সামনে কাজ করত। তাদের মধ্যে যে আমার নির্দেশ অমান্য করে তাকে আমি জ্বলন্ত অগ্নির শাস্তি আস্বাদন করাব।
[ ������������: 12 ]
وَ لِسُلَیْمٰنَ الرِّیْحَ غُدُوُّهَا شَهْرٌ وَّ رَوَاحُهَا شَهْرٌ ۚ وَ اَسَلْنَا لَهٗ عَیْنَ الْقِطْرِ ؕ وَ مِنَ الْجِنِّ مَنْ یَّعْمَلُ بَیْنَ یَدَیْهِ بِاِذْنِ رَبِّهٖ ؕ وَ مَنْ یَّزِغْ مِنْهُمْ عَنْ اَمْرِنَا نُذِقْهُ مِنْ عَذَابِ السَّعِیْرِ﴿١٢ ﴾
13 তারা সুলাইমানের ইচ্ছানুযায়ী প্রাসাদ, ভাস্কর্য, হাউয সদৃশ বৃহদাকার পাত্র এবং সুদৃঢ় ভাবে চুল্লির উপর স্থাপিত বৃহদাকার ডেগ নির্মাণ করত। (আমি বলেছিলাম) হে দাউদ পরিবার! কৃতজ্ঞতার সাথে তোমরা কাজ করতে থাক। আমার বান্দাদের মধ্যে অল্পই কৃতজ্ঞ।
[ ������������: 13 ]
یَعْمَلُوْنَ لَهٗ مَا یَشَآءُ مِنْ مَّحَارِیْبَ وَ تَمَاثِیْلَ وَ جِفَانٍ كَالْجَوَابِ وَ قُدُوْرٍ رّٰسِیٰتٍ ؕ اِعْمَلُوْۤا اٰلَ دَاوٗدَ شُكْرًا ؕ وَ قَلِیْلٌ مِّنْ عِبَادِیَ الشَّكُوْرُ﴿١٣ ﴾
14 যখন আমি সুলাইমানের মৃত্যু ঘটালাম তখন জিনদেরকে তার মৃত্যু বিষয় জানালো শুধু মাটির পোকা যা সুলাইমানের লাঠি খাচ্ছিল। যখন সুলাইমান পড়ে গেল তখন জিনেরা বুঝতে পারল যে, তারা যদি অদৃশ্য বিষয় অবগত থাকত তাহলে তারা লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তিতে আবদ্ধ থাকতনা।
[ ������������: 14 ]
فَلَمَّا قَضَیْنَا عَلَیْهِ الْمَوْتَ مَا دَلَّهُمْ عَلٰی مَوْتِهٖۤ اِلَّا دَآبَّةُ الْاَرْضِ تَاْكُلُ مِنْسَاَتَهٗ ۚ فَلَمَّا خَرَّ تَبَیَّنَتِ الْجِنُّ اَنْ لَّوْ كَانُوْا یَعْلَمُوْنَ الْغَیْبَ مَا لَبِثُوْا فِی الْعَذَابِ الْمُهِیْنِؕ﴿١٤ ﴾
15 সাবাবাসীদের জন্য তাদের বাসভূমিতে ছিল এক নিদর্শন! দু’টি উদ্যান, একটি ডান দিকে, অপরটি বাম দিকে। তাদেরকে বলা হয়েছিলঃ তোমরা তোমাদের রাবব প্রদত্ত রিয্ক ভোগ কর এবং তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর। উত্তম এই স্থান এবং ক্ষমাশীল তোমাদের রাবব!
[ ������������: 15 ]
لَقَدْ كَانَ لِسَبَاٍ فِیْ مَسْكَنِهِمْ اٰیَةٌ ۚ جَنَّتٰنِ عَنْ یَّمِیْنٍ وَّ شِمَالٍ ؕ۬ كُلُوْا مِنْ رِّزْقِ رَبِّكُمْ وَ اشْكُرُوْا لَهٗ ؕ بَلْدَةٌ طَیِّبَةٌ وَّ رَبٌّ غَفُوْرٌ﴿١٥ ﴾
16 অতঃপর তারা আদেশ অমান্য করল। ফলে আমি তাদের উপর প্রবাহিত করলাম বাঁধভাঙ্গা বন্যা এবং তাদের উদ্যান দু’টি পরিবর্তন করে দিলাম এমন দু’টি উদ্যানে যাতে উৎপন্ন হয় বিস্বাদ ফল-মূল, ঝাউ গাছ এবং কিছু কুল গাছ।
[ ������������: 16 ]
فَاَعْرَضُوْا فَاَرْسَلْنَا عَلَیْهِمْ سَیْلَ الْعَرِمِ وَ بَدَّلْنٰهُمْ بِجَنَّتَیْهِمْ جَنَّتَیْنِ ذَوَاتَیْ اُكُلٍ خَمْطٍ وَّ اَثْلٍ وَّ شَیْءٍ مِّنْ سِدْرٍ قَلِیْلٍ﴿١٦ ﴾
17 আমি তাদেরকে এই শাস্তি দিয়েছিলাম তাদের কুফরীর কারণে। আমি কৃতঘ্ন ব্যতীত আর কেহকেও এমন শাস্তি দিইনা।
[ ������������: 17 ]
ذٰلِكَ جَزَیْنٰهُمْ بِمَا كَفَرُوْا ؕ وَ هَلْ نُجٰزِیْۤ اِلَّا الْكَفُوْرَ﴿١٧ ﴾
18 তাদের এবং যে সব জনপদের প্রতি আমি অনুগ্রহ করেছিলাম সেইগুলির অন্তর্বর্তী স্থানে দৃশ্যমান বহু জনপদ স্থাপন করেছিলাম এবং ঐ সব জনপদে ভ্রমণের যথাযথ ব্যবস্থা করেছিলাম এবং তাদেরকে বলেছিলামঃ তোমরা এই সব জনপদে নিরাপদে ভ্রমণ কর দিনে ও রাতে।
[ ������������: 18 ]
وَ جَعَلْنَا بَیْنَهُمْ وَ بَیْنَ الْقُرَی الَّتِیْ بٰرَكْنَا فِیْهَا قُرًی ظَاهِرَةً وَّ قَدَّرْنَا فِیْهَا السَّیْرَ ؕ سِیْرُوْا فِیْهَا لَیَالِیَ وَ اَیَّامًا اٰمِنِیْنَ﴿١٨ ﴾
19 কিন্তু তারা বললঃ হে আমাদের রাবব! আমাদের সফরের মানযিলগুলির ব্যবধান বর্ধিত করুন! এভাবে তারা নিজেদের প্রতি যুলম করেছিল। ফলে আমি তাদেরকে কাহিনীর বিষয়বস্তুতে পরিণত করলাম এবং তাদেরকে ছিন্ন-ভিন্ন করে দিলাম। এতে প্রত্যেক ধৈর্যশীল, কৃতজ্ঞ ব্যক্তির জন্য নিদর্শন রয়েছে।
[ ������������: 19 ]
فَقَالُوْا رَبَّنَا بٰعِدْ بَیْنَ اَسْفَارِنَا وَ ظَلَمُوْۤا اَنْفُسَهُمْ فَجَعَلْنٰهُمْ اَحَادِیْثَ وَ مَزَّقْنٰهُمْ كُلَّ مُمَزَّقٍ ؕ اِنَّ فِیْ ذٰلِكَ لَاٰیٰتٍ لِّكُلِّ صَبَّارٍ شَكُوْرٍ﴿١٩ ﴾
20 তাদের সম্বন্ধে ইবলীস তার ধারণা সত্য প্রমাণ করল, ফলে তাদের মধ্যে একটি মু’মিন দল ব্যতীত সবাই তার অনুসরণ করল।
[ ������������: 20 ]
وَ لَقَدْ صَدَّقَ عَلَیْهِمْ اِبْلِیْسُ ظَنَّهٗ فَاتَّبَعُوْهُ اِلَّا فَرِیْقًا مِّنَ الْمُؤْمِنِیْنَ﴿٢٠ ﴾
21 তাদের উপর শাইতানের কোন আধিপত্য ছিলনা। কারা আখিরাতে বিশ্বাসী এবং কারা ওতে সন্দিহান তা প্রকাশ করে দেয়াই ছিল আমার উদ্দেশ্য। তোমার রাবব সর্ব বিষয়ের তত্ত্বাবধায়ক।
[ ������������: 21 ]
وَ مَا كَانَ لَهٗ عَلَیْهِمْ مِّنْ سُلْطٰنٍ اِلَّا لِنَعْلَمَ مَنْ یُّؤْمِنُ بِالْاٰخِرَةِ مِمَّنْ هُوَ مِنْهَا فِیْ شَكٍّ ؕ وَ رَبُّكَ عَلٰی كُلِّ شَیْءٍ حَفِیْظٌ﴿٢١ ﴾
22 তুমি বলঃ তোমরা আহবান কর তাদেরকে যাদেরকে তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে মা‘বূদ মনে করতে। তারা আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে অণু পরিমান কোনো কিছুর মালিক নয় এবং এতদুভয়ে তাদের কোন অংশ নেই এবং না তাঁরা সাহায্যকারী।
[ ������������: 22 ]
قُلِ ادْعُوا الَّذِیْنَ زَعَمْتُمْ مِّنْ دُوْنِ اللّٰهِ ۚ لَا یَمْلِكُوْنَ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ فِی السَّمٰوٰتِ وَ لَا فِی الْاَرْضِ وَ مَا لَهُمْ فِیْهِمَا مِنْ شِرْكٍ وَّ مَا لَهٗ مِنْهُمْ مِّنْ ظَهِیْرٍ﴿٢٢ ﴾
23 যাকে অনুমতি দেয়া হয় সে ছাড়া আল্লাহর নিকট কারও সুপারিশ ফলপ্রসু হবেনা। অতঃপর যখন তাদের অন্তর হতে ভয় বিদুরিত হবে তখন তারা পরস্পরের মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদ করবেঃ তোমাদের রাবব কি বললেন? তদুত্তরে তারা বলবেঃ যা সত্য তিনি তাই বলেছেন। তিনি সমুচ্চ, মহান।
[ ������������: 23 ]
وَ لَا تَنْفَعُ الشَّفَاعَةُ عِنْدَهٗۤ اِلَّا لِمَنْ اَذِنَ لَهٗ ؕ حَتّٰۤی اِذَا فُزِّعَ عَنْ قُلُوْبِهِمْ قَالُوْا مَا ذَا ۙ قَالَ رَبُّكُمْ ؕ قَالُوا الْحَقَّ ۚ وَ هُوَ الْعَلِیُّ الْكَبِیْرُ﴿٢٣ ﴾
24 বলঃ আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী হতে কে তোমাকে রিয্ক প্রদান করে? বলঃ আল্লাহ! এবং নিশ্চয়ই আমরা অথবা তোমরা সৎ পথে স্থিত অথবা স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে পতিত।
[ ������������: 24 ]
قُلْ مَنْ یَّرْزُقُكُمْ مِّنَ السَّمٰوٰتِ وَ الْاَرْضِ ؕ قُلِ اللّٰهُ ۙ وَ اِنَّاۤ اَوْ اِیَّاكُمْ لَعَلٰی هُدًی اَوْ فِیْ ضَلٰلٍ مُّبِیْنٍ﴿٢٤ ﴾
25 বলঃ আমাদের অপরাধের জন্য তোমাদেরকে জবাবদিহি করতে হবেনা এবং তোমরা যা কর সে সম্পর্কে আমাদেরকেও জবাবদিহি করতে হবেনা।
[ ������������: 25 ]
قُلْ لَّا تُسْـَٔلُوْنَ عَمَّاۤ اَجْرَمْنَا وَ لَا نُسْـَٔلُ عَمَّا تَعْمَلُوْنَ﴿٢٥ ﴾
26 বলঃ আমাদের রাবব আমাদেরকে একত্রিত করবেন, অতঃপর তিনি আমাদের মধ্যে ন্যায়ের সাথে ফাইসালা করে দিবেন, তিনিই শ্রেষ্ঠ ফাইসালাকারী, সর্বজ্ঞ।
[ ������������: 26 ]
قُلْ یَجْمَعُ بَیْنَنَا رَبُّنَا ثُمَّ یَفْتَحُ بَیْنَنَا بِالْحَقِّ ؕ وَ هُوَ الْفَتَّاحُ الْعَلِیْمُ﴿٢٦ ﴾
27 বলঃ তোমরা আমাকে দেখাও তাদেরকে যাদেরকে শরীক রূপে তাঁর সাথে জুড়ে দিয়েছ। না, কখনও নয়। বস্তুতঃ আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।
[ ������������: 27 ]
قُلْ اَرُوْنِیَ الَّذِیْنَ اَلْحَقْتُمْ بِهٖ شُرَكَآءَ كَلَّا ؕ بَلْ هُوَ اللّٰهُ الْعَزِیْزُ الْحَكِیْمُ﴿٢٧ ﴾
28 আমিতো তোমাকে সমগ্র মানব জাতির প্রতি সুসংবাদ দাতা ও সতর্ককারী রূপে প্রেরণ করেছি। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ জানেনা।
[ ������������: 28 ]
وَ مَاۤ اَرْسَلْنٰكَ اِلَّا كَآفَّةً لِّلنَّاسِ بَشِیْرًا وَّ نَذِیْرًا وَّ لٰكِنَّ اَكْثَرَ النَّاسِ لَا یَعْلَمُوْنَ﴿٢٨ ﴾
29 তারা জিজ্ঞেস করেঃ তোমরা যদি সত্যবাদী হও তাহলে বল, এই প্রতিশ্রুতি কখন বাস্তবায়িত হবে?
[ ������������: 29 ]
وَ یَقُوْلُوْنَ مَتٰی هٰذَا الْوَعْدُ اِنْ كُنْتُمْ صٰدِقِیْنَ﴿٢٩ ﴾
30 বলঃ তোমাদের জন্য আছে এক নির্ধারিত দিন যা মুহুর্তকাল বিলম্বিত করতে পারবেনা, ত্বরান্বিতও করতে পারবেনা।
[ ������������: 30 ]
قُلْ لَّكُمْ مِّیْعَادُ یَوْمٍ لَّا تَسْتَاْخِرُوْنَ عَنْهُ سَاعَةً وَّ لَا تَسْتَقْدِمُوْنَ﴿٣٠ ﴾
31 কাফিরেরা বলেঃ আমরা এই কুরআনে কখনও বিশ্বাস স্থাপন করবনা, এর পূর্ববর্তী কিতাবসমূহেও না। হায়! তুমি যদি দেখতে! যালিমদেরকে যখন তাদের রবের সামনে দন্ডায়মান করা হবে তখন তারা পরস্পর বাদ প্রতিবাদ করতে থাকবে। যাদেরকে দুর্বল মনে করা হত তারা ক্ষমতাদর্পীদেরকে বলবেঃ তোমরা না থাকলে আমরা অবশ্যই মু’মিন হতাম।
[ ������������: 31 ]
وَ قَالَ الَّذِیْنَ كَفَرُوْا لَنْ نُّؤْمِنَ بِهٰذَا الْقُرْاٰنِ وَ لَا بِالَّذِیْ بَیْنَ یَدَیْهِ ؕ وَ لَوْ تَرٰۤی اِذِ الظّٰلِمُوْنَ مَوْقُوْفُوْنَ عِنْدَ رَبِّهِمْ ۖۚ یَرْجِعُ بَعْضُهُمْ اِلٰی بَعْضِ ِ۟الْقَوْلَ ۚ یَقُوْلُ الَّذِیْنَ اسْتُضْعِفُوْا لِلَّذِیْنَ اسْتَكْبَرُوْا لَوْ لَاۤ اَنْتُمْ لَكُنَّا مُؤْمِنِیْنَ﴿٣١ ﴾
32 যারা ক্ষমতাদর্পী ছিল তারা যাদেরকে দুর্বল মনে করা হত তাদেরকে বলবেঃ তোমাদের নিকট সৎ পথের দিশা আসার পর আমরা কি তোমাদেরকে ওটা হতে নিবৃত্ত করেছিলাম? বস্তুতঃ তোমরাইতো ছিলে অপরাধী।
[ ������������: 32 ]
قَالَ الَّذِیْنَ اسْتَكْبَرُوْا لِلَّذِیْنَ اسْتُضْعِفُوْۤا اَنَحْنُ صَدَدْنٰكُمْ عَنِ الْهُدٰی بَعْدَ اِذْ جَآءَكُمْ بَلْ كُنْتُمْ مُّجْرِمِیْنَ﴿٣٢ ﴾
33 যাদেরকে দুর্বল মনে করা হত তারা ক্ষমতাদর্পীদেরকে বলবেঃ প্রকৃত পক্ষে তোমরাইতো দিন-রাত চক্রান্তে লিপ্ত ছিলে, আমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছিলে যেন আমরা আল্লাহকে অমান্য করি এবং তাঁর শরীক স্থাপন করি। যখন তারা শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে তখন তারা অনুতাপ গোপন রাখবে এবং আমি কাফিরদের গলদেশে শৃংখল পরিয়ে দিব। তারা যা করত তারই প্রতিফল তাদেরকে দেয়া হবে।
[ ������������: 33 ]
وَ قَالَ الَّذِیْنَ اسْتُضْعِفُوْا لِلَّذِیْنَ اسْتَكْبَرُوْا بَلْ مَكْرُ الَّیْلِ وَ النَّهَارِ اِذْ تَاْمُرُوْنَنَاۤ اَنْ نَّكْفُرَ بِاللّٰهِ وَ نَجْعَلَ لَهٗۤ اَنْدَادًا ؕ وَ اَسَرُّوا النَّدَامَةَ لَمَّا رَاَوُا الْعَذَابَ ؕ وَ جَعَلْنَا الْاَغْلٰلَ فِیْۤ اَعْنَاقِ الَّذِیْنَ كَفَرُوْا ؕ هَلْ یُجْزَوْنَ اِلَّا مَا كَانُوْا یَعْمَلُوْنَ﴿٣٣ ﴾
34 যখনই আমি কোন জনপদে সতর্ককারী প্রেরণ করেছি তখনই ওর বিত্তশালী অধিবাসীরা বলেছেঃ তোমরা যা সহ প্রেরিত হয়েছ আমরা তা প্রত্যাখ্যান করি।
[ ������������: 34 ]
وَ مَاۤ اَرْسَلْنَا فِیْ قَرْیَةٍ مِّنْ نَّذِیْرٍ اِلَّا قَالَ مُتْرَفُوْهَاۤ ۙ اِنَّا بِمَاۤ اُرْسِلْتُمْ بِهٖ كٰفِرُوْنَ﴿٣٤ ﴾
35 তারা আরও বলতঃ আমরা ধনে-জনে সমৃদ্ধশালী; সুতরাং আমাদেরকে কিছুতেই শাস্তি দেয়া হবেনা।
[ ������������: 35 ]
وَ قَالُوْا نَحْنُ اَكْثَرُ اَمْوَالًا وَّ اَوْلَادًا ۙ وَّ مَا نَحْنُ بِمُعَذَّبِیْنَ﴿٣٥ ﴾
36 বলঃ আমার রাবব যার প্রতি ইচ্ছা রিয্ক বর্ধিত করেন, অথবা এটা সীমিত করেন; কিন্তু অধিকাংশ লোকই এটা জানেনা।
[ ������������: 36 ]
قُلْ اِنَّ رَبِّیْ یَبْسُطُ الرِّزْقَ لِمَنْ یَّشَآءُ وَ یَقْدِرُ وَ لٰكِنَّ اَكْثَرَ النَّاسِ لَا یَعْلَمُوْنَ﴿٣٦ ﴾
37 তোমাদের ধন সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি এমন কিছু নয় যা তোমাদেরকে আমার নিকটবর্তী করে দিবে; যারা ঈমান আনে ও সৎ কাজ করে তারাই তাদের কর্মের জন্য পাবে বহুগুণ পুরস্কার; আর তারা প্রাসাদে নিরাপদে থাকবে।
[ ������������: 37 ]
وَ مَاۤ اَمْوَالُكُمْ وَ لَاۤ اَوْلَادُكُمْ بِالَّتِیْ تُقَرِّبُكُمْ عِنْدَنَا زُلْفٰۤی اِلَّا مَنْ اٰمَنَ وَ عَمِلَ صَالِحًا ؗ فَاُولٰٓىِٕكَ لَهُمْ جَزَآءُ الضِّعْفِ بِمَا عَمِلُوْا وَ هُمْ فِی الْغُرُفٰتِ اٰمِنُوْنَ﴿٣٧ ﴾
38 যারা আমার আয়াতকে ব্যর্থ করার চেষ্টা করবে তারা শাস্তি ভোগ করতে থাকবে।
[ ������������: 38 ]
وَ الَّذِیْنَ یَسْعَوْنَ فِیْۤ اٰیٰتِنَا مُعٰجِزِیْنَ اُولٰٓىِٕكَ فِی الْعَذَابِ مُحْضَرُوْنَ﴿٣٨ ﴾
39 বলঃ আমার রাবব তাঁর বান্দাদের মধ্যে যার প্রতি ইচ্ছা তার রিয্ক বর্ধিত করেন অথবা ওটা সীমিত করেন। তোমরা যা কিছু ব্যয় করবে তিনি তার প্রতিদান দিবেন। তিনি শ্রেষ্ঠ রিয্কদাতা।
[ ������������: 39 ]
قُلْ اِنَّ رَبِّیْ یَبْسُطُ الرِّزْقَ لِمَنْ یَّشَآءُ مِنْ عِبَادِهٖ وَ یَقْدِرُ لَهٗ ؕ وَ مَاۤ اَنْفَقْتُمْ مِّنْ شَیْءٍ فَهُوَ یُخْلِفُهٗ ۚ وَ هُوَ خَیْرُ الرّٰزِقِیْنَ﴿٣٩ ﴾
40 যেদিন তাদের একত্র করবেন এবং মালাইকা/ফেরেশতাদেরকে জিজ্ঞেস করবেনঃ এরা কি তোমাদেরই পূজা করত?
[ ������������: 40 ]
وَ یَوْمَ یَحْشُرُهُمْ جَمِیْعًا ثُمَّ یَقُوْلُ لِلْمَلٰٓىِٕكَةِ اَهٰۤؤُلَآءِ اِیَّاكُمْ كَانُوْا یَعْبُدُوْنَ﴿٤٠ ﴾
41 মালাইকা বলবেঃ আপনি পবিত্র, মহান! আমাদের সাহায্যকারী আপনিই, তারা নয়, তারাতো পূজা করত জিনদের এবং তাদের অধিকাংশই ছিল তাদের প্রতি বিশ্বাসী।
[ ������������: 41 ]
قَالُوْا سُبْحٰنَكَ اَنْتَ وَلِیُّنَا مِنْ دُوْنِهِمْ ۚ بَلْ كَانُوْا یَعْبُدُوْنَ الْجِنَّ ۚ اَكْثَرُهُمْ بِهِمْ مُّؤْمِنُوْنَ﴿٤١ ﴾
42 আজ তোমাদের একে অন্যের উপকার কিংবা অপকার করার ক্ষমতা নেই। যারা যুল্‌ম করেছিল তাদেরকে বলবঃ তোমরা যে আগুনের শাস্তি অস্বীকার করতে তা আস্বাদন কর।
[ ������������: 42 ]
فَالْیَوْمَ لَا یَمْلِكُ بَعْضُكُمْ لِبَعْضٍ نَّفْعًا وَّ لَا ضَرًّا ؕ وَ نَقُوْلُ لِلَّذِیْنَ ظَلَمُوْا ذُوْقُوْا عَذَابَ النَّارِ الَّتِیْ كُنْتُمْ بِهَا تُكَذِّبُوْنَ﴿٤٢ ﴾
43 তাদের নিকট যখন আমার সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ আবৃত্তি করা হয় তখন তারা বলেঃ তোমাদের পূর্ব-পুরুষ যার ইবাদাত করত এই ব্যক্তিইতো তার ইবাদাতে তোমাদেরকে বাঁধা দিতে চায়। তারা আরও বলেঃ এটাতো মিথ্যা উদ্ভাবন ব্যতীত কিছু নয়। এবং কাফিরদের নিকট যখন সত্য আসে তখন তারা বলেঃ এটাতো এক সুস্পষ্ট যাদু!
[ ������������: 43 ]
وَ اِذَا تُتْلٰی عَلَیْهِمْ اٰیٰتُنَا بَیِّنٰتٍ قَالُوْا مَا هٰذَاۤ اِلَّا رَجُلٌ یُّرِیْدُ اَنْ یَّصُدَّكُمْ عَمَّا كَانَ یَعْبُدُ اٰبَآؤُكُمْ ۚ وَ قَالُوْا مَا هٰذَاۤ اِلَّاۤ اِفْكٌ مُّفْتَرًی ؕ وَ قَالَ الَّذِیْنَ كَفَرُوْا لِلْحَقِّ لَمَّا جَآءَهُمْ ۙ اِنْ هٰذَاۤ اِلَّا سِحْرٌ مُّبِیْنٌ﴿٤٣ ﴾
44 আমি তাদেরকে পূর্বে কোন কিতাব দিইনি যা তারা অধ্যয়ন করত এবং তোমার পূর্বে তাদের নিকট কোন সতর্ককারীও প্রেরণ করিনি।
[ ������������: 44 ]
وَ مَاۤ اٰتَیْنٰهُمْ مِّنْ كُتُبٍ یَّدْرُسُوْنَهَا وَ مَاۤ اَرْسَلْنَاۤ اِلَیْهِمْ قَبْلَكَ مِنْ نَّذِیْرٍؕ﴿٤٤ ﴾
45 তাদের পূর্ববর্তীরাও মিথ্যা আরোপ করেছিল। তাদেরকে আমি যা দিয়েছিলাম এরা তার এক দশমাংশও পায়নি, তবুও তারা আমার রাসূলদেরকে মিথ্যাবাদী বলেছিল। ফলে কত ভয়ংকর হয়েছিল আমার শাস্তি!
[ ������������: 45 ]
وَ كَذَّبَ الَّذِیْنَ مِنْ قَبْلِهِمْ ۙ وَ مَا بَلَغُوْا مِعْشَارَ مَاۤ اٰتَیْنٰهُمْ فَكَذَّبُوْا رُسُلِیْ ۫ فَكَیْفَ كَانَ نَكِیْرِ﴿٤٥ ﴾
46 বলঃ আমি তোমাদেরকে একটি বিষয়ে উপদেশ দিচ্ছি, তোমরা আল্লাহর উদ্দেশে দুই জন অথবা এক জন করে দাঁড়াও, অতঃপর তোমরা চিন্তা করে দেখ - তোমাদের সংগী আদৌ উন্মাদ নয়। সেতো আসন্ন কঠিন শাস্তি সম্পর্কে তোমাদের সতর্ককারী মাত্র।
[ ������������: 46 ]
قُلْ اِنَّمَاۤ اَعِظُكُمْ بِوَاحِدَةٍ ۚ اَنْ تَقُوْمُوْا لِلّٰهِ مَثْنٰی وَ فُرَادٰی ثُمَّ تَتَفَكَّرُوْا ۫ مَا بِصَاحِبِكُمْ مِّنْ جِنَّةٍ ؕ اِنْ هُوَ اِلَّا نَذِیْرٌ لَّكُمْ بَیْنَ یَدَیْ عَذَابٍ شَدِیْدٍ﴿٤٦ ﴾
47 বলঃ আমি তোমাদের নিকট কোন পারিশ্রমিক চেয়ে থাকলে তা তোমাদেরই, আমার পুরস্কারতো আছে আল্লাহর নিকট এবং তিনি সর্ব বিষয়ে দ্রষ্টা।
[ ������������: 47 ]
قُلْ مَا سَاَلْتُكُمْ مِّنْ اَجْرٍ فَهُوَ لَكُمْ ؕ اِنْ اَجْرِیَ اِلَّا عَلَی اللّٰهِ ۚ وَ هُوَ عَلٰی كُلِّ شَیْءٍ شَهِیْدٌ﴿٤٧ ﴾
48 বলঃ আমার রাবব সত্য নিক্ষেপ করেন; তিনি অদৃশ্যের পরিজ্ঞাতা।
[ ������������: 48 ]
قُلْ اِنَّ رَبِّیْ یَقْذِفُ بِالْحَقِّ ۚ عَلَّامُ الْغُیُوْبِ﴿٤٨ ﴾
49 বলঃ সত্য এসেছে এবং অসত্য না পারে নতুন কিছু সৃষ্টি করতে এবং না পারে পুনরাবৃত্তি করতে।
[ ������������: 49 ]
قُلْ جَآءَ الْحَقُّ وَ مَا یُبْدِئُ الْبَاطِلُ وَ مَا یُعِیْدُ﴿٤٩ ﴾
50 বলঃ আমি বিভ্রান্ত হলে বিভ্রান্তির পরিণাম আমারই এবং যদি আমি সৎ পথে থাকি তাহলে তা এ জন্য যে, আমার প্রতি আমার রাবব অহী প্রেরণ করেন। তিনি সর্বশ্রোতা, সন্নিকট।
[ ������������: 50 ]
قُلْ اِنْ ضَلَلْتُ فَاِنَّمَاۤ اَضِلُّ عَلٰی نَفْسِیْ ۚ وَ اِنِ اهْتَدَیْتُ فَبِمَا یُوْحِیْۤ اِلَیَّ رَبِّیْ ؕ اِنَّهٗ سَمِیْعٌ قَرِیْبٌ﴿٥٠ ﴾
51 তুমি যদি দেখতে যখন তারা ভীত বিহবল হয়ে পড়বে! তারা অব্যাহতি পাবেনা এবং তারা নিকটস্থ স্থান হতে ধৃত হবে।
[ ������������: 51 ]
وَ لَوْ تَرٰۤی اِذْ فَزِعُوْا فَلَا فَوْتَ وَ اُخِذُوْا مِنْ مَّكَانٍ قَرِیْبٍۙ﴿٥١ ﴾
52 আর তারা বলবেঃ আমরা তাঁকে বিশ্বাস করলাম। কিন্তু এত দূরবর্তী স্থান হতে তারা নাগাল পাবে কিরূপে?
[ ������������: 52 ]
وَّ قَالُوْۤا اٰمَنَّا بِهٖ ۚ وَ اَنّٰی لَهُمُ التَّنَاوُشُ مِنْ مَّكَانٍۭ بَعِیْدٍۚۖ﴿٥٢ ﴾
53 তারাতো পূর্বে তাকে প্রত্যাখ্যান করেছিল; তারা দূরবর্তী স্থান হতে অদৃশ্য বিষয়ে বাক্য ছুড়ে মারত।
[ ������������: 53 ]
وَّ قَدْ كَفَرُوْا بِهٖ مِنْ قَبْلُ ۚ وَ یَقْذِفُوْنَ بِالْغَیْبِ مِنْ مَّكَانٍۭ بَعِیْدٍ﴿٥٣ ﴾
54 তাদের ও তাদের প্রবৃত্তির মাঝে অন্তরাল করা হয়েছে, যেমন পূর্বে করা হয়েছিল তাদের সমপন্থীদের ক্ষেত্রে। তারা ছিল বিভ্রান্তিকর সন্দেহের মধ্যে।
[ ������������: 54 ]
وَ حِیْلَ بَیْنَهُمْ وَ بَیْنَ مَا یَشْتَهُوْنَ كَمَا فُعِلَ بِاَشْیَاعِهِمْ مِّنْ قَبْلُ ؕ اِنَّهُمْ كَانُوْا فِیْ شَكٍّ مُّرِیْبٍ﴿٥٤ ﴾